menu

আইপিও’র মাধ্যমে

৩০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পেল একমি পেস্টিসাইডস

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
  • ঢাকা , মঙ্গলবার, ২০ জুলাই ২০২১

শেয়ারবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনে একমি পেস্টিসাইডসের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গতকাল বিএসইসির ৭৮৫তম সভায় এই অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একমি পেস্টিসাইডস ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৩ কোটি শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। উত্তোলনযোগ্য অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি কারখানার ভবন নির্মাণ, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি স্থাপন, নতুন যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয়, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।

কোম্পানিটির ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের নিরিক্ষিত আর্থিক বিবরনী অনুযায়ি শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬.৮৪ টাকায়। এ কোম্পানিটির ওই সময়ের ১ম প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে (ইপিএস) ০.৪৮ টাকা।

একমি পেস্টিসাইডস শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার পরবর্তী ৪ বছর বোনাস শেয়ার দিতে পারবে না বলে নির্দেশনা দিয়েছে বিএসইসি। আইপিওতে কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে শাহজালাল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

এদিকে, ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘের (টিএমএসএস) নন-কনভার্টেবল আনসিকিউর্ড উইম্যান এম্পাওয়ারমেন্ট জিরো কুপন বন্ডের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বিএসইসি সূত্রে জানা যায়, এই বন্ডের ডিসকাউন্ট ভ্যালু ১৭৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং টোটাল ফেস ভ্যালু ২০০ কোটি ১০ লাখ টাকা। এই বন্ডের ডিসকাউন্ট হার ৭.৫০%, যার করপোরেট ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য যোগ্য বিনিয়োগকারীদের অনুকুলে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে।

উল্লেখ্য, এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও যোগী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ উত্তোলন করে টিএমএসএস তাদের ‘জাগরণ’ ও ‘অগ্রসর’ ঋণ প্রকল্পের মাধ্যমে পল্লী এলাকার মহিলাদের মাঝে ঋণ বিতরণ করবে। ফলে নারীর ক্ষশতায়ন বৃদ্ধি পাবে। এই বন্ডের প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ লাখ টাকা এবং প্রতি লটের অভিহিত মূল্য ৩০ লাখ টাকা। এই বন্ডের ট্রাস্টি এমটিবি ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং অ্যারেঞ্জার হিসাবে কাজ করছে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড।