menu

রাষ্ট্র রাজনীতির নয়া চ্যালেঞ্জ

পঙ্কজ ভট্টাচার্য

  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০১৯

দেশ দুনিয়ার বহুল আলোচিত-সমালোচিত বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর চার মাস অতিক্রম হয়েছে। উক্ত নির্বাচনের তাৎক্ষণিকতা-সৃষ্ট উপাদানগুলো থিতিয়ে এসেছে, মৌলিক সমস্যা সংকটের প্রতি নির্মোহ নজর দেয়া এবং সমাধানের পথ সন্ধানের মোটামুটি উপযুক্ত সময়ের সম্মুখীন হয়েছে দেশবাসী- পক্ষ-প্রতিপক্ষ মহলসহ সরকার, রাজনৈতিক শক্তি এবং রাষ্ট্র ব্যবস্থা।

সংবিধান-বর্ণিত ‘রাষ্ট্রের মালিক জনগণ’ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মালিকানা-বঞ্চিত হতে চলেছেন- এরূপ কিছু প্রতিক্রিয়া ঘটেছে নাগরিক সমাজসহ সচেতন জনমনে। রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে জনগণের বিপরীতে একটি ‘রাষ্ট্রায়ত্ত নির্বাচন’ সম্পন্ন হয়েছেÑ এরূপ রটনা রটেছে দেশজুড়ে। উক্ত নির্বাচনটি গণতন্ত্রের বিকাশকে পঙ্গু করে তুলতে পারে- এ শঙ্কা জেগেছে জনমনে। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের অনেকেই মনে করেন তারা সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। নির্বাচন ‘উৎসব’ হয়ে উঠেনি, ‘উপদ্রুব’ হয়ে দেখা দিয়েছে। হাটে-ঘাটে-মাঠে নির্বাচনী উত্তাপের বদলে জনমনে ভীতি অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি পায়। ভোটারকুল মূক হয়েছিলেন, মুখর হতে পারেননি। জনমনে বেড়েছিল উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোটাররা অনেকেই বিচ্ছিন্নতা ও বিষণ্নতায় ভুগেছেন। শঙ্কা-ভয়-হামলা-হুমকির মধ্যে নির্বাচন ছিল রাহুগ্রস্ত। নির্বাচনটি অংশগ্রহণমূলক হলেও জনগ্রাহ্যতা ও নৈতিকতার নিক্তিতে ছিল খামতিপূর্ণ। রাষ্ট্রের অন্যতম সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশন সংবিধান- প্রদত্ত ভূমিকা পালনে অপারগ থাকেন এবং অনিয়ম-অক্ষমতা অসচ্ছতার কারণে জাতিকে একটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন উপহার দিয়েছেন; যাতে গণআস্থার পারদ নেমেছে সর্বনিম্নে।

উক্ত নির্বাচনের পূর্বাপর সরকার প্রশাসনের চাপ ও ঠেলা-ধাক্কায় বিরোধী দলগুলোর অবস্থা হয়ে উঠে ‘শ্যাম রাখি না কূল রাখি’ দশাগ্রস্ত। নির্বাচনকালে বিএনপি ছিল ‘লিডারলেস’ ও ‘রাডারলেস’। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মোড়কে বিএনপি বৈতরণী পাড়ি দিতে সরকার-প্রশাসনের বৈরিতা অতিক্রমের পথ ধরেছিলেন- যার ফলে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের চাহিদা পূরণ সম্ভবপর হয়ে উঠেছিল। কিন্তু অতি অল্প সময়ে নানান হার্ডেল অতিক্রমণে, জনমত সৃষ্টি ও গণআস্থা অর্জনে সাফল্য পায়নি বিএনপি। সর্বোপরি স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থেকে রেহাই পায়নি বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের ড. কামাল হোসেন, আ স ম রব, কাদের সিদ্দিকী, মাহমুদুর রহমান মান্না প্রমুখরা।

সরকারি দল ও জোটের একতরফা, একচেটিয়া নির্বাচনী সুযোগের সর্বোচ্চ ব্যবহার ও প্রশাসনিক ছাতার ছায়াতলে থেকে নির্বাচনী অভিযানের বিপরীতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কাফেলা ভীতি-বৈরিতা ও বাধার মুখে মুখ থুবড়ে পড়ে।

উক্ত নির্বাচনে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের একাংশ দলীয় কর্মীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে নির্বাচন ও গণতন্ত্রকে রোগাক্রান্তের পথে ঠেলে দিয়েছেন।

সরকারি দলের কেউ কেউ অভাবিতপূর্ব ও অবিশ্বাস্য এ নির্বাচনী ফলাফলকে ’৭০-এর নির্বাচনের ঐতিহাসিক গণরায়ের সমতুল্য দাবি করে কার্যত অতীত ঐতিহাসিক রক্তরঞ্জিত প্রেক্ষাপটও অর্জনকে খাটো করেছেন। এটি এক ধরনের আত্মঘাতী কাজ।

এক নজরে নির্বাচনী ফলাফল

দেশের তথ্যাভিজ্ঞ মতামতে উঠে এসেছেÑ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল শতকরা ৩০ ভাগ অথচ নির্বাচন কমিশনের ভাষ্যে দেখা গেল শতকরা ৮০ ভাগ ভোট পড়েছে। সরকারি দলের কয়েকজন পেয়েছেন শতকরা ৯৯ ভাগ ভোট। সরকারি দলের ১১০ প্রার্থী ভোট পেয়েছেন শতকরা ৯১ ভাগের উপর। অপরদিকে বিরোধী দলের ১৪৬ জন প্রার্থী পেয়েছেন মাত্র শতকরা ১০ ভাগ ভোট। ২৬০ আসনে সরকারী দলের ৩ জন ব্যতীত বাকিদের বিজয়ও বিস্ময়কর। সরকারি ও বিরোধী দলের প্রাপ্ত ভোটের রেকর্ড ব্যবধান লক্ষ্যণীয়। নির্বাচনের পূর্বে রাত্রে ব্যালট বাক্সে শতকরা ৩০-৪০ ভাগ ব্যালট পেপার ঢুকিয়ে রাখার ঘটনা সরকারি দলের সঙ্গে যুক্ত বাংলাদেশ জাসদ এবং জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকেও অভিযোগ করা হয়েছে।

দেশ-দুনিয়ার প্রতিক্রিয়া

একাদশ জাতীয় নির্বাচন উৎসব হয়ে উঠতে পরেনি। জনগণের স্বাভাবিক স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেনি। বাধা-বিঘœ অনিয়ম অস্বচ্ছতাযুক্ত এ নির্বাচন নাগরিক সমাজসহ সচেতন জনগণকে হতাশ ও উদ্বিগ্ন করেছে। সরকারি দলের অনুসারী নাগরিক সমাজের অধিকাংশ প্রচারাভিযান চালিয়েছেন এই মর্মে যে, জামায়াত-বিএনপি ঠেকাতে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-সুরক্ষায়, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনা সরকার অবশ্যই আরেকবার দরকার ইত্যাদি। পশ্চিমা বিশ্বের উল্লেখ্যযোগ্য প্রচারমাধ্যমে এ নির্বাচন নিয়ে বিস্তর সমালোচনা হয়েছে।

ভারত-চীন-রাশিয়া দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচিত সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। চীন ব্যতিক্রমী সহমর্মিতা জানিয়েছে নির্বাচিত সরকারকে এবং চীনা সরকারি প্রেসক্রিপশন তথা পথনির্দেশনা দিয়েছেন শেখ হাসিনা সরকারকে। অধিকন্তু ফলাফল ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এক কেজি ওজনের সোনার তৈরি নৌকা উপহার দিয়েছেন চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে। চীনা সরকারি অভিনন্দন বার্তায় বাংলাদেশ সরকারকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে, যাতে সোজাসাপটা চীন বলেছে ‘বহুদলীয় গণতন্ত্র ও দ্বন্দ্বাত্মক রাজনীতি ত্যাগ করুন’। তারা আরও পরামর্শ দিয়েছেন, ‘শক্তিশালী সরকার উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।’ চীন তাদের বার্তায় এই সতর্ক বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারকে এ কথা বলে যে, ‘বিরোধী দলের নির্বাচনী ফলাফল প্রত্যাখ্যানের ডাকটি ঘৃতাহুতি দিচ্ছে পশ্চিমা প্রচারমাধ্যমে; যা বাংলাদেশে মার্কিন হস্তক্ষেপের অসিলা হয়ে উঠতে পারে।’

‘যুদ্ধ শেষের প্রাপ্য চাই’

উপরোক্ত কবিতার পঙ্ক্তিটির সারকথা দেশবাসী খুঁজে পেল পুলিশ প্রশাসন সরকারি প্রশাসনের একাংশ ও নির্বাচন কমিশনের নির্বাচনোত্তর আচরণের মধ্যে।

পুলিশ জেলাপ্রধানরা প্রায় সব জেলা সদরে সাড়ম্বরে ‘বড় খানার’ আয়োজন করেন। গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য সারা দেশের রেকর্ডসংখক সাড়ে ৩শ’ পুলিশ কর্মকর্তাকে পুলিশ পদক দেয়া হয় নির্বাচনোত্তর পুলিশ সপ্তাহে । নির্বাচনে পুলিশ বাহিনী সরকারি দলের পক্ষে ভূমিকা রাখার প্রতিদান বর্ধিত বেতন ও কল্যাণ ভাতা, ঝুঁকি ভাতা, উৎসব ভাতা বৃদ্ধি দাবির পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে প্রদত্ত সরকারি সুবিধার মতো কয়েকটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং পুলিশ প্রধানকে ৪ তারকাবিশিষ্ট জেনারেলের মর্যাদা প্রদানের সোপারেশ উঠেছে।

নির্বাচনের পূর্বাপর প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দফায় দফায় বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, কল্যাণ ও উৎসব ভাতা, মহার্ঘ্য মোবাইল ফোন প্রদান এবং অবসরকালীন সময়ে উক্ত কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত কর্মচারী রাখার সুযোগ প্রদান প্রভৃতি বিশেষ সুবিধা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা কর্তব্য পালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির ও বিভাজন ঘটাতে পারে এ বিষয়ে সরকারের সতর্ক দৃষ্টি কাম্য। দেশের বিশাল বেসরকারি খাতের বৈষম্য- পীড়িত কর্মচারীদের প্রতি সরকারের দায় ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দিতে হবে এবং সরকারী বেসরকারী কর্মচারীদের আকাশ-পাতাল বৈষম্য কমাতে হবে।

নির্বাচন অনুষ্ঠানে ও ব্যবস্থাপনায় সাংবিধানিক অন্যতম সংস্থা নির্বাচন কমিশন পদে পদে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া এবং ভোটার জনগণের আস্থা অর্জনে অক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশনের শক্তিশালী ভূমিকা পালনের স্বার্থে পুর্নগঠন অতি জরুরী হয়ে উঠেছে। নির্বাচন কমিশনের নির্বাচনোত্তর পিঠা উৎসব পালন এবং প্রধান কমিশনারের বিএম ডব্লিউ গাড়ী উপঢৌকন প্রাপ্তি উক্ত কমিশনের ভাবমূর্তি বাড়ায়নি।

নির্বাচনের মধ্যে উঠে-আসা চ্যালেঞ্জ

প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের দলীয় কর্মীর মতো ব্যবহার জনপ্রশাসনকে বিতর্কিত, ক্ষতিগ্রস্থ ও বিভাজিত করে এবং নৈতিক ভাবে হানিকর বিধায় এ বিষয়ে সংবিধান সুরক্ষার চ্যালেঞ্জ নিতে হবে সরকারকে। প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত সরকার নৈতিকতার ঘাটতি পূরনের স্বার্থে যথাসম্ভব স্বল্প সময়ে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগনের আশা পূরণ করবেন এটিও বাস্তবতার দাবি।

বিতর্কিত নির্বাচন কমিশনকে পুর্নগঠন করে অবাধ-নিরপেক্ষ-সুষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠানের উপযোগী করে গড়ে তোলা সরকারের জন্য অন্যতম চ্যালেঞ্জও বটে।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা উর্দ্ধে তুলে ধরার জন্য অতিবিলম্বে হলেও স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা অতি জরুরি জাতীয় কর্তব্য, সরকারকে এই পথে দ্বিধাহীনভাবে অগ্রসর হতে হবে। অনুরূপ রাজনীতিতে, শিক্ষা ব্যবস্থা ও নারীর অধিকার ক্ষেত্রে ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহার কঠোরভাবে পরিহার করতে হবে নয়া সরকারকে।

নয়া সরকারে নতুনের প্রাধান্য প্রশংসিত হয়েছে যদিও দক্ষতা, যোগ্যতা ও গণআস্থা অর্জনে সক্ষমতা অর্জনে নিরন্তন প্রয়াস বাঞ্ছনীয়।

সরকারি দলের মধ্যে গণনিপীড়কের অবস্থান, তাদের মধ্যকার ও বাইরের সহযোগী প্রশাসনের এবং দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট কঠোরভাবে দমন ও শাস্তিদান, সরকারি দলের মধ্যে শুদ্ধি অভিযানের চ্যালেঞ্জ অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। সরকারি দলের মধ্যে উপজেলা-ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত মরণপণ বিরুদ্ধ পক্ষের উত্থান রাজনীতিতে আরেক অশনিসংকেত দেখা দেবে।

বৃহৎ ঋণখেলাপিরা জনগণের আমানত খেয়ানতকারী, তাদের লালন-পালনের দায়িত্ব ও তুষ্টিবিধান সরকারের দায়িত্ব হতে পারে না, সরকারের দায়িত্ব তাদের শাস্তির বিধান করা। ঋণখেলাপি ও অর্থ পাচারকারীদের গণদুশমন হিসেবে শাস্তিদান করা হবে সরকারের নৈতিক দায়িত্ব।

বিরোধী দলের স্বল্পসংখ্যক যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের সংসদের ভেতর ও বাইরে ভূমিকা পালনের বিকল্প নেই। জোটভুক্ত জাতীয় পার্টির বা ১৪ দলের অপরাপর দলগুলোর মধ্য থেকে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের ভূমিকা পালন হবে অনেকটা শিক্ষায়তনে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ‘যেমন খুশি সাজ’ আইটেমের মতো কৌতুক-তূল্য বিষয়।

নির্বাচনোত্তর নারী ধর্ষণ-গণধর্ষণের ঘটনাবলী বিশেষত শিশু-নারী ধর্ষণ, হত্যা-নির্যাতনের ‘মহামারী’ পরিগ্রহের আলামত, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, পাহাড় ও সমতলের আদিবাসীদের ওপর দমন-দলন-উচ্ছেদ আতঙ্ক-বন্ধে ও সমতার সমাজ প্রতিষ্ঠায় আইনের শাসন-সুশাসনের চ্যালেঞ্জ হাজির করেছে নতুন সরকারের কর্মতালিকায়।

শেষকথা ও সারকথা, যে জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগ করে আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার প্রতিষ্ঠা করে, বুকের রক্ত ঢেলে যুদ্ধ করে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা আনে তারা গণবিহীন ‘গণতন্ত্র’ ও কৃত্রিম নির্বাচনী ব্যবস্থা মেনে নিতে পারবে না। বিচার বিভাগ, জাতীয় সংসদ, নির্বাহী বিভাগ, সংবাদপত্রসহ প্রচার মাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করে নয়, গর্ব করার মতো স্বাধীন বিকাশের নিশ্চয়তা অর্জনই হবে অগ্রগতির একমাত্র পথ। জনগণের প্রকৃত ও সার্বিক ক্ষমতায়নের বিকল্প হতে পারে না।

[লেখক : সভাপতি ঐক্য ন্যাপ]