menu

আনিসুজ্জামানের আমার একাত্তর

জাফর ওয়াজেদ

  • ঢাকা , শনিবার, ২৩ মে ২০২০
image

মুক্তিযুদ্ধ সংগঠকসহ স্বাধীনতার লড়াইয়ে ছিলেন তিনি অগ্রগামীদের একজন। এপ্রিলের গোড়াতে তিনি মাতৃভূমি ছেড়ে সীমান্ত পাড়ি দেন। তারপর থেকেই শুরু হয় নিরন্তর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নানা কাজে জড়িত হওয়া। মৃত্তিকা ও মানুষের সঙ্গে যার প্রাণ মিশে আছে, সেই তিনি পুরো নয় মাস আত্মনিবেদনে ছিলেন মগ্ন। খুবই প্রতিভাবান, কিন্তু পাঁচজন মানুষের মতো স্বাভাবিক, নিরহঙ্কার, বিনয়ী, মৃদুভাষী, পণ্ডিতমনা, শিক্ষাবিদ, গবেষক, লেখক-প্রকাশক আনিসুজ্জামান, আজও বাংলার পুরোধা মানুষের অন্যনাম। তার পাণ্ডিত্যের সঙ্গে অসহিষ্ণুতা বা রুক্ষ্মতা নেই বলে তিনি সর্বজনগ্রাহ্য একজন মানব হিসেবে প্রতিভাত। বাঙালি ও বাংলাদেশ এবং বাঙালির শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি তার রক্তে মিশে আছে। চেতনায় প্রাগ্রসর এই মানবকে আজও আমাদের চেতনার বাতিঘর হিসেবে মান্য করা হয়। ডক্টর আনিসুজ্জামান আমারও শিক্ষক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় তিনি এসেছিলেন ‘এক্সটার্নাল’ হিসেবে মৌখিক পরীক্ষা নিতে। আমি তখন একাধারে ডাকসুর সাহিত্য সম্পাদক ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি। পরিচয় পেয়ে তিনি খুশি হয়েছিলেন। এরপর থেকে সম্পর্কের গভীরতা মাত্রা পায়। ১৯৭১ স্মৃতি তার সঞ্চয়ে আজও দেদীপ্যমান। ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের সময়ই তিনি উপলব্ধি করেন যে, পাকিস্তান আর টিকছে না। বাঙালির সেই স্বাধিকার আন্দোলনকে নতুন মাত্রা যারা দিয়েছেন, তিনি ছিলেন তাদেরই একজন। ১৯৭১ সালের পহেলা মার্চ স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্যায় যেদিন শুরু তিনি তখন কেবল নিজ আদলে নয়, আরও অনেক মানুষের কাছে পথপ্রদর্শক, প্রেরণা দাতায় পরিণত হন। বহু মানুষ এ সময়েই দেখতে পেয়েছেন তার সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দূরদর্শিতা। নিজে যেমন লড়াই করেছেন, তেমনি অন্যদেরও লড়াই করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন, প্রেরণা যুগিয়েছেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে যোগ দিয়েছিলেন ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ। তখন তার বয়স ৩২ বছর। কিন্তু খ্যাতি-দ্যুতিতে তার জয়গান তখন বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে অন্য স্থানেও পৌঁছে গেছে। আবু তৈয়ব মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান ১৯৭১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় দৃঢ়কণ্ঠে বলেছিলেন, বাংলাদেশ মুক্ত হবেই। বাঙালি আর পদানত থাকবে না। এই ব্রত তার জীবন ও কর্মের মধ্যেই মেলে। আর একাত্তরের পহেলা মার্চ, যখন সারা বাংলা গর্জে উঠেছিল তিনিও সেই গর্জনে সাড়া দিয়েছিলেন। তারপর ২৫ মার্চ পর্যন্ত অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে চট্টগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। অধ্যাপক আনিসুজ্জামান পহেলা মার্চই নিশ্চিত হন, পাকিস্তানের শাসকদের সঙ্গে কোন মীমাংসা সম্ভব হবে না। আর এতদিনে সারাদেশে একটিই আওয়াজ প্রকম্পিত হতে থাকে- স্বাধীনতা। ২৬ মার্চ সকালে চট্টগ্রাম শহরজুড়ে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন বলে মাইকিং হতে থাকে। এরপরই চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র হয়ে যায় স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র। ৩০ মার্চ বিমান আক্রমণের ফলে ক্যাম্পাস ত্যাগের প্রস্তুতি নেন। ১ এপ্রিল ক্যাম্পাস ত্যাগ করে রাউজানের কুন্ডেশ্বরীতে আশ্রয় নেন। সেখান থেকে রামগড়ে কয়েকদিন অবস্থানও করেন। এরপর ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাবরুমে। যে মুহূর্তে রামগড় সীমান্ত পাড়ি দিয়ে সাবরুমে পা রাখেন, দু’চোখ ভরে অশ্রু তার। স্বদেশভূমি ছেড়ে যাওয়ার বেদনা তাকে ঘিরে ধরে। ২৬ এপ্রিল তিনি আগরতলা যান। এর পরপরই ২ মে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী রামগড় দখল করে নেয়। আনিসুজ্জামান উপলব্ধি করেন, এভাবে স্বদেশ ত্যাগ করতে যে কত তীব্র যন্ত্রণাবোধ হয়, উদ্বান্তু জীবনবরণে বাধ্যতার যে কী গ্লানি চিত্তকে আচ্ছন্ন করে, ভবিষ্যত সম্পর্কে সম্পূর্ণ অনিশ্চয়তা যে কেমন পীড়ন করে, তা বুঝি কেবল নিজের অভিজ্ঞতা দিয়েই অনুভব করতে হয়।

নাৎসি জার্মানি থেকে পলাতক শরণার্থীর কথা পড়েছিলাম এরিখ রেমার্কের উপন্যাসে। রাতের অন্ধকারে ঘন কুয়াশায় হারিয়ে যাওয়া সেই সব চরিত্রের মিছিলে আমিও যোগ দিলাম। তিনি দেখতে পেলেন তার চারপাশেও মিছিল, সত্যিকার মিছিল। যানবাহন নামমাত্র, তাই হেঁটেই যাচ্ছিল অধিকাংশ মানুষ। নারী-পুরুষ, বালবৃদ্ধ নির্বিশেষে। কারও হাতে একটা ব্যাগ, কারও হাতে পোঁটলা- আজীবনের সঞ্চয় ওরই মধ্যে। এরা সব বাংলাদেশ তথা জন্মভূমি ছেড়ে যেতে বাধ্য হওয়া মানুষ। যাদের পরিচয় তখন কেবলই ‘শরণার্থী’। সেই মিছিলের ভিড়ে আঁচলের তলায় দু’হাতে সদ্যোজাত শিশুকে ধরে রাখা একটি মুখ আজও তার চোখের সামনে স্পষ্ট ভাসে। পথেই সে শিশু জন্মেছে হয়ত। লজ্জা পাচ্ছিলেন তিনি। কারণ চট্টগ্রাম থেকে তিনি তার গাড়িটি নিয়ে এসেছিলেন। অন্যরা অবশ্য চট্টগ্রামেই রেখে এসেছিল। শরণার্থীর দলের পাশ দিয়ে যেতে অস্বস্তিবোধ করেছেন। পথের দু’ধারে অল্প বয়সী ছেলেরা জয় বাংলা ধ্বনি দিয়ে সংবর্ধনা জানায়। আগরতলায় তার সঙ্গে দেখা হয়েছিল রাজনীতিক, ছাত্রনেতা, শিক্ষাবিদ, আমলাসহ নানা পেশার বাংলাদেশীদের সঙ্গে। আগরতলা শহরের বাইরে টিচার্স ট্রেনিং কলেজের একটি পরিত্যক্ত হোস্টেলে সৈয়দ আলী আহসানের পরিবার, মেজর শফিউল্লাহ ও মেজর মীর শওকত আলীর পরিবারের সঙ্গে তিনি ও তার পরিবারের থাকার ব্যবস্থা হয়েছিল। ন্যাপ নেতা অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ একদিন আনিসুজ্জামানকে জিজ্ঞাসা করেন, ডক্টর এ আর মল্লিক এবং সৈয়দ আলী আহসান এসেছেন কেন? জবাবে তিনি বলেছিলেন, যে কারণে আমরা সবাই এসেছি। ন্যাপ নেতা তাদের গভীরভাবে পাকিস্তানপন্থি বলে জানেন এবং সেজন্য তাদের ভারতে আসাটাই তিনি সংশয়ের চোখে দেখেন। আনিসুজ্জামান বলেন, এককালে তো অনেকেই পাকিস্তানপন্থি ছিলেন। অনেকের চিন্তার পরিবর্তন হয়েছে। আগরতলায় তার ছাত্র শেখ মণির সঙ্গে দেখা ও কথা হয়েছিল যুদ্ধ প্রশিক্ষণ নিয়ে। আর্থিক দুরবস্থা রাতদিন। পাকিস্তানি টাকার দাম কমছিল। একশ’ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ৪০ ভারতীয় রুপি। একজন সুহৃদ তাকে বলেছিল, এখানে এত কাঁঠাল হয় যে, খাওয়ার লোক পাওয়া যায় না। গাছেই কাঁঠাল পচে। আর ক’দিন পর কাঁঠাল পাকবে, গাছ থেকে নিলে কেউ আপত্তি করবে না। ক’দিন সবুর করো, কাঁঠাল খেয়েই বাঁচা যাবে। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী শচীন সিংহ বাংলাদেশের বিষয়ে ছিলেন সহানুভূতিসম্পন্ন এবং তৎপর ছিলেন সাহায্য-সহযোগিতায়। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর দূত হিসেবে একদিন বিখ্যাত শিক্ষাবিদ ডক্টর ত্রিগুণা সেন শরণার্থী শিবির পরিদর্শনে আসেন। সেখানে তার সঙ্গে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র সজোরে চালু করার বিষয়ে আলোচনা হয়। আগরতলা রবীন্দ্রজয়ন্তী অনুষ্ঠানেও আনিসুজ্জামান বক্তব্য রেখেছেন। আকাশবাণী সেই বক্তৃতার কিছু অংশ প্রচার করেছিল। কলকাতা থেকে চিঠি পেলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ সহায়ক সমিতির। তারা যেতে বলেছেন। গেলে বিমান ভাড়া দেবেন। আনিসুজ্জামানের গাড়িটি তখন মুক্তিযুদ্ধের কাজে ব্যবহৃত হতে থাকে। আগরতলা-সাবরুম সড়কে চলত নিয়মিত। মুক্তিযোদ্ধাদের দেশের ভেতরে পাঠানোর জন্য সীমান্ত অঞ্চলেও যেত গাড়িটি।

১৫ মে বিমানে চড়ে তিনি আগরতলা থেকে কলকাতা যান। বিমানবন্দর থেকে ট্যাক্সি নিয়ে পার্ক সার্কাস অঞ্চলে ছোট ফুফুর বাসায় ওঠেন। এই পার্ক সার্কাস স্কুলে তিনি পড়েছেন। ১৯৪৭-এর অক্টোবরে কলাকাতা ছেড়ে যান। এরপর এই শরণার্থী হয়ে আসা। কলকাতায় শুরু হলো তার শিক্ষকদের সংগঠিত করার কাজ। এরমধ্যে ডক্টর মল্লিককে সভাপতি ও জহির রায়হানকে সম্পাদক করে গঠন করা হয় বাংলাদেশ লিবারেশন কাউন্সিল অব দি ইন্টেলিজেনসিয়া। বাংলাদেশের প্রতিনিধি স্থানীয় বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে এটি গঠন হলেও বাংলাদেশ সরকার নাকি এ সংগঠনের প্রতি অপ্রসন্ন ছিল। এক সন্ধ্যায় বালিগঞ্জের এক বাড়িতে গেলেন আনিসুজ্জামান। প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের আমন্ত্রণে সেখানে যান। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের সঙ্গে সেখানে প্রথম পরিচয়। পূর্বপরিচিত ও ঘনিষ্ঠ তাজউদ্দীন তাকে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে যোগদানের আহ্বান জানান। কিন্তু ডক্টর মল্লিক শিক্ষক সমিতিতে যে আনিসুজ্জমানকে প্রয়োজন সে কথা জানান। পরে অন্য কক্ষে তাজউদ্দীন-আনিসুজ্জামান একান্তে কথা বলেন। শিক্ষক সমিতি বাংলাদেশ থেকে আসা শরণার্থী শিক্ষকদের কর্মসংস্থান, বাস্তুগত সাহায্যসহ অন্যান্য বিষয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে। ২৭ মে সকালে সৈয়দ হাসান ইমাম তার বাসায় এসে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র সেদিন থেকে যে চালু হচ্ছে, সে তথ্য জানিয়ে বেতারে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান। স্বাধীন বাংলা বেতার থেকে নজরুল জন্মদিন উপলক্ষে ১১ জ্যৈষ্ঠ কথিকা পাঠ করেন। কলকাতায় নানা রকম ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত উদ্যোগে গড়ে উঠেছিল নিত্যনতুন বেসরকারি সংগঠন, যাতে ভারতীয়রাও ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের এককালীন গভর্নর বিক্রমপুরের বংশধর সরোজিনী নাইডুর কন্যা পদ্মজা নাইডুর নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল বাংলাদেশ এইড কমিটি। মৈত্রেয়ী দেবী ও গৌরী আইয়ুব গঠন করেন সাম্প্রদায়িক মৈত্রী সমিতি এবং বাংলাদেশের দুস্থ শিশুদের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন একটি শিশুভবন। পশ্চিমবঙ্গের লেখক-শিল্পীরাও একটি সহায়ক সংস্থা গঠন করেন। এলাগন রোডে নেতাজী ভবনে স্থাপিত হয়েছিল ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিল ফর বাংলাদেশ। নেতাজী ভবনে জায়গা দেয়া হয়েছিল বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির আর্কাইভ কমিটিকে। ব্যারিস্টার আমীরুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত হয় বাংলাদেশ ভলান্টিয়ার কোর। বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক সংগ্রাম শিবির, বাংলাদেশ মুক্তিসংগ্রামী শিল্পী সংস্থাও গড়ে ওঠে। শিক্ষক সহায়ক সমিতি থেকে আনিসুজ্জামানরা প্রকাশ করেছিলেন বাংলাদেশ নিয়ে পুস্তিকা। এসব সংগঠনের কার্যক্রমও ছিল আনিসুজ্জামানের নখদর্পণে।

মুজিবনগর সরকার প্রধানের সঙ্গে আনিসুজ্জামানের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। বাংলাদেশ এবং স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে দু’জনের কথোপকথন হতো। আনিসুজ্জামান তার সবটুকু প্রকাশ করেছেন, তা নয়। শিক্ষক সমিতিকে নিয়ে এলাহাবাদে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বক্তব্য রাখেন অন্যদের সঙ্গে তিনিও। বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করতেন তারা। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণের লক্ষ্য রেখে গঠিত হয় পরিকল্পনা সেল। তিনি ছিলেন তার সদস্য। মুজিবনগর সরকারের কর্মকাণ্ড তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন। নানাজনের নানা মত এবং মতবিরোধও প্রত্যক্ষ করেছেন। একাত্তরের নভেম্বরের শেষদিকে মুক্তিবাহিনীর আক্রমণ জোরদার হতে থাকলে তিনি ও তার সতীর্থরা ধারণা করেন যে, শীঘ্রই দেশ শত্রুমুক্ত হবে। ৯ মাসের যুদ্ধকালীন সময় নিয়ে আনিসুজ্জামান লিখেছেন গ্রন্থ ‘আমার একাত্তর’। এই সময়কালে তিনি বাংলাদেশ সরকার, সংসদ সদস্য, সেনাবাহিনী, মুক্তিযোদ্ধা, আমলা, পেশাজীবীদের সান্নিধ্যে যেমন এসেছেন, তেমনি ভারতের বিভিন্ন স্তরের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও ব্যক্তিত্বের সংস্পর্শেও এসেছিলেন।

১৯৭২ সালের ৫ জানুয়ারি গাড়ি নিয়ে কলকাতা থেকে খুলনা যান। ফিরে আসেন স্বাধীন সোনার বাংলায়। পেছনে ফেলে আসেন যুদ্ধদিনের স্মৃতিগাথা। একটি বিজয়ী জাতির মুক্তির সংগ্রাম পরিচালনার ক্ষেত্রটিতে ছিলেন তিনি অনন্য।

[লেখক : মহাপরিচালক, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট]

  • কোভিড-১৯ ও অনলাইন শিক্ষা

    ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ

    বিশ্বজুড়ে এখন বড় আতঙ্কের নাম কোভিড-১৯ বা নভেল করোনাভাইরাস। আমরা এমন একটা

  • চাঁদ তুমি ফিরে যাও

    ফারুক ওয়াহিদ

    ‘চাঁদ তুমি ফিরে যাও, রুপালি আঁচল রাখবে কোথায় বলো! মুক্তিতে হাসি ফুটবে