menu

সবাই যা দেখে

প্রাথমিক শিক্ষার মান বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের ৯টি নির্দেশনা

সংবাদ :
  • আবদুল মান্নান খান
  • ঢাকা , শুক্রবার, ০৯ নভেম্বর ২০১৮

‘ভাষাজ্ঞান বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত পাঠাভ্যাস অত্যন্ত জরুরি। প্রতিদিন বাংলা ও ইংরেজি বই থেকে একটি প্যারা বা পৃষ্ঠা পঠনের জন্য বাড়ির কাজ দিতে হবে। প্রতিদিন এক পৃষ্ঠা হাতের লেখা বাড়ি থেকে লিখে আনার জন্য দিতে হবে। ক্লাসে প্রথমেই সংশ্লিষ্ট শ্রেণী শিক্ষক সব শিশুদের আবশ্যিকভাবে পঠন করাবেন। শিক্ষকরা নিজেরা শিশুদের সঙ্গে উচ্চারণ করে পাঠদান করবেন, এতে শিক্ষার্থীদের উচ্চারণ জড়তা দূর হবে এবং প্রমিত উচ্চারণ শৈলীর সৃষ্টি হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্চারণ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মনোবল বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে। বুক কর্নারের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি শব্দ পড়া, বলা ও লেখা শেখাতে হবে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের ভাষার ভা-ার বৃদ্ধি হবে এবং এতে শিশুরা বাংলা এবং ইংরেজি ভাষায় কথা বলতে ও লিখতে পারবে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন ও তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণ করবেন’Ñএই হলো প্রাথমিক শিক্ষার মান বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত ৯টি নির্দেশনা (দৈনিক সংবাদ, ১৯-১০-২০১৮)।

নির্দেশনাগুলোর সঙ্গে পত্রিকায় একথাও এসেছে যে, একাধিক শিক্ষা কর্মকর্তা এতে ক্ষোভ ও বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, যেসব নির্দেশনা জারি করা হয়েছে সেগুলোসহ সরকারের নানারকম পদক্ষেপের কারণে গত ৯ বছরে দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। প্রায় শতভাগ শিশু এখন স্কুলে আসছে। শিক্ষকরাও নিয়মিত পাঠদান করছেন। তাদের প্রশিক্ষণও দেয়া হচ্ছে। হ্যাঁ, ইতিবাচক পরিবর্তন আকাশ ছোঁয়া এতে কারো দ্বিমত থাকতে পারে না। আজ সব শিশু স্কুলমুখী এ কথা এক সময় আমরা কল্পনাও করতে পারিনি। এখন কথা উঠেছে মানসম্মত শিক্ষা কতদূর এগিয়েছেÑ অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের বেলায়। মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, বিভিন্ন বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে দেখা গেছে শিশুরা বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ে যথার্থভাবে পড়তে বলতে ও লিখতে পারে না, অথচ তারা উত্তীর্ণ হয়ে উচ্চতর শ্রেণীতে ভর্তি হয়, ভাষাজ্ঞান অপরিণতই থেকে যায়’। আমার মনে হয় ক্ষোভ ও বিরক্তির কারণ এ সত্য কথাগুলো উঠে আসাতে। কেননা বিদ্যালয় পরিদর্শনের দায়িত্ব মূলত শিক্ষা কর্মকর্তাদের। এক সময় তাদের পদবি ছিল বিদ্যালয় পরিদর্শক। এখন হয়েছে কর্মকর্তা। পদবি পরিবর্তন হলেও পরিদর্শনের কাজটা তাদেরই করতে হয়Ñ দায়িত্ব তাদেরই। এই বিদ্যালয় পরিদর্শনের জন্য প্রাথমিক শিক্ষায় রয়েছে বিরাট এক নেটওয়ার্ক। যেমন প্রতিটা থানা/উপজেলার কয়েকটা করে স্কুল নিয়ে রয়েছে একজন করে সহকারী থানা/উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (গেজেটভুক্ত মর্যাদার অধিকারী)। যেসব থানা/উপজেলায় স্কুলের সংখ্যা বেশি শিক্ষকের সংখ্যা বেশি সেখানে এ পদটির সংখ্যাও বেশি। তার ওপরে আছেন একজন থানা/উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। আছেন জেলা পর্যায়ের এবং বিভাগীয় অফিসের কর্মকর্তারা। তার ওপরে রয়েছেন অধিদফতরের কর্মকর্তারা। অধিদফতরের সহকারী পরিচালক-উপপরিচালক পর্যন্ত সব কর্মকর্তার (যদি ইদানীং কোন ব্যত্যয় না ঘটে থাকে) প্রতিমাসে ট্যুর করা প্রায় বাধ্যতামূলক। ফিল্ড থেকে অধিদফতর পর্যন্ত এদের সবাইর দায়িত্ব রয়েছে বিদ্যালয় পরিদর্শনের। শুধু তাই না শ্রেণীকক্ষে উপস্থিত থেকে পাঠদান কারিকুলাম অনুসারে সঠিকভাবে হচ্ছে কি নাÑ তা দেখা এবং কোন বিচ্যুতি পরিলক্ষিত হলে যথাস্থানে রিপোর্ট করা। শিক্ষার মূল জায়গাটি হচ্ছে শ্রেণীকক্ষ। কাজেই লেখাপড়ায় পরিবর্তন পরিবর্ধন, শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মানোন্নয়ন-না উন্নয়ন সব কিছু নির্ভর করে শ্রেণীকক্ষ ও শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থীদের সামনে নিয়ে যে মানুষটা দাঁড়িয়ে থাকে তার ওপর। অর্থাৎ যিনি পড়ান তার ওপর। নজর দিতে হবে ওই জায়গাটায়। বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় একজন শিক্ষক, যদি সরকারি স্কুলের কথাই ধরি তিনি বিএ এমএ পাস করে দারুণ একটা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পরে শ্রেণীকক্ষে পড়াতে যান। তার জন্য রয়েছে আরও কত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা। এখন তিনি যদি তার মেধা-মনন দিয়ে উপলব্ধি করতে না পারেন যে, কীভাবে পড়ালে কোমলমতি শিশুরা সহজে ধরতে পারবে পড়তে ও বলতে পারবে তাহলে অধঃপতন আর ঠেকাবে কে।

পরিদর্শনের কথা বলছিলাম। একটা কথা এখানে বলতেই হয়, শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় কিছু দুর্নীতিবাজ-সুযোগসন্ধানীরা সবসময় নোট-গাইড-কোচিং-শ্রেণীকক্ষ আড়াল করার মানসিকতা নিয়ে চলেন। তারা একটা জোট বেধে কাজ করেন। নিজেরা যা করার তা তো করেনই ওপর থেকে আসা পরিদর্শক সাহেবদের ভালোমতো খায়খাতির করে ফুটফরমায়েশি খেটে বিদায় করার তালে থাকেন। সময় নষ্ট করে দেয়ার তালে থাকেন। শ্রেণীকক্ষ থেকে দূরে রাখতে চেষ্টা করেন। ফলে অনেক ক্ষেত্রে মাননীয় পরিদর্শকদের সময় হাতে নিয়ে শ্রেণীকক্ষে অবস্থান করে দেখা আর সম্ভব হয়ে ওঠে না যে, শিক্ষক সাহেব কেমন পড়াচ্ছেন কী পড়াচ্ছেন কারিকুলামের সঙ্গে তার কতটুকু সামঞ্জস্য আছে। বুঝে বা না বুঝে শিশুদের সামনে তারা লেখাপড়াকে কঠিনভাবে উপস্থাপন করে ফেলছেন কি না। দেখা হয়ে ওঠে না নোট-গাইড কেমন ব্যবহৃত হচ্ছে শ্রেণীকক্ষে। বুঝতে পারেন না কোচিংনির্ভর হয়ে পড়ছে কি না শিক্ষার্থীরা। জানতে পারেন না বোর্ডের নির্ধারিত বইয়ের বাইরে বাড়তি কোন বই চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে কি না।

সে যা হোক পরিপত্রের ওই কথাটা আবার বলি। বলা হয়েছে ‘বিভিন্ন বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে দেখা গেছে শিশুরা বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ে যথার্থভাবে পড়তে বলতে ও লিখতে পারে না, অথচ তারা উত্তীর্ণ হয়ে উচ্চতর শ্রেণীতে ভর্তি হয়, ভাষাজ্ঞান অপরিণতই থেকে যায়’। ভালো লাগছে এ সত্যটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পর্যন্ত পৌঁছেছে এবং তা সমাধানের একটা পথ দেখিয়ে পরিপত্র জারি করা হয়েছে দেখে। এ জন্য আসুন আমরা বরং সাধুবাদ জানাই। এই পড়তে, বলতে, লিখতে পারা নিয়ে আরও কিছু কথা প্রসঙ্গক্রমে এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে। ‘মাতৃভাষার পঠনদক্ষতা : মানসম্মত শিক্ষার ভিত্তি’ শীর্ষক একটি গোলটেবিল বৈঠকের আলোচনার প্রতি একটু দৃষ্টিপাত করা যাক যেটা দৈনিক প্রথম আলোয় ২১-০১-২০১৮ তারিখে প্রকাশিত হয়। গোলটেবিলটি বসেছিল রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পত্রিকাটির কার্যালয়ে। দেশি-বিদেশি সুধী আলোচকেরা সেদিন যা বলেছিলেন সেটা এরকমÑ‘মাতৃভাষায় পঠনদক্ষতা মানবসম্পদ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। মাতৃভাষায় সাবলীলভাবে পড়তে না পারলে শিক্ষার ভিত শক্ত হয় না’। আরো বলা হয়, ‘শিশুদের পঠনদক্ষতা ১০ শতাংশ বাড়লে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে যায়’। আর এর অভাব শিশুর ভবিষ্যৎ কর্মদক্ষতার ওপর প্রভাব ফেলে। কোন শ্রেণীতে কতটুকু পঠনদক্ষতা অর্জন করলে সেটা মানসম্মত হবে সেটা ঠিক করে নেয়াও এখন জরুরি। অর্থাৎ ধরুন তৃতীয় শ্রেণীর একটা শিশু মিনিটে তার বই দেখে কতটা বাংলা শব্দ পড়তে পারল সেটা দেখা হবে এর একটা মাপকাঠি। আমি মনে করি এর জন্য শ্রেণীকক্ষে ওদের মধ্যে প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা রাখতে পারেন শ্রেণীশিক্ষক।

তাহলে এটা তো পরিষ্কার যে, শিশুদের পঠনদক্ষতা বৃদ্ধির দিকে নজর দেয়া দরকার। আর সে জন্য ওদের উচ্চারণ জড়তা দূর করার প্রয়াস চালানো দরকার যে কথা পরিপত্রে বলা হয়েছে। এখানে আমি এ বিষয়ে আরও কিছু বলতে চাই। বলতে চাই এর জন্য ভালো একটা ব্যবস্থা আমাদের ছিল আমরা জানি। তারপর একটা সময়ে কেমন করে যেন নেই হয়ে গেল। কয়েক বছর আগে এ নিয়ে বিস্তারিত লিখেছিলাম এ কলামে। লেখার শিরোনাম ছিল ‘ডাকপড়া শিশুদের জন্য একটি উপযুক্ত মাধ্যম হতে পারে’। মূলত শিশুদের উচ্চারণের জড়তা দূর করার জন্যই ছিল এ ডাকপড়া পদ্ধতি। অনেকেরই এখনও মনে থাকার কথা যারা গ্রামের প্রাইমারি স্কুলে পড়েছেন। দেশের সব এলাকায় ছিল কি না বলতে পারলাম না তবে যশোর এলাকায় ছিল। ডাকপড়ার জন্য একটা পিরিয়ডই ছিল। ডাকপড়া মানে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে উচ্চস্বরে পড়া। ব্যাপারটা কয়েক লাইনে ব্যক্ত করা কঠিন তবু একটু চেষ্টা করে দেখি। অবশ্য এ নিয়ে কেউ আগ্রহী হলে বিস্তারিত আমার লেখা ‘শিক্ষা ও আজকের শিশু’ বইখানা সংগ্রহ করে দেখে নিতে পারেন।

ডাকপড়ার কথায় আসি। শিক্ষার্থীরা সবাই লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে যাবে তা সে যতটা লাইনে হোক। লাইনগুলো সামনে নিয়ে মাঝামাঝি একটি স্থানে একজন মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যাবে ডাকপড়াতে।

ডাকপড়া ছিল অনেকটা জারি গানের মতো। যে সবার সামনে মুখোমুখি দাঁড়াবে সে উচ্চৈঃস্বরে যা বলে ছেড়ে দেবে অন্যেরা তাই বলবে সমস্বরে। এভাবে একটা ছন্দে এগিয়ে যাবে ডাকপড়া। শুরু হবে প্রত্যেকটা বর্ণের সঙ্গে ‘কার চিহ্ন’ অর্থাৎ া ি ী ু ূ ৃ ে ৈ ে া ে ৗ যোগ করে। তার সঙ্গে থাকবে ং ঃ ঁ।

যেমন Ñ কা কি কী কু কূ কৃ কে কৈ কো কৌ কং কঃ কঁ।

ক বর্ণ দিয়ে শুরু হবে ডাকপড়া এবং শেষ হবে হ বর্ণে গিয়ে। যে ডাক পড়াবে সে পড়ালেখায় ভালো হলেই হবে না তার উচ্চারণও ভালো হতে হবে। সে বলবে: ক-য় আকারে কা, সবাই বলবে ক-য় আকারে কা। সে বলবে, ক-য় হ্রস্বি কারে কিÑসবাই বলবে ক-য় হ্রস্বি কারে কি। এভাবে চলবে, ক-য় ী কারে কী, ক-য় ু কারে কু , কয় ূ কারে কূ , কয় ৃ কারে কৃ , কয় ে কারে কে, কয় ে া কারে কো, কয় ৈ কারে কৈ , কয় ে ৗ কারে কৌ, কয় ং এ কং , কয় ঃ কঃ , কয় ঁ কঁ।

একে ক-র বানানও বলা হতো। এর পরে খ-র বানান চলবে একইভাবে। তারপর গ-র বানান এবং শেষ হবে গিয়ে হ-র বানানে আগেই বলেছি।

মনে হতে পারে এভাবে পড়া বেশ সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। আসলে তা নয় পড়তে শুরু করলে সময় বেশি লাগে না। যারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নবীন যারা ছোট তারা প্রথম প্রথম শুধু লাইনে দাঁড়িয়ে শুনবে ইতি-উতি করবে পরে মুখ মিলাতে থাকবে। এর কদিন পর দেখা যাবে তারা বলতে শুরু করেছে ক-য় আকারে কা, ক-য় ি কারে কি। এখনকার পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ওদের শ্রেণীকক্ষে রেখেও এটা করা যেতে পারে। বিষয়টা ছিল ছোটদের জন্য খুব আনন্দের। এর মধ্যে একটা ছন্দও কাজ করেছে ভালো। এই ডাক পড়তে ক বর্গ থেকে ঙ, চ বর্গ থেকে ঞ এবং ট বর্গ থেকে ণ বাদ থেকেছে। আরও বাদ থেকেছে য় ৎ ড় ঢ় ক্ষ। তারপর নিয়মিত লাইনে দাঁড়িয়ে ডাকপড়ার ফলে যখন মুখের জড়তা ভেঙে গেছে তখন ওই য় ৎ ড় ঢ় ক্ষ এর উচ্চারণও রপ্ত হয়ে গেছে সহজে। ইংরেজি ও ধারাপাতেরও আছে এরকম ডাকপড়া যেমন বিএ-বে, সবাই বলবে বি এ বে। ধারাপাতের বেলায় যেমন একদশ এক এগারো-সবাই বলবে একদশ এক এগারো। বিষয়টি নিয়ে এখানে এর বেশি যাওয়া গেল না।

শেষ করব একটি আশাবাদ ব্যক্ত করে। আজকাল আমাদের কোমলমতি শিশুরা মুখে কথা ফোটার আগেই বলা যায় স্কুলে যাওয়া শুরু করেছে। তাই একেবারে ছোটরা যারা প্লে-নার্সারি-কেজি, সরকারি স্কুলের প্রি-প্রাইমারি এবং প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীতে তাদের জন্য ডাকপড়া কি শহরে কি গ্রামে ফিরিয়ে আনতে পারলে সুফল পাওয়া যাবে বলে বিশ্বাস রাখা যায়। আশা করি কর্তৃপক্ষ বিষয়টা ভেবে দেখবেন।

বি.দ্র. ‘কন্যাকুমারীতে একদিন’ ২৫-১০-২০১৮ তারিখে এ কলামে প্রকাশিত আমার লেখাটিতে আছে ‘পাথরে খোদাই করা থিরুভালুভরের সুউচ্চ মূর্তি’। আমি দুঃখিত আসলে কথাটা হবে, তামিল কবি ও দার্শনিক থিরুভালুভরের পাথরে খোদাই করা ভাস্কর্য যার উচ্চতা ১৩৩ ফুট।

  • নিউইয়র্কে নির্বাচন

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার ধারণা এখন পৃথিবীর সবচেয়ে অমানবিক জায়গা হচ্ছে এয়ারপোর্ট। যারা এয়ারপোর্টে