menu

সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ

  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০১৯
image

জন্ম : ১৫ অগাস্ট, ১৯২২, ষোলশহর, চট্টগ্রাম

মৃত্যু : ১০ অক্টোবর, ১৯৭১, প্যারিস, ফ্রান্স

সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ আধুনিক বাঙলা সাহিত্যের এক স্তম্ভপ্রতিম কথাশিল্পী। কল্লোল যুগের ধারাবাহিকতায় তার আবির্ভাব হলেও তিনি ইয়োরোপীয় আধুনিকতায় পরিশ্রুত নতুন বাংলা সাহিত্য বলয় নির্মাণ করেন। জগদীশ গুপ্ত, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখের উত্তরসূরী এই কথাসাহিত্যিক অগ্রজদের কাছ থেকে পাঠ গ্রহণ করলেও বিষয়, কাঠামো ও ভাষা-ভঙ্গিতে নতুন এক ঘরানার জন্ম দিয়েছেন।

তারা বাবা সৈয়দ আহমাদুল্লাহ ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা, মা নাসিম আরা খাতুন বনেদি পরিবারের মেয়ে ছিলেন। ওয়ালিউল্লাহর আট বছর বয়সে তার মা মারা যান। এর দুই বছর পর তার বাবা দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন টাঙ্গাইলের করটিয়ায়। বিমাতা এবং বৈমাত্রেয় দুই ভাই ও তিন বোনের সঙ্গে ওয়ালিউল্লাহর সম্পর্ক ভালো ছিল।

পারিবারিক পরিম-লের সাংস্কৃতিক আবহাওয়া সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহর মনন ও রুচিতে প্রভাব ফেলেছিল। তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের পররাষ্ট্র দফতরের সঙ্গে জড়িত থাকার সূত্রে কর্মজীবনের বড় একটা সময় তিনি বিদেশে কাটান। ১৯৫৫ সালে তিনি ফরাসি নারী অ্যান মেরীকে বিয়ে করেন। করাচিতে ১৯৫৫ সালের ৩ অক্টোবর তাদের বিয়ে হয়। ধর্মান্তরিত হয়ে তার স্ত্রী আজিজা মোসাম্মত নাসরিন নাম গ্রহণ করেন। তাদের দুই সন্তান। প্রথমে কন্যা সিমিন ওয়ালিউল্লাহ, তার পরে পুত্র ইরাজ ওয়ালিউল্লাহ।

মাত্র ৪৯ বছর বয়সে গভীর রাতে অধ্যয়নরত অবস্থায় মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের ফলে মারা যান ওয়ালিউল্লাহ। ফ্রান্সের পারী’র উপকণ্ঠে তার একটি ফ্ল্যাট ছিল, সেখানেই ঘটনাটি ঘটে। তাকে ফ্রান্সেই সমাহিত করা হয়।

লালসালু (১৯৪৯), চাঁদের অমাবস্যা (১৯৬৪), কাঁদো নদী কাঁদো (১৯৬৮) ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য রচনা।

ইন্টারনেট