menu

ক্ষুদিরাম বসু

  • ঢাকা , রবিবার, ১১ আগস্ট ২০১৯
image

জন্ম: ৩ ডিসেম্বর, ১৮৮৯, বহুভাইনি, মেদিনিপুর, পশ্চিম বঙ্গ

মৃত্যু: ১১ আগস্ট, ১৯০৮

ক্ষুদিরাম বসু উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের সর্বকনিষ্ঠ যোদ্ধা ছিলেন। তার বাবা ত্রৈলোক্যনাথ বসু নাদাজোলের স্থানীয় জমিদারের তহশীলদার ছিলেন। ক্ষুদিরামের মায়ের নাম লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবী। অল্প বয়সে মা-বাবাকে হারিয়ে বড় বোনের কাছে লালিত-পালিত হন। মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুলে পড়ার সময় সত্যেন্দ্রনাথ বসুর সান্নিধ্য লাভ করেন। ১৯০২ সালে যুগান্তর দলে যোগ দেন।

তিনি বঙ্গভঙ্গের ঘোরবিরোধী ছিলেন। বাংলা প্রদেশের এই বিভাজন তাকে আন্দোলনে আরও বেশি উদ্বুদ্ধ করে। তিনি স্বদেশী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। মেদিনীপুরের এক প্রদর্শনীতে বিপ্লবী পত্রিকা সোনার বাংলা বিলি করার সময়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে পুলিশকে মেরে পালিয়ে যান। এই অভিযোগে পরে গ্রেফতার হলেও বয়স কম বলে সরকার মামলাটি প্রত্যাহার করে নেয়। বিপ্লবীদের গোপন সংস্থায় অর্থের প্রয়োজন পড়লে মেলব্যাগ লুট করেন।

বিপ্লবী দল কলকাতার তদানীন্তন চিফ প্রেসিডেন্সী ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ডকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। এই কাজ সম্পন্ন করার দ্বায়িত্ব পরে ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকীর উপর। ১৯০৮ সালের ৩০ এপ্রিল রাত ৮ টার সময় কিংসফোর্ডের গাড়ি ভেবে মজফফরপুরের ইউরোপীয় ক্লাব থেকে ফেরা একটি গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপের ফলে দুজন ইউরোপীয় মহিলা (মিসেস কেনেডি ও তার মেয়ে) এবং তাদেও চাকর মারা যায়। পরের দিনই তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিচারে তার ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়।

মাত্র ১৯ বছর বয়সে তাকে ফাঁসি দেওয়া হয়। ফাঁসির আদেশ শুনে ক্ষুদিরাম বসু বলেন, মৃত্যুতে তার কিছুমাত্র ভয় নাই।

ইন্টারনেট