menu

সিডনির কথকতা

স্মৃতিতে একাত্তরের দিনগুলো

রণেশ মৈত্র

  • ঢাকা , বুধবার, ১৬ মে ২০১৮

কমরেড মনি সিংহের সঙ্গে আলাপের পূর্বে পশ্চিম বাংলায় অবস্থান করে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক যুদ্ধের প্রস্তুতি কাজের দায়িত্ব গ্রহণ করব- নাকি নিজেই সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে দেশে গিয়ে পাকস্তানি বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে অংশ নেব এ ব্যাপারে মনস্থির করে পার্টি নেতাদের জানালামÑ আপাতত ক্যাম্প গঠনের দায়িত্ব নিতে পারি কিন্তু যত শীঘ্রই সম্ভব ক্যাম্প পরিচালনার দায়িত্বে বিকল্প কাউকে দেয়ার কথা ভাবুন। আমি সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করব এবং সক্রিয়ভাবে যুদ্ধে অংশ নেব বলে মনস্থির করেছি।

আমার ওই কথা শুনে সিপিবির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক কমরেড বারিন দত্ত (সালাম ভাই) ডেকে বললেন, দাদা, যুদ্ধে অংশগ্রহণ তো আমরা সবাই করছি। অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করলেই শুধু মুক্তিযোদ্ধাÑ না করলে নয়- ব্যাপারটা তো তেমন নয়। ওই যোদ্ধাদের সংগঠিত করা, তাদের রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ দেয়া, তাদের পর্যবেক্ষণ করে সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণের উপযুক্ত কিনা অর্থাৎ সাহসী, দায়িত্বশীল, দেশপ্রেমিক, মানবদরদি, কষ্ট সহ্য করতে প্রকৃতই আগ্রহী এবং সামরিক গোপনীয়তা রক্ষা করবে বলে বিশ্বাস করা যায় কিনা এ বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে উপযুক্ত বিবেচিত হলে তাদের সামরিক প্রশিক্ষণে পাঠানো এবং প্রশিক্ষণ শেষে ফিরে এলে যুদ্ধের জন্যে তাদের নিরাপদে দেশের অভ্যন্তরে পাঠিয়ে দেয়ার মতো দায়িত্ব আপনার ওপর অর্পিত হয়েছে পাবনা জেলার জন্য। সুতরাং আপনি এ দায়িত্ব পালন করবেন- তাতে একজন মুক্তিযোদ্ধা নিজে হওয়ার চাইতে অনেক বেশি সার্ভিস মুক্তিযুদ্ধের জন্য দিতে পারবেন।

সালাম ভাইয়ের এ যুক্তি অকাট্য। তদুপরি পাবনা জেলার ন্যাপ-সিপিবি ছাত্র ইউনিয়নের যুবশিবির সীমান্ত এলাকার গ্রামাঞ্চলে থেকে ওই দায়িত্ব পালনের মতো তাৎক্ষণিকভাবে আর কাউকে পাওয়া না যাওয়ায় অন্তর থেকেই রাজি হয়ে দায়িত্বটি কাঁধে নিলাম।

ইতোমধ্যে পাবনা জেলা ন্যাপ সভাপতি (তদানীন্তর) কমরেড অমূল্য লাহিড়ী এসে পৌঁছালেন ঈশ্বরদীর সামছুজ্জামান সেলিম ও আরও দু’জন তরুণ ছাত্র ইউনিয়ন কর্মীসহ। এসে গেল সেলিমের ভাই নার্গিসও। পর পরই হলো শহরের ছাত্র ইউনিয়ন নেতা জাহিদ হাসান জিন্দান প্রমুখ। ক্যাম্প খোলার বিষয়ে পাবনার সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়ে জায়গা নির্ধারণের জন্য সেলিমকে দায়িত্ব দেয়া হলো। খোঁজখবর নিয়ে জানা গেল পাবনা জেলার জন্য উপযুক্ত স্থানটি হলোÑ নদীয়া জেলার করিমপুর থানা হেড কোয়ার্টার বা তার পার্শ্ববর্তী কোন গ্রাম। সেলিমরা চলে গেল করিমপুর। কিন্তু করিমপুর তো তাদের অচেনা-অজানা জায়গা। খোঁজখবর নিতে গেল ওখানকার সিপিআইয়ের এক নেতার বাসায়। তাকে বিষয়টা বললে তিনি একটি রুমের সন্ধান দিলেন। আপাতত সেটিই ভাড়া নেয়া হলো- শুরু হলো ওখানেই আমাদের যুব শিবিরের প্রাথমিক কাজ। অর্থাৎ যারা এসে পৌঁছেছে, খোঁজ করে বা খোঁজ পেলে তাদের সেখানে এনে রাখা এবং অপরদিকে একটি বড়সড় জায়গার খোঁজ করা।

অল্পদিনের মধ্যেই একটি মাঝারি ধরনের বাড়ি পাওয়া গেল। কাঁচাবাড়ি। একটি বা দুটি থাকার ঘর একটি রান্নাঘর ও জলের এবং বাথরুম ও টয়লেটের কাঁচা ছাদ চাইলের। সামনে প্রশস্ত মাঠ। তার একদিকে কৃষ্ণনগর যাওয়ার পাকা সড়ক-অপরদিকে একটি ক্ষীণকায় নদী-সম্ভবত পদ্মার কোন শাখা বা উপনদী। জল নেই বললেই চলে- কিছু কচুরি পানা বেশ লক লক করে ঢেকে রেখেছে যে, সামান্য পরিমাণ জল আছে সেটুকু।

ওটাই ভাড়া নিয়ে পাবনার ন্যাপ কমিউনিস্ট পার্টি ছাত্র ইউনিয়নের যুব শিবির বা রিক্রুটিং ক্যাম্প শুরু করা হলো। দায়িত্ব আমার ওপর বর্তালো সার্বিক পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার।

কৃষ্ণনগরগামী রাস্তার অপর পাশে বসতি। সবাই ওই এলাকায় মুসলিম। বলা যায় মুসলিম পাড়া। বেশ কয়েকটি অবস্থাপন্ন পরিবারও ওই পাড়ায় বাস করেন। আমাদের কাজের সুবিধার জন্যই পার্শ্ববর্তী/নিকটবর্তী এলাকার মানুষ বা বাসিন্দাদের সঙ্গে হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে প্রথম থেকেই সচেষ্ট হলাম। এদেশের বাসিন্দারা-যারা তৃণমূলে বাস করেন- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের তারা যাতে সমর্থক হয়ে ওঠেন সে চেষ্টা প্রথম থেকেই নেয়া হলো। দলীয় নেতৃত্বের নির্দেশও তেমনই ছিল।

ভারত সরকার কয়েক মাস পর্যন্ত ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি ছাত্র ইউনিয়ন স্থাপিত ক্যাম্পগুলোকে স্বীকৃতি না দেয়াতে আমাদের শরণার্থী কার্ড নিয়ে রেশনে সরবরাহকৃত দ্রব্যাদি এনে ক্যাম্পের সবার খাবার ব্যবস্থা করা হতো। যারাই ক্যাম্পে ভর্তি হতো তাদের প্রত্যেককেই কার্ড দেয়া হতো। যতদূর মনে পড়ে ১৫ দিন বা এক সপ্তাহ পরপর নির্দিষ্ট ডিলারের দোকানে গিয়ে রেশন (বিনামূল্যে) সংগ্রহ করে রিকশায় বা মাথায় করে ছেলেরা নিয়ে আসত। রেশনে সপ্তাহে মাথাপিছু চার কেজি চাল এছাড়া ডাল, তেল, লবণ কিছু পরিমাণ লাকড়ি প্রভৃতি দেয়া হতো। চাল অত লাগত না। তাই অবশিষ্ট চাল বিক্রি করে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনা হতো।

ধীরে ধীরে ক্যাম্পে বেশ ৩০/৪০ জন কর্মী এসে পৌঁছাল। দৈনন্দিন রুটিন তৈরি করে তাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রাতঃকৃত সম্পন্ন করে নাস্তা করেই এক-দেড় ঘণ্টার একটি রাজনৈতিক ক্লাসে সবাইকে বসতে হতো। ক্লাস নেয়ার দায়িত্ব স্বভাবতই আমার ওপরেই বর্তে ছিল। মার্কসবাদ ছিল শিক্ষণীয় বিষয় এবং তার সঙ্গে যে সব দেশ সশস্ত্র বিপ্লবের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে বা স্বাধীনতা সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে তাদের সম্পর্কিত বই-পুস্তক-পুস্তিকাই ছিল প্রধান অবলম্বন। এগুলোর মাধ্যমেই তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিত শিক্ষা যতটা সম্ভব দেয়া হতো।

ক্লাস শেষে বাজার করা। শাকসবজি, তরি-তরকারি, সম্ভব হলে মাছ ইত্যাদি কিনতে হতো। আমাদের এসব খরচ বাবদ কলকাতা পার্টি অফিসে গিয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা আনতে হতো প্রতি মাসেই। সরকারি স্বীকৃতি গোড়া থেকে পেলে এ ঝামেলা আমাদের পোহাতে হতো না।

ক্যাম্পে ত্রিপল জাতীয় জিনিস পেতে সবাই ঘুমাতাম। বালিশ ছিল ইট। বর্ষাকালে প্রবল বৃষ্টির কারণে মেঝের মাটি কাদার মতো হয়ে পড়ে। ওতেই শুয়ে ঘুমাতে হতো সবাইকে। সে এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা। এক রাত-দুই রাত তো নয়। কমপক্ষে দুই-তিন মাস এভাবেই কাটাতে হয়েছে। মাসের পুরো বর্ষকালটা।

আনন্দ হতো, মাঝে মাঝেই আমাদের সরবরাহকৃত তালিকা অনুযায়ী ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা ট্রাক নিয়ে এসে যখন কর্মীদের মাঝে মাঝে গেরিলা প্রশিক্ষণের জন্য নিয়ে যেতেন। প্রতি মাসেই কয়েকবার করে এভাবে প্রশিক্ষণে নেয়া হতো আবার প্রশিক্ষণ শেষে কখনো ভারতীয় সেনারা নিজেরাই ছেলেদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে (আমাদের কেন্দ্রীয় নেতাদের দিক-নির্দেশনা অনুযায়ী) পাঠাতো মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য আবার কখনও কখনও আমাদের ক্যাম্পেই এনে নামিয়ে দিত পূর্বাহ্নে সে খবর জানিয়ে। শীঘ্রই সশস্ত্র ওই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের পাঠানো হতো দেশের অভ্যন্তরে।

হঠাৎ একদিন খবর পেলাম আমার ঘনিষ্ঠ সহকর্মী কমিউনিস্ট পার্টির পাবনার নেতা (তখন পাবনার সদর মহকুমার ন্যাপের যুগ্ম সম্পাদক) কমরেড প্রসাদ রায় কলকাতার নিকটবর্তী এক ছোট শহরে সপরিবারে তার এক ভাইয়ের বাড়িতে আছেন। আগরপাড়ায়। ক্যাম্পটি করিমপুর, যাব প্রসাদদার সঙ্গে দেখা করতে এবং তিনি রাজা হলে তাকে সঙ্গে এনে উভয়ে মিলে ক্যাম্পটি পরিচালনা করব। একা সব দিক- যেমন ক্যাম্পে ভর্তি করা, রেশন কার্ডের ব্যবস্থা এবং থাকার ব্যবস্থা, রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলাবোধ জাগানো, অবজার্ভেশন, কাজের দায়িত্ব বণ্টন এবং তা ঠিকমত বুঝে নেয়া ইত্যাদি। এর সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে গোপন যোগাযোগ রক্ষা করা, তথ্য সংগ্রহ করা, দলীয় পত্রিকায় (নতুন বাংলার) এলাকার যুদ্ধ পরিস্থিতির খবর দেয়া প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা প্রভৃতি সম্ভব হয়ে উঠছিল না। তদুপরি দেশের ভেতর থেকে কর্মীদের বা সমর্থকদের আসার স্রোতও বেড়ে যাচ্ছিল।

যত সত্বর সম্ভব একদিন আগরপাড়ায় গিয়ে প্রসাদদার দাদার বাসার সন্ধান করে গিয়ে দেখা করলাম। প্রসাদদা তো বেজায় খুশি। সব খবরাখবর শুনলাম আমিও জানালাম। অতঃপর প্রস্তাব রাখলাম করিমপুর যুবশিবিরের যৌথ পরিচালনার দায়িত্ব নেয়ার। তিনি সম্মত হলেন। কিন্তু এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার দায়িত্ব ছিল কেন্দ্রীয় নেতাদের ওপর। তাই প্রসাদদাকে সঙ্গে নিয়ে ছুটলাম কলকাতার পার্ক সার্কাসে পার্টির প্রধান কার্যালয়ে। সেখানে সালাম ভাইকে বললাম প্রসাদদা প্রসঙ্গে এবং আমার একা করিমপুর ক্যাম্প চালানোর সমস্যার বিষয়ে।

সমস্যা ঠিকই উপলব্ধি করেন তিনি। প্রসাদদাকে দিতেও আপত্তি নাই তবে তিনি বললেন, প্রসাদদা তো কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ স্থগিত করেছেন। সেটা তো তাকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। বললাম সালাম ভাই, প্রসাদদাকে তো সঙ্গে করেই এনেছি- তিনি পাশের রুমে অপেক্ষা করছেন- ডাকব? তিনি সম্মতি দিলে প্রসাদদাকে ডেকে এনে বললাম, আলাপ করুন। সালাম ভাই কথাটি বললেন প্রসাদদাকে। প্রসাদদা পুনরুজ্জীবিত করতে রাজি হয়ে জানতে চাইলেন তাকে কি করতে হবে। সালাম ভাই জানালেন, সদস্যপদ স্থগিত করে রেখে যে ভুল তিনি করেছেন তার জন্য পার্টির কাছে দুঃখ প্রকাশ করে এখন সদস্যপদ পুনরুজ্জীবিত করতে আগ্রহ জানিয়ে, পার্টি প্রদত্ত দায়িত্ব নিতে সম্মত জানিয়ে দরখাস্তটি সম্ভব হলে এখনি আমাকে দিন।

এক কপি কাগজ টেনে নিয়ে প্রসাদদা দরখাস্তটি লিখে তখনি জমা দিলেন। সালাম ভাই বললেন আপনি রণেশ বাবুর সঙ্গে করিমপুর ক্যাম্পে যাবেন এবং দু’জনে পরামর্শ করে ক্যাম্পটি চালাবেন। পরিবারের থাকার কোন সমস্যা থাকলে সেটাও জানাবেন। প্রসাদদা বললেন পরিবার দাদার বাড়িতে আছেন- কোন সমস্যা সেদিক থেকে নেই। তবে আজ নয় আগামীকাল করিমপুর যেতে চাই সবাইকে বলে-কয়ে। আমি বললাম, ঠিক আছে প্রসাদদা- আমি তাহলে আজ কলকাতাতেই আগামীকাল সকাল সকাল দু’জন একসঙ্গেই করিমপুর যাব। অতঃপর প্রসাদদা খুশি মনে চলে গেলেন অপর পাড়া- আমি গেলাম বাড়িয়া আমার ছোট ভাইয়ের বাসায়। পরদিন যথারীতি দু’জন রওনা হয়ে দুপুরের দিকে গিয়ে করিমপুর ক্যাম্পে পৌঁছলাম।

আসলে পার্টির এ শৃঙ্খলাবোধ সবার জন্যই শিক্ষণীয়, বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে। ক্যাম্পটি মুক্তিযোদ্ধা রিক্রুট করার জন্যই তো শুধু নয়। সেখানে তাদের মনেও শৃঙ্খলাবোধ জাগিয়ে তোলা, রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ দেয়া, অপরাপর কাজের দায়িত্ব বণ্টন করা, তাদের গভীরভাবে ওয়াচ করা, তিন সপ্তাহ রাজনৈতিক প্রশিক্ষণের পর কারা সামরিক প্রশিক্ষণের উপযুক্ত তা নির্ধারণ করে তাদের তালিকা কেন্দ্রে পাঠানো প্রভৃতির জন্য। এক্ষেত্রে বহু বিষয়ে গোপনীয়তা রক্ষাও একটি বড় দায়িত্ব।

অনেকটা রিলিফ পাওয়া গেল। রাজনীতিতে কমরেড প্রসাদ রায় আমার সিনিয়র। ১৯৪৯ সালে জেলে ঢুকলেন মুক্তি পেলেন ১৯৫৩ সালে- একটানা বিনাবিচারে আটক থাকার পর। তার ভাইবোনেরা সবাই দেশভাগের পর চলে যান পশ্চিম বাংলায় কিন্তু প্রসাদদা যাননি- তিনি অটল- দেশেই থাকবেন- রাজনীতি করবেন। থাকলেন একাই। তার মা সঙ্গে ছিলেন কিন্তু প্রসাদ দা কারারুদ্ধ হওয়ার পর তার বিধাবা মা কতদিন একা থাকবেন তার মস্ত বড় বাড়িতে’ ছেলেরা এসে তাকে ভারতে নিয়ে যায়।

প্রসাদদা নিলেন রাজনৈতিক প্রশিক্ষণের দায়িত্ব।

[লেখক : সভাপতিমন্ডলীর সদস্য, ঐক্য ন্যাপ ]

E-mail:raneshmaitra@gmail.com