menu

সবাই যা দেখে

বিশ্বাসঘাতকেরা মরে না

আব্দুল মান্নান খান

  • ঢাকা , মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

চোখের চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাইয়ের শঙ্করনেত্রালয়ে গিয়েছিলাম। তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে একটা ব্যবস্থাপত্র দিয়ে বললেন, এরপর এখানে আর না এলেও চলবে। কলকাতা আপনাদের কাছে- ওখানে আমাদের হাসপাতালে (শঙ্করনেত্রালয়) এ ব্যবস্থাপত্র দেখালেই হবে। চেন্নাই যাওয়ার সে কাহিনী এ কলামে একবার লিখেছিলাম ‘কন্যাকুমারীতে একদিন’ শিরোনামে। এরপর দুই মাস অন্তর কয়েকবার আমাকে কলকাতায় যেতে হয়েছে। এবার গিয়ে মাঝে দুই দিন সময় পাওয়া গেল হাতে। দুই দিন অনেক সময়। কী করা যায়Ñ শেষে সকাল বেলা শিয়ালদা রেলস্টেশনে গিয়ে উঠে পড়লাম মুর্শিদাবাদগামী ট্রেনে। এর আগে সামান্য হলেও ভারতের কিছু জায়গায় আমার যাওয়া হয়েছে, যেমন- দিল্লি আগ্রা জয়পুর মথুরা বৃন্দাবন কন্যাকুমারী দার্জিলিং শান্তিনিতেন কলকাতা তো আছেই। মুর্শিদাবাদ যাওয়ার ইচ্ছা ছিল এবার সেটা হলো তবে কবিগুরুর কথা আমি স্মরণে রেখেছি। তিনি বলেছেন, ‘বহু দিন ধরে বহু ক্রোশ দূরে/বহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরে/দেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা/দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু/দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া/ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া/একটি ধানের শীষের উপরে একটি শিশির বিন্দু।’ আমি সেটা করিনি। ধানের গায়ে ঝুলে থাকা একটি শিশির বিন্দু আমি দেখেছি। আগে নিজের দেশটাকে দেখেছি। সেটা কেবল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে চাকরি করার সুবাদে হয়েছে তা বলা যাবে না। চাকরির শুরুতে সিলেটে থেকে এসেছি। জাফলং হাওর-বাঁওড় চা বাগান ঘুরেছি। পরে দীর্ঘ সময় অধিদফতরে থাকতে গিয়েছি নানা জায়গায়। অফিস আমাকে পাঠিয়েছে কক্সবাজার আমি মহেশখালী না ঘুরে ফিরিনি। দিনাজপুর গেছি রামসাগর না দেখে ফিরিনি। খাগড়াছড়ি গেছি আলুটিলা গুহায় মশাল হাতে ঢুকে দেখে তারপর ফিরেছি। এভাবেই হয়েছে নিজের দেশটাকে ঘুরে দেখা। তবে চাকরির সুবাদে হয়েছে দেশের বাইরে কিছু দেখার। যেমন চীনদেশে ১৫ দিনের একটা শিক্ষা সফরে গিয়েছিলাম। দেখেছি বেইজিংভিত্তিক দর্শনীয় জায়গাগুলো যেমন গ্রেট ওয়াল, সামার প্যালেস, ফরবিডেন সিটি, টেম্পল অব হেভেন, তিয়েনআনমেন স্কয়ার। এছাড়াও দেখা হয়েছে সে দেশের সাংহাই ও গানসু প্রদেশের দর্শনীয় নানা কিছু। আর যে জন্যে যাওয়াÑ সে দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা কেমন দেখে এসেছিলাম তা অনেক বার লিখেছি। সাপ্তাহিক রোববারে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিতও হয়েছিল। কোন কাজ হয়নি। আমাদের টিম লিডার একটা কথা বলেছিলেন মনে রাখার মতো। তথ্য সংগ্রহে আমাকে একটু বেশি তৎপর হতে দেখে বলেছিলেন, ফিরে গিয়ে একটা রিপোর্ট তো করবই তার জন্য অমুক নোট রাখছেন আপনি কেন ব্যস্ত হচ্ছেন। তারপর বলেছিলেন, শোনেন মান্নান সাহেব, ফিরে গিয়ে যে রিপোর্টটি করব তা কোনদিন কেউ উল্টিয়েও দেখবে না। ফিরে যেতে না যেতেই হয়তো দেখা যাবে আমাকে অন্য মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে আবার প্রকল্প হবে আবার টিম আসবে।’ আমি মনে করি আসলে সে সফর কোন কাজেই আসেনি। আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা ৮ বছর মেয়াদের হতে হতে হলো না। ওদেশে ৯ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সবার জন্য বাধ্যতামূলক। নয় বছরের শেষে এসে ওরা প্রথম পাবলিক পরীক্ষা নেয়। তাও পরীক্ষাটা নিয়ন্ত্রণ করে এরিয়া অফিস। আমাদের দেশজুড়ে পঞ্চম শ্রেণীর পাবলিক পরীক্ষাটাও উঠে যায় যায় করেও গেল না। ওদের প্রাথমিক শিক্ষা পুরোপুরি সরকারের হাতে। তিন বছরের কিন্ডারগার্টেন পুরোপুরি বেসরকারি। সেখানে তিন বছর পড়ে এসেও কেউ প্রথম শেণীতে ভর্তি হতে পারে আবার ১-২ বছর বা মোটে না পড়ে এসেও ভর্তি হতে পারে। কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোতে শিশুরা কেবল নাচ গান ছবি আঁকা গল্প বলা শেখে। যাকÑ ‘ধান ভানতে শীবের গীত’ আর না গাইলাম।

পাঁচ ঘণ্টার মতো লাগল মুর্শিদাবাদ পৌঁছতে। একই তো বাংলা প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যে তেমন আর কি পার্থক্য হবে। কৃষ্ণনগর স্টেশনে পৌঁছে মনে পড়ল রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ও গোপাল ভাঁড়ের কথা। ইদানীং ভারতের একটা টিভি চ্যানেলে বেশ জমেছে ‘গোপাল ভাড়’ অ্যানিশেন সিরিয়ালটি। সেই কৃষ্ণনগর ছেড়ে গেলাম এ পর্যন্ত কোন ইটের ভাটা চোখে পড়ল না। চোখে পড়ল না ট্রেনলাইনের পাশে কোন বাস লাইন। চোখে পড়ল প্রায় জনবসতিহীন বিস্তীর্ণ ভূমি অনেকটা যেমন গোপাল ভাঁড়ে দেখায়। দেখলাম গাছপালায় সমৃদ্ধ যতদূর চোখ যায়। পলাশী রেলস্টেশনে প্রথম চোখে পড়ল এর ইংরেজি বানানটি যেটা এরকম ঢ়ষধংংবু। মানে ইংরেজরা যেভাবে রেখে গেছে সেভাবেই রয়েছে। এখান থেকে অদূরেই সেই পলাশীর প্রান্তর যেখানে ১৭৫৭ সালে যুদ্ধ হয় যেটা ঐতিহাসিক পলাশীর যুদ্ধ বলে খ্যাত। সেই যুদ্ধে মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় নবাববাহিনী পরাজিত হয়। যুদ্ধে জয় নিশ্চিত এমন সময় নবাবের নিকট আত্মীয় সিপাহসালার মীরজাফর বিশ্বাসঘাকতা করে যুদ্ধ থামিয়ে দেয়। এখান থেকেই শুরু হয় নতুন করে গোটা ভারবর্ষের ইতিহাসের এক অধ্যায়। এখানে এখন রয়েছে নবাব সিরাজের একটি আবক্ষ ভাস্কর্য ও একটি স্তম্ভ।

তারপর কাশিমবাজার স্টেশন। এখানেই কাশিমবাজার কুঠি। এখানেই রবার্ট ক্লাইভ মীরজাফরের সঙ্গে ষড়যন্ত্রে মেতেছিল। যুদ্ধে ইংরেজদের স্বার্থ দেখলে ইংরেজরা মীরজাফরকে নবাব বানাবেÑ‘ঠুমি নবাব হইবে হামরা কেবল বাণিজ্য করিবে’ সেই আর কী।

প্রচন্ড গরম। আগস্ট মাস। মুর্শিদাবাদ যাওয়ার একেবাইে সময় এটা নয়। স্টেশনে নেমে একটা অটো করে যাকে ওরা টটো বলে নামলাম গিয়ে ‘হাজারদুয়ারী প্রাসাদ’ ও বড় ইমামবাড়ার নিকটবর্তী একটা হেটেলের সামনে। হোটেলে ঢুকে শরীরটা একটু ঝেড়ে-মুছে বেরিয়ে পড়লাম। গেলাম হাজারদুয়ারী প্রাসাদের সামনে। বিশাল চত্বর যত্নের ছাপ আছে চারদিকে। টিকিট করে আমরা ওই প্রাসাদে ঢুকলাম। আমরা মানে আমার মেয়ে-জামাই আর আমি। তিনতলা সুরম্য প্রাসাদ। সিড়ি বেয়ে উঠার শুরুতে রয়েছে দুদিকে দুটো সিংহমূর্তি। বলা আছে ১৮২৯-৩৭ পর্যন্ত সময়ে এই প্রাসাদটি নির্মিত হয়। সুসজ্জিত গোলাকার কক্ষটি দরবার কক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। প্রশস্থ কক্ষগুলো অফিস সংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত হতো। ঘুবে ঘুরে ঐতিহাসিক সব নিদর্শনগুলো যেমন তৈলচিত্র আলোকচিত্র অঙ্কিতচিত্র রৌপ্য নির্মিত সিংহাসন হাতির দাঁতের নির্মিত পালকি শ্বেত পাথরের ভাস্কর্য বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রশস্ত্র পোশাক পরিচ্ছদ অলংকার এরকম আরও কত কী দেখা হলো। ওই চত্বরে রয়েছে বিশাল এক কামান ১৮ ফুট দৈর্ঘ্য যার। এটা নাকি আলীবর্দী খাঁ কলকাতা থেকে মুর্শিদাবাদ নিয়ে আসেন। হাজারদুয়ারী প্রাসাদের প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে মুখোমুখি রয়েছে আরেকটি ভবন ইমামবাড়া। । ইমামবাড়ার ভেতরে কী আছে দেখা হলো না। ভবনটি পুরো ধবধবে সাদা। এতখানি দীর্ঘ দ্বিতল ভবন আমি এর আগে আর দেখিনি। বলা আছে ধর্মীয় কাজ সম্পাদন করা হতো এখানে। এটা নির্মিত হয় ১৮৪৭ সালে। লোকে বলে এখানে ইমামরা থাকতেন। এত ইমাম কিসের ইমাম কোথাকার ইমাম জানার সুযোগ হলো না।

এখান থেকে বেরিয়ে ভাগিরথীর তীরে পৌঁছে উঠলাম এক ইঞ্জিনচালিত বোটে। স্র্রোতের ভাটিতে বিশ মিনিট লাগল ‘খোশবাগ’ ঘাটে পৌঁছতে। নৌকা থেকে নেমে একটা রিকসা ভ্যানে করে গিয়ে নামলাম খোশবাগের গেটে। বলা আছে খোশবাগ হলো মুর্শিদাবাদের শেষ নবাবের সমাধিক্ষেত্র। তিনদিকে উঁচু প্রাচীরে ঘেরা। সমাধিক্ষেত্রটির মাঝখানে সমতল ছাদযুক্ত চৌক সৌধটির মধ্যে নবাব আলীবর্দী খাঁ (১৭৪০-১৭৫৬) ও তার প্রপৌত্র সিরাজ-উদ-দৌলার (১৭৫৬-১৭৫৭) সমাধি আছে। এখানে একটি মসজিদ ও নবাব পরিবারের অনেক মহিলার সমাধি আছে।’ আমরা যখন গেটে পৌছলাম তখন দর্শনার্থীদের জন্য নির্ধারিত সময় শেষ। তবু ওই সময় দায়িত্বে থাকা ভদ্রলোক আমাদের প্রতি সদয় হয়ে ভেতরে নিলেন। বেশ যতেœর ছাপ আছে সবকিছুতে। বেশ পরিপাটি করা বাগান। ঢুকেই ডান হাতে খোলা জায়গায় রয়েছে ১৭টা কবর। ভদ্রলোক বললেন এই ১৭টা কবর হলো নবাব সিরাজের আত্মীয়স্বজনদের। নবাব যখন ধরা পড়ে প্রাসাদবন্দী তখন তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, এখন তিনি কী চান। নবাব বলেন, আমার আত্মীয়স্বজনদের দেখতে চাই। তখন এই ১৭জনকে ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে আনা হয় কিন্তু সিরাজের সঙ্গে কথা হওয়ার পরে তাদের কাউকে আর জীবিত রাখা হয়নি। সিরাজ হয়তো ভেবেছিলেন তারা ফিরে গিয়ে কিছু একটা পথ বের করতে পারবেন। এক জায়গায় তিনটা কবরের একটাকে দেখিয়ে বললেন, এটা হলো সেই মাঝির কবর, যে মাঝি দশ হাজার স্বর্ণমুদ্রার লোভে সিরাজকে ধরিয়ে দিয়েছিল। নবাব যখন সাধারণ বেশে গোপনে মুর্শিদাবাদ ত্যাগ করছিলেন ভাগিরথী দিয়ে নৌকায়, তখন মাঝি নবাবের জুতা দেখে চিনতে পারে এবং ধরিয়ে দেয়। এর আগে নবাবকে যে ধরিয়ে দিতে পারবে তাকে দশ হাজার স্বর্ণমুদ্রা দেয়া হবে বলে ঘোষণা দেয় ক্লাইভ গং। পরে সেই মাঝিকে হত্যা করা হয় তার দুই ছেলেকেও হত্যা করা হয়। হত্যাকারীরা মনে করে এদের আর বিশ্বাস করা যায় না। এ কবরগুলো সব ছাদযুক্ত চৌক সৌধটির বাইরে খোলা জায়গায়।

ভেতরে যে কবরটা একটু উঁচু বলা হলো এটা আলীবর্দী খাঁর কবর। সিরাজের কবরের পাশে রয়েছে তার মা-খালা আমিনা বেগম ও ঘষেটি বেগনের কবর। এ ইতিহাসের অন্যতম প্রধান ষড়যন্ত্রকারী সেই ঘষেটি বেগম। দেখলাম কারও কবরে কোন নামফলক নেই কেবল সিরাজের কবরে আছে অস্পষ্ট একটা নামফলক। কেন নেই তার কোন উত্তর ওই ভদ্রলোকের জানা নেই। তিনি যা বলে গেলেন তাই শুনে এলাম। নবাবের পায়ের দিকে তার বেগমের কবর দেখালেন। তারপর বেগমের পাশের কবরটা দেখিয়ে বললেন এটা আলেয়ার কবর। কথাটা শুনে একটু ফিরে দাঁড়ালাম। মনে পড়ে গেল ওই গানের কলিটি, ‘পথহারা পাখি কেঁদে ফিরি একা’। নবাব সিরাজউদ্দৌলা সিনেমার কথা যাদের মনে আছে তারা নিশ্চয় মনে করতে পারবেন আলেয়ার মুখে এ গানের দৃশ্যটি। মনে হলো মোহনলালের এরকম একটা কিছু দেখতে পেলে ভালো লাগত।

এটা ছিল নবাবদের বাগানবাড়ি। নবাব নাকি এখানেই থাকতেন। ক্ষয়ে যাওয়া একটা খুব বয়স্ক আমগাছ দেখলাম ওই চত্বরে। মনে মনে ভাবলাম এমন কি হতে পারে গাছটা তখন একটা চারা ছিল। কিন্তু তা আর হয় কী করে।

নৌকা অপেক্ষা করছিল। ভাগিরথী সেদিনও এমন করেই বয়ে যাচ্ছিল আজ যেমন যাচ্ছে। মাঝে গড়িয়ে গেছে আড়াইশ’ পৌনে তিনশ’ বছর। নবাবকে ঠিক কোথায় হত্যা করা হয়েছিল তা নিয়ে স্থানীয় লোকমুখে পার্থক্য রয়েছে। জানতে চাইলে বহু পুরাতন জরাজীর্ণ একতলা একটা বাড়ির সামনে আমাদের নিয়ে যাওয়া হলো যেখান থেকে মীরজাফরের কবর কাছে। কিন্তু অন্য দু’একজন বললেন, নবাবকে নদীর ওপার ওই খোশবাগেই হত্যা করা হয়।

গেলাম মীরজাফরের কবর দেখতে। মাথা হেঁট হয়ে গেল জুতা খুলে ঢুকতে হবে লেখা আছে দেখে। সন্ধ্যা রাতেও সে কবরস্থান জমজমাট। টিকিট কেটে ঢুকতে হলো। যদি গেটটা ছোট হতো তবে মাথা নিচু করেই ঢুকতে হতো। মীরজাফরের কবরে আগরবাতি মোমবাতি শিয়রের কাছে কারুকার্যখচিত কুলঙ্গিতে জ্বলছে। মীরজাফরের গোষ্ঠীর সবার কবর এখানে। নেই মীরজাফরের পুত্র মীরনের কবর। বিশ্বাসঘাতক মীরজাফরের পুত্র মীরন মরেছিল বজ্রপাতের আঘাতে মুর্শিদাবাদের বাইরে কোথাও। কয়েকজন বয়সে ছোট-বড় নারী-পুরুষ দেখা গেল অন্যদের সঙ্গে কথা বলছে। কী যেন বোঝাতে চাইছে। আমার মেয়ে গিয়ে ওদের পাশে দাঁড়াল আমি একটু দূরে। তার মধ্যে একজন পরিচয় দিচ্ছে ‘আমি মীরজাফরের নাতি। আমার দাদার দাদা ছিল মীরজাফরের নাতি; সেই সুবাদে আমিও মীরজাফরের নাতি। আমরাই তথা মীরজাফরই ছিলেন প্রকৃত নবাব। এ নিয়ে আমরা একটা বই প্রকাশ করেছি আপনারা পড়লে প্রকৃত ঘটনা জানতে পারবেন।’

এরপর ফিরে এলাম এরকম একটা উপলব্ধি নিয়ে যে, বিশ্বাসঘাতকেরা মরে না।