menu

বাংলাদেশে পর্যটন শিল্পের বিপুল সম্ভাবনা

সংবাদ :
  • নিতাই চন্দ্র রায়
  • ঢাকা , বুধবার, ০৯ অক্টোবর ২০১৯

প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী ২৭ সেপ্টেম্বর পালিত হয়ে আসছে বিশ্ব পর্যটন দিবস। ১৯৮০ সাল থেকে জাতিসংঘের অধীনে বিশ্ব পর্যটন সংস্থার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সকল সদস্য দেশে দিবসটি গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়ে আসছে। দিবসটির প্রধান উদ্দেশ্য হলো- আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও পর্যটন কেন্দ্রের সঙ্গে সেতুবন্ধন গড়ে তোলা এবং পর্যটনের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক উপযোগীতাকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেয়া।

পর্যটন, আবাসন, ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ ও অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থান খাতের অবদান নিয়ে ২০১৬ সালে চারটি জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএ)। প্রতিবেদন অনুসারে, দেশে পর্যটন শিল্পের মাধ্যমে যে মূল্য সংযোজন হয় তার আকার মোট দেশজ আয়ের (জিডিপি) সোয়া ৬ শতাংশ। টাকার অংকে যার পরিমাণ ১৬ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ পর্যটনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হোটেল, রেস্তোরাঁ ব্যবসা, পরিবহনসহ বিনোদন খাত থেকে এ মূল্য সংযোজন হয়। এ ছাড়া জিডিপিতে শুধু পর্যটন খাতের অবদান ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ। এ খাতে কর্মসংস্থান হয় ৮ লাখ ১৬ হাজার মানুষের, যা দেশের মোট কর্মসংস্থানের ১ দশমিক ৪১ শতাংশ।

পর্যটন শিল্প তার বহুমাত্রিক বৈশিষ্ট্যের জন্য অনেক দেশে শীর্ষ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক লীলাভূমি। দেশটিতে রয়েছে পর্যটন শিল্পের এক অপার সম্ভাবনা। এদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অপরিমেয় সৌন্দর্য। দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটি প্রাকৃতিক, ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও নৃতাত্ত্বাতিক সব সম্পদেই সমৃদ্ধ। এ কারণে যুগ যুগ ধরে বিদেশি পর্যটকদের কাছে চির সবুজ, পাহাড়-পর্বত ঘেরা, নদীমাতৃক বাংলাদেশ এক স্বপ্নের দেশ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এ কারণেই এদেশ ভ্রমণে ছুটে এসেছেন সুদূর মরক্কো থেকে বিশ্ব বিখ্যাত পরিব্রাজক ইবনে বতুতা । ছুটে এসেছেন মার্কো পোলোর মতো পর্যটক।

পর্যটকদের আকৃষ্ট করার মতো এদেশে রয়েছে প্রাচীন সভ্যতার বহু নিদর্শন এবং নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য প্রাকৃতিক, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক স্থান সমূহের মধ্যে রয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ সমুদ্র বন্দর কক্সবাজার, সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন এবং রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসভূমি সুন্দরবন, বাাগেরহাটের ঐতিহাসিক খাঁ গম্বুজ মসজিদ, বগুড়ার মহাস্থান গড়, নওগাঁর পাহাড়পুর, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত, সেন্টমার্টিন দ্বীপ, নিঝুম দ্বীপ, কাপ্তাই লেক, ফয়েজ লেক, বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক, শিশু পার্ক, মিরপুর চিড়িয়া খানা, জাতীয় যাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি যাদুঘর, জাতীয় সংসদ ভবন, চিম্বুক পাহাড়, গাড়ো পাহাড়, ময়নামতি বৌদ্ধ বিহার, শিলাইদহের রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি, লালন শাহের মাজার এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবানসহ অনেক স্থান। ঢাকার লালবাগের কেল্লা, আহসান মঞ্জিল, ঐতিহাসিক সোনারগাঁ, সিলেটের শাহ জালালের দরগা, দিনাজপুরের কান্তজীর মন্দিরের মতো অনেক ধর্মীয় ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।

প্রাচীন কাল থেকেই বিভিন্ন দেশের জ্ঞানী-গুনী পর্যটক এদেশে এসেছেন এবং এদেশের রূপ-সৌন্দর্য় দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। প্রতি বছরই বাংলাদেশে সৌন্দর্য় পিপাসু পর্যটকদের সংখ্যা বাড়ছে। দেশে পর্যটন শিল্পের অপরিমেয় সম্ভবনা থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন কারণে অন্য দেশের মতো বাংলাদেশে পর্যটন শিল্প পূর্ণ বিকাশ লাভ করতে পারেনি। অথচ দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে, বেকার সমস্যা সমাধানে এবং দারিদ্র্য বিমোচনে পর্যটন শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশ্বব্যাপী পর্যটন শিল্পের দ্রুত বিকাশ ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনুধাবন করে দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সরকার গ্রহণ করেছে এক মহাপরিকল্পনা। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে পর্যটন শিল্প অন্যতম প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাতে পরিণত হবে। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সরকার ২০১১ সাল পর্যন্ত সারা দেশে খুঁজে পাওয়া ২৭টি পর্যটন কেন্দ্রকে অত্যাধুনিক ও আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে তিন ধাপে প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ গ্রহণ করে। এসব কেন্দ্রে দেখাশোনা ও সংস্কারের দায়িত্ব পালন করবে পর্যটন মন্ত্রণালয় ও পর্যটন কর্পোরেশন। ২০২১ সাল নাগাদ পর্যটনকে পূণাঙ্গ রূপ দেয়ার খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে ওই মহাপরিকল্পনায়। বাংলাদেশের ২৭টি আকর্ষণীয় স্থানকে দেশি-বিদেশি পর্যটক বান্ধব করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে এসব স্থানের প্রয়োজনীয় উন্নয়ন শুরু করার কথা রয়েছে। পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের আকর্ষণীয় স্থান মাধবকু-, রাতারগুল, মাধবপুর লেক, বিছানাকান্দি, রানী ভবানী, পানাম নগর, ময়নামতি, নীলাচল, মেঘনা অবকাশ কেন্দ্র, বগুড়ার মহাস্থানগড়, পাহাড়পুর, কক্সবাজার, সুসং দুর্গাপুর, বিজয়পুর, কুয়াকাটা, ষাট গম্বুজ, সুন্দরবনের কটকা, করমজাল, হালুয়াঘাট, সীতাকু-, টেকনাফ, ফৌজদারহাট সি-বিচ, টেকের ঘাট, শ্রীমঙ্গল ও বারেকের টিলাসহ ২৭টি পর্যটন এলাকার ভূমি উন্নয়ন করা হবে। এসব দর্শনীয় এলাকায় ভবন ও নানা দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি বৃদ্ধি করা হবে স্যানিটেশন ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থার। সূত্র জানায়, উন্নয়ন হবে তিন ধাপে। প্রথম ধাপে থাকছে অবকাঠামো উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক মানের বিনোদন ব্যবস্থা ও নিরাপদ ব্যবস্থার নিশ্চিতকরণ। দ্বিতীয় ধাপে থাকছে পর্যটকদের সুবিধার জন্য এয়ারলাইনস বাস, শিপিং, হোটেল, রেস্তোরাঁ, ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ট্যুর অপারেটর সুবিধা নিশ্চিতকরণ। তৃতীয় ধাপে থাকছে ট্রাভেল এজেন্ট, কার রেন্টাল ফার্ম, ক্যাটারার, হস্তশিল্প ও কৃষিপণ্য বিক্রির বিকাশ ঘটানোর বিষয়। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড এসব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

প্রতি বছর বিশ্ব পর্যটন সংস্থা (ইউএনডব্লিউটিও) পর্যটকদের সংখ্যার ভিত্তিতে সর্বাধিক ভ্রমণকারী দেশের তালিকা তৈরি করে। বিশ্ব পর্যটন সংস্থার মতে, ২০১৮ সালে ১০টি শীর্ষ পর্যটকদের দেশ হলো- ফ্রান্স, স্পেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ইতালি, মেক্সিকো, যুক্তরাজ্য, তুরস্ক, জার্মানি ও থাইল্যান্ড। ওই সময়ে ফ্রান্সে ৮৬.৯ স্পেনে ৮১.৮, যুক্তরাষ্ট্রে ৭৬.৯, চীনে ৬০.৭, ইতালিতে ৫৮.৩, মেক্সিকোতে ৩৯.৩, যুক্তরাজ্যে ৩৭.৭, তুরস্কে ৩৭.৬, জার্মানিতে ৩৭.৫ ও থাইল্যান্ডে ৩৫.৪ মিলিয়ন পর্যটক ভ্রমণ করে।

পৃথিবীর অনেক দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস হচ্ছে পর্যটন খাত। বিশ্ব পর্যটন সংস্থার মতে, ২০১৭ সালে বিশ্বব্যাপী পর্যটকদের সংখ্যা শতকরা ৭ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন ও ফ্রান্স বিদেশি পর্যটকদের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। ২০১৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৭৭ মিলিয়ন বিদেশি পর্যটকদের কাছ থেকে ২১১ বিলিয়ন ডলার আয় করে। স্পেন ওই একই সময়ে ৮২ মিলিয়ন বিদেশি পর্যটকদের কাছ থেকে আয় করে ৬৮ বিলিয়ন ডলার এবং ফ্রান্স ৮৭ মিলিযন বিদেশি পর্যটকদের কাছ থেকে আয় করে ৬১ বিলিয়ন ডলার। সে তুলনায় বাংলাদেশে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা এবং পর্যটন খাত থেকে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ অত্যন্ত কম। বাংলাদেশ ২০১৭ সালে পর্যটন শিল্প থেকে আয় করে মাত্র ৩৪৪ মিলিয়ন ইউএস ডলার, ২০১৬ সালে যার পরিমাণ ছিল ২১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ পর্যটন খাত থেকে আয় করে মাত্র ২৫ মিলিয়ন ডলার। ২০১৫ সালে দেশে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৪৩ হাজার ৯৪ জন এবং ২০১৬ সালে বাংলাদেশে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৮ লাখ ৩০ হাজার ৬৮ জন। দেশে শিক্ষার হার ও মাথাপিছু বার্ষিক আয় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে অভ্যন্তরীণ পর্যটকের সংখ্যা। ২০১৭ সালে ৭০ লাখ দেশীয় পর্যটক দেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমণ করে। দেশীয় পর্যটকদের কাছ থেকে ২০১৭ সালে আনুমানিক আয় হয় ৫ হাজার কোটি টাকা, যা গত ১০ বছর আগেও ছিল মাত্র ৫০০ কোটি টাকা।

১৯৯৯ সালে বিশ্বে পর্যটন খাতকে শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। এরপর দীর্ঘ ২০ বছর অতিবাহিত হলেও প্রতিবেশী দেশ ভারত, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপের মতো আমরা এ পর্যটন খাতের উন্নয়ন ঘটাতে পারেনি। আমরা তাদের তুলনায় অনেক পিছিয়ে আছি। বাংলাদেশের পর্যটন খাতে পিছিয়ে থাকার প্রধান কারণগুলো হলো- এক. পর্যটন সমৃদ্ধ এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নের অভাব; দুই. পর্যটন খাতে অপর্যাপ্ত বিনিয়োগ; তিন. দক্ষ মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার অভাব; চার. পর্যটন সম্পর্কে জনসচেতনতার অভাব, প্রচারণা ও প্রসারের অভাব; পাঁচ. শিক্ষা ও গবেষণার অভাব।

বর্তমানে বিশ্বব্যাপী পর্যটকের সংখ্যা ১১০ কোটিরও বেশি। ২০২০ সালে এসংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১৬০ কোটিতে। এই বিপুলসংখ্যক পর্যটকদের প্রায় ৭৩ শতাংশ ভ্রমণ করবেন এশিয়ার দেশগুলোতে। সে হিসেবে বাংলাদেশেও ভবিষ্যতে পর্যটকের সংখ্যা ও বৈদেশি মুদ্রা অর্জন বৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে পর্যটন খাতের উন্নয়নে গ্রহণ করতে হবে নানা পদক্ষেপ। পদক্ষেপগুলো হলো- ১. পর্যটন সমৃদ্ধ অঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়ন; ২. সকল ক্ষেত্রে পর্যটকদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা; ৩. পর্যটন এলাকায় পর্যটন পুলিশ কেন্দ্র স্থাপন; ৪. বিমানবন্দর ও নৌবন্দর স্থাপন ও উন্নয়ন; ৫. পর্যটন স্পটে পর্যটকদের জন্য বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলা; ৫. পর্যটন মেলার আয়োজন; ৬. বিদেশি পর্যটকদের জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক গাইডের ব্যবস্থা করা; ৭. বিদেশে বাংলাদেশের ট্যুরিজম প্রমোশনে রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারের উদ্যোগী ভূমিকা পালন; ৮. পাঠ্যপুস্তকে পর্যটন বিষয়ে কোর্সগুলো অন্তর্ভুক্তকরণ; ৯. ওয়েবসাইটে প্রচারণা; ১০. পর্যটন বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ; ১১. টুরিস্ট জেনারেটিং দেশে পর্যটন অফিস স্থাপন; ১২. পর্যটন এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, গ্যাস ও টেলিফোন ব্যবস্থা; ১৩. পর্যটন এলাকা বা তার আশপাশে সরকারি উদ্যোগে প্রয়োজনীয় সংখ্যক থ্রি-স্টার/ফাইভ-স্টার হোটেল নির্মাণ করা ইত্যাদি।

এসব ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ পর্যটন খাত থেকে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে সক্ষম হবে এবং দেশের অর্থনীতি হবে মজবুত ও টেকসই।

[লেখক : সাবেক মহাব্যস্থাপক (কৃষি), নর্থবেঙ্গল সুগার মিলস্ লি., গোপালপুর , নাটোর]

netairoy18@yahoo.com

  • জুবিলী : বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন

    আজ ৫ অক্টোবর, ২০১৯ ‘বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন’-এর সুবর্ণ জুবিলী। ৫০ বছর পূর্তির অনুষ্ঠান উৎসব সমাজের মধ্যে সাজ সাজ রব ও আনন্দের উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। খ্রিস্টিয়ান পরিচালিত অফিসগুলোতে, চায়ের টেবিলে

  • ডিজিটাল যুগে ডাক বিভাগ হয়ে পড়ছে গুরুত্বহীন

    newsimage

    খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ সালে পায়রা বা কবুতরের মাধ্যমে চিঠি প্রদান করা হতো। রোম এবং প্রাচীন গ্রীসে এ প্রক্রিয়াটি ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। দ্বাদশ শতকে সিরিয়া এবং পারস্যে প্রথম এক শহর থেকে আরেক শহরে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে