menu

স্মরণ

বহুমাত্রিক অবয়বে আরজ আলী মাতুব্বর

শাহ আজিজ খোকন

  • ঢাকা , শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০১৯
image

জ্ঞানকে জ্ঞান থেকে বিশ্লিষ্ট করা দুরূহ। আরজ আলী মাতুব্বরকে জ্ঞান-শিক্ষা-যুক্তি-দর্শন থেকে বিশ্লিষ্ট করা যায়নি। এমনকি মৃত্যুর পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত সত্য সন্ধানী এই দার্শনিক বস্তুবাদী চিন্তাধারায় প্রাগ্রসরমান। জ্ঞানে-চিন্তায় অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন এবং যুক্তিতে উত্তরাধুনিক। গ্রামীণ কৃষিজমিতে লাঙ্গলের কঠিন ফলার কশাঘাতে কর্ষণের অভিজ্ঞান থেকে তার জ্ঞানানুসন্ধান। তার কর্মক্ষেত্রের পারিসরিক বিন্যাস ক্ষুদ্র পরিসংখ্যানিক অবয়বে আবদ্ধ করা যায় বটে! কিন্তু তার বস্তুবাদী কর্মজ্ঞান কালোত্তীর্ণ। জিজ্ঞাসু দৃষ্টিভঙ্গি তাকে শিক্ষার পথ দেখিয়েছে। পথই আবার তাকে নতুন পথের সন্ধান দিয়েছে। ধৈর্য তাকে ক্লান্ত করতে পারেনি। বিষয়বস্তুকে উপভোগ করেছেন। কৃষক, গায়েন, রাজমিস্ত্রী, কাঠমিস্ত্রী, কবি, ভাবুক, দার্শনিক, জনপ্রতিনিধি, জমি জরিপকারীসহ বহুমাত্রিক প্রতিভাধর আরজ আলীকে কর্মজ্ঞানে শিক্ষিত করেছে। মানুষকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দেয় সনদপত্র, আর মাঠের কাজ, ঘাটের কাজ অশিক্ষিতকেও শিক্ষা দেয় বাস্তব শিক্ষা। এ কর্মগুলো আরজ আলীকে স্বশিক্ষিত করে তুলেছে। মায়ের মৃত্যু তার ধর্ম-জিজ্ঞাসার আরেকটি ক্ষেত্র। ধর্মের সত্যানুসন্ধানে ব্রতী হন আরজ আলী মায়ের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে। ধর্ম সত্য না মানুষ সত্য, ধর্মের অপ্রয়োজনীয় খোলস ধর্মকে কিভাবে অক্টোপাসের মতো আড়ষ্ট করে রেখেছে, তা তিনি উন্মোচন করতে সচেষ্ট হন। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ লালসালুর উক্তি- ‘ধর্মের চেয়ে আগাছা বেশি, শস্যের চেয়ে টুপি বেশি।’ আরজ আলী বলেনÑ ‘অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কারকে আমি ঘৃণা করি, আদর করি মানবতার।’ আরজ আলী মাতুব্বর একজন সমাজ সংস্কারক এবং দার্শনিক। তিনি পুরুষশাসিত সমাজব্যবস্থায় বেড়ে উঠলেও নারীদের প্রতি ছিলেন শ্রদ্ধাশীল, তাই নিজের স্ত্রীকেও অনাহুত কষ্ট দিতেন না। লাইব্রেরিতে উৎসুক দর্শনার্থীর আগমন ঘটলে কিংবা অন্যকোন শুভাকাক্সক্ষীর আগমন ঘটলে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করতেন নিজ হাতে। তার লাইব্রেরিতে চায়ের এন্তেজাম ছিল। তিনি এতটাই সদালাপি ছিলেন যে, শিশুরা তাকে ঘিরে থাকত। অনেকে তার জ্ঞানের প্রসার দেখে ভয়ে কাছে আসতে সাহস পেত না। তিনি জমি জরিপ করতেন নির্ভুলভাবে, ন্যয়-নীতির সঙ্গে, তাই তার কদর ছিল সর্বত্র। অন্যের জমি আত্মসাৎ করার বিন্দুমাত্র চিন্তা করতেন না কিংবা কখনও করেননি। শ্রম আর শ্রম তার জীবনব্রত। তিনি বাবুর্চির কাজ করতেন। অত্যন্ত সুস্বাদু রান্না তাঁর অথচ নিজে ভূরিভোজ পছন্দ করতেন না, পরিমিত আহার করতেন। মাংসভুক ছিলেন না, তিনি ছিলেন নিরামিষভোজী। বিয়েবাড়ির রান্না সাজ-সজ্জায় তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। এ সকল অনুষ্ঠানে কাজের বিনিময় নিতেন না। মনের আনন্দে করতেন এবং উপভোগ করতেন। ১৯৩০ সালের দিকে তৎকালীন চরবাড়ীয়া ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আলী খানের বড় মেয়ে শিরিন বেগমের সঙ্গে একই ইউনিয়নের আবদুল জব্বার মিয়ার বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্টের কাছারি বাড়িতে সাত দিন ধরে সাজ-সজ্জার কাজ করেন। বন্যায় সাজ-সজ্জা নষ্ট হলে পুনরায় ধৈর্যের সঙ্গে সাজ-সজ্জার কাজ করে বেশ সুনাম কুড়িয়ে ছিলেন। আরজ আলী কবিয়াল গানের বয়াতি (গায়েন) ছিলেন। দোহারদের সঙ্গে নিয়ে গ্রামে গ্রামে গান গেয়ে বেড়াতেন। বেশ জমাতে পারতেন গানের আসর। বিয়েবাড়িতেও গানের আসর জমাতেন তিন-চার দিন পর্যন্ত। পুঁথিগানের সহজ-সরল বানান পাঠে তার বই পড়ার দক্ষতা সৃষ্টি হয়। আনন্দ, আগ্রহে পুঁথি কিংবা কবিয়াল গান শিখতে শিখতে তিনি গায়েন এবং শিক্ষিত হন। বিয়ের অনুষ্ঠানের মধ্যেই পরিচিতি হন অধ্যাপক কাজী গোলাম কাদিরের সঙ্গে। বয়সে ছেলে সমতুল্য, আলীগড় থেকে পড়াশোনা করেছেন। বেশ সুপ-িত, রাশভারি লোক। দর্শনে অগাধ প-িত। বরিশাল ব্রজমোহন কলেজে দর্শন বিভাগে যোগদান করেছেন। বিয়েবাড়ির কাজের ফাঁকে দু’জনার জ্ঞানের আড্ডা। আরজ আলীর জ্ঞানের সমঝদার। দেশি-বিদেশি বই, উপযুক্ত রেফারেন্স বই, তথ্য-তত্ত্বের আধার হয়ে উঠলেন অধ্যাপক গোলাম কাদির সাহেব। প্রকৃতপক্ষে, জ্ঞানী লোক জ্ঞানকে খুঁজে নেয় যথার্থ সময় সুযোগে। ওই যে বলছিলাম ঘটনার মধ্য দিয়ে, কাজের মধ্য দিয়ে আরজ আলী শিক্ষা গ্রহণ করেন। গোলাম কাদির সাহেবের মাধ্যমে প্রফেসর সামসুল হক, সামসুদ্দিন আহম্মদের সান্নিধ্য পান আরজ আলী মাতুব্বর। আরজ আলী নিজের কাজ নিজে করতেন। অন্যের সাহায্য নিলেও নিজে উক্ত কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতেন। নিজের ঘরের আসবাবপত্র, ঘরের মেরামতের ছোটখাটো কাজ সবকিছুই তিনি জানতেন। এ সব কাজের ছোটখাটো যন্ত্রপাতিও ছিল তার সংগ্রহে। মূলত পয়সা সাশ্রয় ছিল তার নিজের কাজের অনুপ্রবেশের কারণ।

আরজ আলী মাতুব্বর রাজমিস্ত্রীর কাজও জানতেন। নিজ হাতে প্রতিষ্ঠিত আরজ মঞ্জিল পাবলিক লাইব্রেরি নির্মাণে রাজের সঙ্গে জোগানদার হিসেবে কাজ করেছেন। সমাধি নির্মাণের সময় রাজ পালিয়ে গেলে নিজেই রাজের কাজ করেছেন। তিনি বলতেন আমার মতো সবাই যদি নিজ নিজ কাজগুলো নিজেরা করত তাহলে গোটা জাতি দ্রুত স্বাবলম্বী হতে পারত। আমার দেখাদেখি অন্যরাও নিজ নিজ কাজ নিজেরা করুক। পূর্বেই উল্লেখ করেছিলাম আরজ আলীর জীবনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন, বড় ধাক্কা তার মায়ের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে। মায়ের শবদেহ উঠানে পড়ে আছে। মুর্দার ছবি তোলার অপরাধে গ্রামের মুসল্লিরা মাইয়াতের জানাজা দাফন কাফন না দিয়েই সবাই চলে যায়। অবশেষে আরজ আলী মাতুব্বর তার দু’একজন বন্ধুর মতান্তরে হিন্দু বন্ধুর সহায়তায় মায়ের লাশ মাটিচাপা দেন। এ মর্মান্তিক ঘটনায় আরজ আলী দারুণভাবে মর্মাহত এবং দ্রোহী হন। ধর্মের কুসংস্কার, ধর্মের অতিকথন বাদ দিয়ে ধর্মের আসল সত্য আবিস্কার করার নিমিত্ত বিভিন্ন ধরনের বই পুস্তক অধ্যয়ন করতে শুরু করেন। নিজগ্রাম লামচরি থেকে বরিশাল শহরে চৌদ্দ মাইল পায়ে হেঁটে যাতায়াত করে পাবলিক লাইব্রেরিতে আসতেন প্রায় নিয়মিত। ধর্ম-দর্শন-বিজ্ঞান কোনটাই বাদ রইলো না আরজ আলীর। তিনি নিজেকে প্রশ্ন করতে শুরু করলেন। জীবন কী? ঈশ্বর এবং আত্মা কী এক? ঈশ্বরের নৈর্ব্যত্তিকতা কী? ন্যায়বিচারক কিভাবে ক্ষমাশীল? সৃষ্টি কী স্বাধীন না পরাধীন? ঈশ্বরও নিরাকার আত্মাও নিরাকার। নিরাকারের আকার কী? এক নেকী সমান কতটুকু পরিমাণ? কিংবা নেকীর একক কী? সময়ের সৃষ্টি কোন সময়? স্থানকে কোন স্থানে বসে সৃষ্টি করা হয়েছে? কালকে কোন কালে সৃষ্টি? পরমেশ্বরকে কোন পরমেশ্বর সৃষ্টি করেছেন? ধর্ম আগে না মানুষ আগে? ইত্যাদি নানান প্রশ্নের উদ্রেক ঘটিয়েছেন তিনি। তিনি সরাসরি কোন প্রশ্নের উত্তর দেননি। শুধু তার যুক্তির সপক্ষে বিষয়ের বর্ণনা বিধৃত করেছেন। তৎকালীন মুসল্লিরা আরজ আলীর বিরুদ্ধে এন্তার অভিযোগ করেন, আরজ আলী কমিউনিস্ট, নাস্তিক। সমাজকে ভুল বুঝিয়ে সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। এমনকি তার ওপর শারীরিক নির্যাতন পর্যন্ত করেন মোল্লারা। আরজ আলী প্রতিহিংসাপরায়ন ছিলেন না। তিনি বুঝাতেন এরা কত মুর্খ! তাদের দর্শনে কোন যুক্তি নেই। তাই তারা এতে ক্ষিপ্ত, ক্ষুব্ধ। প্রথাবিরোধী আরজ আলী বই লিখতে গিয়ে পদে পদে বাধার সম্মুখীন হন। প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিদের আরজ আলীর বিরুদ্ধে খ্যাপিয়ে তুলেন। তৎকালীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাওলানা এফ করিম রোষবসে আরজ আলীকে গ্রেফতার করেন। আরজ আলীর দশটি প্রশ্নের উত্তর দিতে অক্ষম হয়ে তিনি এ কা- করেন। পরবর্তীতে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে আরজ আলী জেল থেকে মুক্ত হন। কিন্তু তাকে খত দিতে হয়, তিনি আর ধর্মের বিরুদ্ধে লিখতে পারবেন না। মধ্যযুগীয় পঞ্চদশ শতকের ব্রাহ্মণ্য প্রথাকে যেন হার মানল আরজ আলীর বেলায়। ব্রাহ্মণদের অত্যাচার জুলুম শোষণের বিরুদ্ধে কলম ধরেছিল কাহ্নপা। ব্রাহ্মণরাজ ক্রদ্ধ হয়ে তার হাত দুটো কর্তন করে দিয়েছিল। কিন্তু তারপরও কাহ্নপার লেখা বন্ধ হয়নি। কারণ তারা কাহ্নপার মাথার মগজ খুলে নিতে পারেনি। মানুষ এভাবেই যুগে যুগে বলি হয়েছে সমাজের ধর্মান্ধতার কাছে। কিন্তু সময়ের প্রয়োজনে সত্যকে চেপে রাখা যায়নি। সত্য প্রকাশ পেয়েছে কালে কালে।

সেই পৃথিবী ঘুরছে। সেই সূর্য সৌরজগতের মধ্যস্থানে অবস্থান করছে। পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরছে। অথচ এ সত্যদর্শন উপস্থাপনকারী সক্রেটিসকে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের কাছে প্রাণ দিতে হয়েছে। সক্রেটিস মানব সম্প্রদায়ের কাছে সত্য উদ্ঘাটনের জন্য নিজেকে সুবিধাবাদের কাছে, মিথ্যার কাছে মাথানত করেননি। তিনি স্থির থাকলেন তার সত্য দর্শনের মতবাদের কাছে। তিনি নিজেই হেমলক বিষপান করলেন তবুও আত্মসমর্পণ করলেন না। অথচ আজ প্রায় আড়াই হাজার বছর পরে মিথ্যাশ্রয়ী খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী গোষ্ঠী সক্রেটিসের দর্শন সত্য বলে মেনে নিয়েছেন। সক্রেটিসের বিচার করা ভুল ছিল। সেই ভুলের জন্য তারা ক্ষমা চেয়েছেন। কিন্তু ক্ষমা চাইলেই কি আমরা সক্রেটিসকে ফিরে পাব? ব্রুনোকে ফিরে পাব? ফিরে পাব গ্যালিলিওকে? আরজ আলীকে মারা হয়নি, হয়ত আজ অবধি বেঁচে থাকলে ধর্মান্ধরা কি করত বলা মুশকিল। তারা বিজ্ঞান-দর্শন বুঝতে চায় না। সমাজে নিজেদের চিন্তা-চেতনা চাপিয়ে দিতে চায়। কিন্তু মানুষ ধর্মের সত্য জানতে চায়, বুঝতে চায়, নানাবিধ প্রশ্ন করে। জ্ঞান-বিজ্ঞানের অগ্রসর হওয়ায় মানুষের মন সন্ধিগ্ধ হয়। ধর্মে কি প্রশ্নের জবাব নেই? অবশ্যই আছে, আর সেই সত্যটিই মানুষ আগ্রহ ভরে জানতে চায়। ধর্মের অপব্যাখ্যা, অতিকথন, কুসংস্কার ধর্মেরই ক্ষতি করে। আরজ আলী মাতুব্বর অন্তত তাই বলতে চেয়েছেন। ধর্ম হোক মানব মুক্তির পাথেয়। আর মানবকল্যাণ হোক সব মানবের ধর্ম। সব ধর্মই মানব কল্যাণ, মানব মুক্তির পথ-নির্দেশক। আরজ আলী মাতুব্বরের জীবনচরিতের প্রতিটি স্তরে মানুষের মঙ্গলের নৈতিকতার ইঙ্গিত রয়েছে। মানব কল্যাণের জন্যই তিনি বই লিখেছেন। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত কিংবা পরিচিত করার নিমিত্ত বই লিখেননি। তার লেখা আঠারোটি পা-লিপি দেশে-বিদেশে প্রকাশিত হয়েছে। আমেরিকা, লন্ডনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তার লেখা প্রকাশিত হয়েছে। পাঠক সমাবেশ কর্তৃক প্রকাশিত আরজ আলী মাতুব্বরের লেখা ‘ঞযব য়ঁবংঃ ভড়ৎ ঃৎঁঃয’ বইটি আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতি পেয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার লেখা প্রবন্ধ পাঠ্য করা হয়েছে। এ কৃষক দার্শনিক মানবকল্যাণে নিজ দেহ বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দান করেন। মরণোত্তর চক্ষু দান করেন আই ব্যাংকে এবং শিক্ষা বিস্তারের জন্য নিজ গ্রাম লামচরিতে তৈরি করেন আরজ মঞ্জিল পাবলিক লাইব্রেরি। প্রায় প্রতিদিন দেশি-বিদেশি বহু দর্শনার্র্থী এখানে ভিড় জমান তাদের জ্ঞানের পরিধি বিস্তারের লক্ষ্যে। এ মহান স্বশিক্ষিত দার্শনিকের জন্ম বরিশাল সদর উপজেলার ৩নং চরবাড়িয়া ইউনিয়নের লামচরি গ্রামে। জন্ম ৩ পৌষ ১৩০৭ বঙ্গাব্দ, মোতাবেক ১৭ ডিসেম্বর ১৯০০ খ্রিস্টাব্দ। মৃত্যু ১ চৈত্র ১৩৯২ বঙ্গাব্দ, মোতাবেক ১৫ মার্চ ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দ। এই বিখ্যাত স্বশিক্ষিত দার্শনিকের ৩৩তম মহাপ্রয়াণে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

[লেখক : কলেজ শিক্ষক, সংস্কৃতি কর্মী ও সাবেক সভাপতি, দার্শনিক আরজ মঞ্জিল পাবলিক লাইব্রেরি]

  • স্মরণ

    বহুমাত্রিক অবয়বে আরজ আলী মাতুব্বর

    শাহ আজিজ খোকন

    জ্ঞানকে জ্ঞান থেকে বিশ্লিষ্ট করা দুরূহ। আরজ আলী মাতুব্বরকে জ্ঞান-শিক্ষা-যুক্তি-দর্শন থেকে

  • নারীদের সাংগঠনিক করে তুলতে হবে

    সাঈদ চৌধুরী

    নারীদের সক্ষমতা আমাদের দেশে আশানুরূপ হারে বাড়ছে। কর্মক্ষেত্রে বিচরণ, শিক্ষা অর্জন, উদ্যোক্তা

  • জন্ম শতবর্ষ

    মধুর ক্যান্টিনের মধু দা

    গোলাম আশরাফ খান উজ্জ্বল

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন। বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতিকদের কাছে একটি অতি পরিচিত নাম। মধুর ক্যান্টিনের নাম হয় মধুদার নামানুসারে। মধুর ক্যান্টিনের