menu

জুবিলী : বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন

সংবাদ :
  • মিথুশিলাক মুরমু
  • ঢাকা , বুধবার, ০৯ অক্টোবর ২০১৯

আজ ৫ অক্টোবর, ২০১৯ ‘বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন’-এর সুবর্ণ জুবিলী। ৫০ বছর পূর্তির অনুষ্ঠান উৎসব সমাজের মধ্যে সাজ সাজ রব ও আনন্দের উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। খ্রিস্টিয়ান পরিচালিত অফিসগুলোতে, চায়ের টেবিলে সর্বত্রই আলোচনা-সমালোচনা এবং করণীয় বিষয়গুলো শ্রবণ করে স্বাদ নিচ্ছি। ইতোমধ্যেই আমন্ত্রিত কার্ডে লক্ষ্য করেছি মাননীয় অতিথিদের তালিকা। ঢাকার তেজগাঁওস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। উদ্বোধন করবেন ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশের আর্চবিশপ মহামান্য কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি. রোজারিও। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে রয়েছেন- মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এমপি, মাননীয় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আবদুল্লাহ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এমপি, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকী এমপি, যুব ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মি. জুয়েল আরেং এমপি; আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট গ্লোরিয়া ঝর্না সরকার এমপি, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের অন্যতম সভাপতি মি. হিউবার্ট গোমেজ ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত। আরও রয়েছেন- জাতীয় চার্চ পরিষদের সভাপতি মি. জয়ন্ত অধিকারী, ন্যাশনাল খ্রিস্টিয়ান ফেলোসিপ অব বাংলাদেশ (এনসিএফবি)’র সভাপতি বিশপ এলবার্ট প্রত্যর্পণ মৃধা, চার্চ অফ বাংলাদেশের ডেপুটি মডারেটর বিশপ সৌরভ ফলিয়াসহ অনেকে। প্রার্থনা ও বিশ্বাস করি, ৫০ বছরের ফেলে আসা দিনগুলো থেকে সংগঠনটি শিক্ষা নেবে, উৎসাহিত এবং সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস ও শক্তি খুঁজে নেবে।

আজ থেকে অর্ধশত বছর পূর্বে ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দের ১৬ জুলাই রোপিত বীজ থেকে ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দের ৩ মার্চে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন’-এর যাত্রা শুরু করে। জুলাই মাসের এ দিনে তেজগাঁও গির্জাসংলগ্ন স্কুলে সংগঠন গঠন সংক্রান্ত প্রথম সভা আহ্বান করা হয়েছিল। আলোচনায় উদ্বুদ্ধ হয়েই উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ৬ আগস্ট পুনর্বার মিলিত হন হলিক্রশ কলেজ প্রাঙ্গণে। উপস্থিত খ্রিস্টিয় ব্যক্তিবর্গ উপলব্ধি করেছিলেন, আর দেরি নয় সামনে আমাদের অনেক দূর এগুতে হবে; তৈরি করলেন একটি অস্থায়ী কমিটি। সর্বসম্মতিক্রমে নামকরণ করা হলো- ‘খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন অব ইস্ট পাকিস্তান’, অবশ্য এ নামটি বেশি দিন ব্যবহার করতে হয়নি; আমরা পেলাম স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। এবার স্বাধীন বাংলাদেশের আলো-বাতাসের সঙ্গে সম্মিলিত হয়েই নামকরণ করা হলো- বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএ)। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেছিলেন প্রয়াত পিটার রডিক্স, সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত টি.ডি. রোজারিও এবং কোষাধ্যক্ষ প্রয়াত ডানিয়েল কোড়াইয়া।

সুবর্ণ জুবিলী উপলক্ষে এ দিন সকালে রয়েছে তেজগাঁও হলি রোজারি চার্চ-এ বিশেষ খ্রিস্টযাগ বা প্রার্থনানুষ্ঠান এবং পরবর্তীকালে স্বর্গীয় নেতৃবৃন্দদের কবরে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলি; রয়েছে অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠানস্থলে পাঁচ দশকের জন্য ৫টি বৃক্ষ রোপণ এবং আনন্দ র‌্যালি। বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক এবং প্রতিবেশীর সঙ্গে সহবস্থানে আমাদেরকে উৎসাহিত করে চলেছে। বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন আন্তঃমা-লীক সংগঠন। ধর্মতাত্ত্বিক চেতনা, ধর্মীয় অনুশাসন অনুসরণ করেই ঐক্য স্থাপন একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। অ্যাসোসিয়েশনের বন্ধুরপূর্ণ পথচলায় নির্ভিকচিত্তে যারা হাল ধরেছিলেন এবং বর্তমানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন আপনাদের প্রতি প্রণাম্য। উত্তসূরীদের কাছে খ্রিস্টীয় আদর্শ ও সাক্ষ্যের প্রত্যাশা করি। রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘কৈসরের যাহা যাহা কৈসরকে দেও ...’ এবং ‘ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার’ নীতিকে অনুসরণ করতে সর্বদা উজ্জীবীত করেছে।

জন্মলগ্ন থেকেই অ্যাসোসিয়েশনকে বহুধা পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হয়েছে, সেটি হোক অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক কিংবা সাংস্কৃতিকভাবে। গতিসম্পন্ন না হলেও একেবারে গতিহীন ছিল না, কারণ তৎকালীন সরকার পাক-ভারত যুদ্ধকালীন (১৯৬৪-৬৫) ময়মনসিংহ এলাকার আদিবাসী খ্রিস্টিয়ানদের দেশত্যাগে বাধ্য করেছিলেন। ঢাকার আর্চবিশপ লরেন্স এল গ্রেণার প্রতিবাদ করলে তাকেও দেশত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। এরূপ পরিস্থিতিতে সংগঠনের পথচলা সহজসাধ্য ছিল না। সংগঠনটি সরব না হলেও নীরবে লবিং করে নিজেদের প্রাপ্তি প্রত্যাশার বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উপস্থিত করেছেন। বর্তমানেও সংগঠনটি মাইক্রোসকপিক মাইনোরিটি খ্রিস্টিয়ান সম্প্রদায়ের প্রাণের কথা, দুঃখ-বেদনা, আশা-আকাঙ্খা, স্বপ্ন-বাস্তবতা, অন্যায়-অত্যাচার কিংবা সরকারের সদ্বিচ্ছার প্রতিটি পদক্ষেপেই সমর্থন দিয়ে ন্যায্যতা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনার লক্ষ্যে অবিশ্রান্তভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন খ্রিষ্টিয়ান সমাজের অভ্যন্তরেই থেমে থাকেনি; কার্যসূচির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সমগ্র বাংলাদেশে। দেশের চর্তুপ্রান্তে আজ অর্ধশতাধিক শাখা সংগঠন রয়েছে; দেশের গণ্ডিকে ছাড়িয়ে গঠিত হয়েছে বিদেশের মাটিতেও শাখা-প্রশাখা। দেশের কাছে প্রাপ্তির চেয়ে প্রদান করতে দু’হাত উজাড় করে কার্য্যেদ্যেগ গ্রহণ করে চলেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগঠনে স্বতঃস্ফূর্ত বিশেষ বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। শিক্ষা বিস্তার, স্বাস্থ্যসেবা, কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন আন্দোলন, রেমিট্যান্স আনয়ন এই খাতগুলিতে খ্রিস্টিয়ান সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার দৃষ্টান্ত খ্রিস্ট সম্প্রদায়ই দিয়ে চলেছে; কখনোই দেশের প্রতি তাদের বেইমানি বা চক্রান্তে লিপ্তের ঘটনা ঘটেনি। জন্ম-মৃত্যুর আঁকর ভূমি হিসেবেই বেছে নিয়েছেন মাতৃভূমিকে। আমার দেশের মাননীয় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অ্যাসোসিয়েশনের মুখপত্র ‘পথিকৃত’-এ এক বাণীতে বলেছিলেন, ‘...খ্রিস্টান সম্প্রদায় এ দেশের উন্নয়ন ও কল্যাণে উল্লেখযোগ্যভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমি তাদের কাজের প্রশংসা করি। বাংলাদেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ অত্যন্ত শান্তি প্রিয়। সেবা ও ত্যাগের মানসিকতায় তারা বেড়ে উঠেছে। তারা জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বিশেষত: শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা ও উন্নয়ন খাতে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয় (বর্ষ ৪৬, সংখ্যা-১)। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণীও খ্রিস্ট সম্প্রদায়কে স্বীকৃতি দিয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘...এখানে রয়েছে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের নিজস্ব ধর্ম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা। আমি আশা করি, বড়দিন দেশের খ্রিস্টান ও অন্যান্য সম্প্রদায়েল মধ্যকার বিরাজমান সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতিকে আরও সুদৃঢ় করবে। ’

বাংলাদেশে খ্রিস্টিয়ানিটির বয়স ৫০০ বছরের অধিক। বাংলার ভূখন্ডে ১৫১৮ খ্রিস্টাব্দে জলপথে চট্টগ্রামে প্রথম পর্তুগিজ ক্যাথলিক বণিকদের আগমণ ঘটে। ১৫৩৫ খ্রিষ্টাব্দে শাসক মহম্মদ শাহ তাদের সামরিক পৃষ্ঠপোষকতার জন্য চট্টগ্রামের সপ্তগ্রামে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বসতি স্থাপনের অনুমতি দেন এবং ১৫৩৭ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রামের ব্যাণ্ডেল ও দিয়াঙে পর্তুগিজ ক্যাথলিক বণিকদের বসতি স্থাপন করে। অপরদিকে প্রটেস্ট্যান্ট মিশনারি ড. উইলিয়াম কেরী কর্তৃক দিনাজপুরের সাদামহলে বাংলার ভূখণ্ডের প্রথম ব্যাপ্টিস্ট ও প্রটেস্ট্যান্ট চার্চ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কয়েক’শ বছরের ইতিহাসে স্বীকার্য যে, চার্চ কিংবা খ্রিস্টিয়ানগণ শান্তিপূর্ণভাবে এবং স্বাধীনভাবেই নিজ নিজ ধর্ম, অনুশাসন ও রীতিনীতি পরিপালন করতে সমর্থ হয়েছে। অতঃপরও বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন ১০ দফা দাবিকে সামনে রেখে এগিয়ে চলেছে; দাবিগুলো অগ্রসরমান পাঠকদের অবগতির জন্য পুনর্বার উত্থিত হলো-

ইস্টার সানডেতে সরকারি ছুটি দিতে হবে;

মন্ত্রিপরিষদে সব সময় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে একজনকে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে;

বিটিভি, বাংলাদেশ বেতারসহ অন্যান্য গণমাধ্যমে বড়দিন ও ইস্টার সানডেতে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান সম্প্রচার করতে হবে, বঙ্গভবনসহ রাজধানীতে সাজসজ্জা করতে হবে;

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সচিবালয়, সামরিক ও পুলিশ বাহিনীসহ বিচার বিভাগে খ্রিস্টান ছাত্র-যুবকদের চাকরি দিতে হবে;

রাষ্ট্র পরিচালনায় ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের অংশগ্রহণ ও অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে হবে;

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য ৫টি আসন থাকতে হবে;

মৌল চেতনায় ’৭২-এর সংবিধানে ফিরে যেতে হবে, অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার সব কার্যকর উদ্যোগ ও নীতি গ্রহণ করতে হবে;

সরকারি স্কুল যেখানে খ্রিস্টান ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশোনা করছে, সেখানে তাদের ধর্মশিক্ষার জন্য খ্রিস্টান ধর্মশিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে;

সম্পত্তি হস্তান্তরে মুসলিম সম্প্রদায়ের ‘হেবা’ দলিলের ন্যায় খ্রিস্টানসহ অন্যান্য সম্প্রদায়ের দানপত্র দলিলের রেজিস্ট্রেশন ফি অবিলম্বে নির্ধারণ করতে হবে;

অবিলম্বে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ আইন সংসদে পাশ করে খ্রিস্টান ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের মূল মালিক অথবা তাদের উত্তরাধিকারদের অথবা সহ উত্তরাধিকারীদের নিকট ফেরত দিতে হবে।

জুবিলী শব্দটি পবিত্র বাইবেল-এ পাওয়া যায়। ক্যাথলিক জুবিলী বাইবেলে জুবিলী সম্পর্কে বলা হয়েছে-“লেবীয় পুস্তকের কথা অনুসারে (লেবীয় ২৫:১৩) জুবিলী বর্ষে ঈশ্বরের জনগণের প্রতিটি মানুষের নিজ নিজ অধিকার ফিরে পাবার কথা। ঈশ্বরের বাণীই ঈশ্বর সন্তান হওয়ার অধিকার আমাদের ফিরিয়ে দিয়েছে (যোহন ১:১২), আর এজন্য সাহসের সঙ্গে বলি, ঐশবাণী আমাদের পরিত্রাণ, ঐশবাণী আমাদের জুবিলী। ” বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন-এর জুবিলী সফল হোক, সুন্দর হোক। প্রার্থনা করি, অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিটি পদক্ষেপ জনকল্যাণ ও জনবান্ধব, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যরে, শান্তি ও ন্যায্যতার দৃষ্টান্ত স্থাপনে অন্যন্য ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন দীর্ঘজীবী হোক।

  • বাংলাদেশে পর্যটন শিল্পের বিপুল সম্ভাবনা

    প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী ২৭ সেপ্টেম্বর পালিত হয়ে আসছে বিশ্ব পর্যটন দিবস। ১৯৮০ সাল থেকে জাতিসংঘের অধীনে বিশ্ব পর্যটন সংস্থার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সকল সদস্য দেশে দিবসটি গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়ে আসছে। দিবসটির প্রধান উদ্দেশ্য হলো

  • ডিজিটাল যুগে ডাক বিভাগ হয়ে পড়ছে গুরুত্বহীন

    newsimage

    খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ সালে পায়রা বা কবুতরের মাধ্যমে চিঠি প্রদান করা হতো। রোম এবং প্রাচীন গ্রীসে এ প্রক্রিয়াটি ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। দ্বাদশ শতকে সিরিয়া এবং পারস্যে প্রথম এক শহর থেকে আরেক শহরে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে