menu

ছাত্র রাজনীতি : অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ

মিল্টন বিশ্বাস

  • ঢাকা , সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

(শেষাংশ)

তবে বর্তমান ছাত্র রাজনীতির সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শ লালনকারী ছাত্র সংগঠনের ব্যাপক সমর্থক থাকা সত্ত্বেও দেশে জঙ্গিবাদের জালে দিন দিন আটকা পড়ছে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত মেধাবী শিক্ষার্থীরা। ইসলামী বিপ্লবের নামে বিপুলসংখ্যক মেধাবী তরুণ জঙ্গিবাদের খুন আর ধ্বংসের রাজনীতিতে নিজেদের জড়াচ্ছে। দেশে এক সময় কিছু ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তরুণরা জঙ্গিবাদের কার্যক্রমে জড়িত থাকলেও এখন তার বিস্তার ঘটেছে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও। ঐতিহ্যবাহী কিংবা স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করে রাজনৈতিক দর্শন হিসেবে জঙ্গিবাদের আদর্শকে গ্রহণ করছে আলালের ঘরের দুলালরা। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত গোপনে জঙ্গিবাদি রাজনীতির চর্চা চলছে। ১৯৭৫ পরবর্তীকালে সামরিক শাসন আমলে ধর্ম নিয়ে রাজনীতির প্রসার ঘটে। ইসলামী বিপ্লব বাস্তবায়নে সশস্ত্র সংগ্রামের পথ বেছে নেয় কওমি মাদ্রাসার অনেক শিক্ষার্থী। নিজেদের আদর্শ বাস্তবায়নে তারা বিরুদ্ধ শক্তিকে বিনাশে হত্যার পথ ধরে। ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ থেকে রাষ্ট্রের বিচ্যুতি জঙ্গিবাদের রাজনীতিতে আরও রসদ জোগায়। যার ক্রমবিকাশের বিস্ফোরণ ঘটে চারদলীয় জোট সরকারের শাসনামলে। সারাদেশে একই দিনে বোমা বিস্ফোরণ, সাংস্কৃতিক কর্মকা-ে বোমা হামলা, আদালত প্রাঙ্গণে হামলা, বিচারক হত্যা, বাংলা ভাই ও শায়খ আবদুর রহমানের উত্থান প্রভৃতি জঙ্গি কার্যক্রম রাষ্ট্রের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাপক তৎপরতায় জঙ্গিরা সাংগঠনিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয় কিন্তু গোপনে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আশার কথা হচ্ছে, দেশে প্রায় ৩ কোটি উচ্চশিক্ষিত যুবক রয়েছে। তবে জঙ্গিবাদের পথে খুব কমসংখ্যক যুবক হাঁটছে। সামাজিক ও পারিবারিকভাবে নজর দিলে সেটাও ঠেকানো সম্ভব। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আইন প্রয়োগ করে মাত্র ৪০ ভাগ জঙ্গি দমন করতে পারে। বাকিটা রাজনৈতিক, সামাজিক ও পারিবারিক ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল। অন্যদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেই মগজ ধোলাইয়ের শিকার হচ্ছে মেধাবী শিক্ষার্থীরা। এজন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সবার আগে নজরদারি থাকতে হবে। মগজ ধোলাইকারী উগ্র মতাদর্শের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নজরে রাখতে হবে। অপরাধ বিবেচনা করে তাদের আইনের আওতায় নিতে হবে।

জাতীয় রাজনীতিতে নতুন নেতৃত্ব তৈরির জন্য ‘ডাকসু’ নির্বাচন তথা ছাত্র সংসদ নির্বাচন যেমন জরুরি তেমনি ছাত্র রাজনীতিতে শৃঙ্খলাবোধের চর্চা করতে হবে। সংগঠনের সম্মেলন করে তৃণমূল পর্যায়ে নেতৃত্ব তৈরি করা সম্ভব। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকশিত পথ ধরে জাতীয় রাজনীতিতে ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে ব্যাপক সংস্কার আর আদর্শনির্ভর, ত্যাগের রাজনীতি এনে দিতে পারে গৌরবের ছাত্র রাজনীতি। ছাত্র প্রসঙ্গ এলে অবশ্যই শিক্ষকদের প্রসঙ্গ উত্থাপিত হবে স্বাভাবিকভাবেই। ভালো ছাত্রের অর্জন কতকাংশে শিক্ষকের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও পাঠদানের ওপর নির্ভর করে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার ফাঁক দিয়ে অযোগ্যরা শিক্ষক হলে ছাত্রদের ওপর তার প্রভাব পড়বে। আমাদের সমাজে যারা অবদান রাখতে পারবেন তাদের গবেষণায় নিয়োজিত করতে হবে। আমাদের কৃষিবিজ্ঞানীরা অনেক ফসল উদ্ভাবন করেছেন, যা এই গবেষণারই ফল। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য গবেষণার বিকল্প নেই।

৬.

দেশের উন্নয়নে ছাত্র সমাজকে ভূমিকা রাখতে হলে সর্বপ্রথম অবশ্যই দেশ ও দেশের মানুষকে মন থেকে ভালোবেসে রাজনীতি করার মানসিকতা পোষণ করতে হবে। ছাত্র রাজনীতির প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। বিশ্বের অনেক দেশেই ছাত্র রাজনীতি নেই, সে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লেখাপড়া ও গবেষণার কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। ছাত্র রাজনীতির নামে অন্তর্কলহ কারও জন্যই মঙ্গলজনক নয়। উপরন্তু আমরা যদি সৎ থাকি, তবে চিন্তার কোন কারণ নেই। রাজনীতির ইতিহাস, রাজনীতিবিদদের জীবনী পড়তে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র নেতাদের কাছ থেকে রাজনীতির ট্রেনিং নিয়ে রাজনীতি করা দরকার। কারণ ছাত্র রাজনীতি ছাত্রদের নিয়েই। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোও ছাত্র রাজনীতির অন্যতম দিক। ছাত্র রাজনীতি তাদের জাতীয় রাজনীতিতে আসীন করবে। এজন্য দেশসেবার মানসিকতা থাকতে হবে। যেন একজন নবীন রাজনীতিবিদের শিক্ষার অনেক কিছুই থাকে তাদের জীবনী থেকে। শিক্ষকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে হবে যেন ছাত্র-শিক্ষকের মর্যাদা ঠিক থাকে। ব্যক্তিস্বার্থে বা রাষ্ট্রীয় স্বার্থে কখন ধ্বংসাত্মক কাজে কাউকে উদ্বুদ্ধ করা অনুচিত। সুস্থ ছাত্র রাজনীতি দরকার। কারণ আইন সবার জন্য সমান। অন্যায়কারীকে শাস্তি পেতেই হবে। নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টির জন্য রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর একাডেমি বা ট্রেনিং ইনস্টিটিউট থাকা দরকার। রাজনীতিতে সক্রিয় নেতাকর্মীরা সেখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে জনগণের কাছে আসবেন; রাজনীতির মাঠে নামবেন। জঙ্গিবাদী মতাদর্শের বিরুদ্ধে মতাদর্শিকভাবে লড়বার প্রয়োজন আছে। এ কাজটি রাজনৈতিক কাজ, চিন্তা দিয়ে মোকাবিলা করার কাজ, বুদ্ধি দিয়ে পরাস্ত করার কর্তব্য। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক আর্থ-রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে জঙ্গিবাদের জন্ম হয়। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে জঙ্গিরা কী বস্তু, তা আমাদের জানতে হবে। দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য, একাত্তরের ক্ষত নিরাময়ের জন্য আমরা সব প্রকার রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়া একটি স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার করছি। এখন অপরাধীদেও ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়া জরুরি।

দেশে এখনও সাম্প্রদায়িক শক্তির উপস্থিতি আছে। ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পর যেমন হিন্দু জনগোষ্ঠীর ওপর আক্রমণ হয়েছে তেমনি ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দু জনগণের বাড়িঘর ও মন্দির ম-পে হামলা করেছিল দৃর্বত্তরা। ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ও উপাসনালয়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজের বেশ কয়েকটি ঘটনা ২০০১ সালের নির্বাচন-পরবর্তীকালের ঘটনাগুলোকে মনে করিয়ে দেয়। এ অপতৎরতা কঠোর হাতে দমনের জন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ছাত্র সমাজের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। সুন্দরের অতন্দ্র প্রহরীর মতো জেগে থাকতে হবে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে রুখতে।

৭.

দেশের উন্নয়নে ছাত্র সমাজ উপেক্ষিত হয় কখন? যখন রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতা লাভের হাতিয়ার হিসেবে তাদের ব্যবহার করতে চায়। বর্তমান সরকার সেই চেষ্টা করেনি। তবে ছাত্রদের মধ্যে অছাত্র ঢুকে পড়েছে। তাদের নিয়ন্ত্রণ করা তাই দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে। দেবতার জায়গায় অসুর গড়ে উঠছে। নীতিহীনতায় ঢেকে গেছে সব সুকর্মের অনুধ্যান। অথচ ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ভারতে শাসকগোষ্ঠীর অন্যায় আচরণের প্রতিবাদ করে ছাত্ররাই পথে নেমেছে। তারাই রাজনীতির প্রধানশক্তি হিসেবে পথপ্রদর্শক হয়েছে। ১৮৮৫ সালের কংগ্রেস থেকে ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ আর ১৯১৭ সালের বলশেভিক আন্দোলনের পর ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি এসব দলের আদর্শের পতাকা হাতে নিয়েছে তরুণ সমাজ। তখন নেতারা কর্মী হিসেবে ছাত্রদের পোস্টার, ব্যানার ধরিয়ে সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন; মিছিল করেছে তরুণ সমাজ। সেই চিত্র পাল্টেছে। স্বাধীনতা অর্জনের মহানব্রতে নিবেদিত প্রাণের জয়গান এখন আবার পুনরুদ্ধার করতে হবে। যারা ছাত্রদের ব্যবহার করে আখের গুছিয়েছে তাদের প্রত্যাখ্যানের সময় এসেছে; যারা নীতি-নৈতিকতার মেরুদ- ভেঙে দিয়েছে তাদের সামনে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।

ছাত্ররাই তো সমস্ত ইতিবাচক কাজের দিশারি। যদিও টাকার গন্ধ তাদের নীতিহীন করেছে। তবু তাদের দিয়েই ভবিষ্যৎ নির্মাণের স্বপ্ন দেখছি আমরা। জাতির মেরুদ- গড়ে তুলতে স্বপ্ন দেখাবে তারাই। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের আগে-পরে দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা ছাত্র সমাজকে ঝাঁপিয়ে পড়তে দেখেছি। জীবন তুচ্ছ করে তারা মানবতার পক্ষে থেকেছে। সোনার বাংলা এ ছাত্র সমাজই বানাতে পারে। কারণ যে দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তা দুর্নীতিতে লিপ্ত হয়, যে সচিবের চাকরি জাল মুক্তিযুদ্ধের সনদে বহাল থাকে সেখানে ছাত্ররা বিশুদ্ধ রক্তের গৌরব প্রকাশ করতে পারে। তারাই স্বপ্ন দেখাতে পারে বিশুদ্ধতার। দেশকে এগিয়ে নিতে পারে; দুর্নীতির বিরুদ্ধে দাঁড়াবে তারাই। সমাজের দুরাচার-অবিচার আছে, কে লাগাম টেনে ধরবে এসবের? কে কাকে শাসন করবে? বিদেশি টাকা মেরে বড় বড় প্রকল্পের কাজ অর্ধসমাপ্ত রাখছে যারা কিংবা দেশের বাইরে টাকা পাচার করে সুখে দিন কাটাচ্ছে যারা তাদের অসৎ মানসিকতা দূর করতে হবে। কারণ তাদের জন্য নিরীহ জনগণ আরও বেশি নিষ্পেষিত হচ্ছে। অন্যদিকে ছাত্রদের মধ্যে ছাত্রশিবিরের মতো একদল জঙ্গিবাদীগোষ্ঠী রাস্তায় হাঁটছে। আর ছাত্রদল চোরের মতো সুযোগের অপেক্ষায় আছে, দৈত্য হয়ে আবির্ভূত হতে পারে যে কোন মুহূর্তে। ছাত্ররা স্বপ্ন দেখছে। অথচ এদের কারণে পরিবারের স্বপ্ন ধ্বংস হচ্ছে। লাশ হয়ে বাড়ি ফেরার মধ্যে শেষ হচ্ছে ভবিষ্যৎ।

সরকারের ভিশন-২১ এবং রূপকল্প-২০৪১ ছাত্রদের দিয়ে সফল করতে হবে। বড় বড় কাজ তো তারাই করবে। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে তাদের কাজে লাগাতে হবে। এজন্যই ছাত্র রাজনীতি থাকতে হবে। তবে দূষিত চিন্তার প্রভাব মুক্ত এবং রাজনীতিতে ব্যবসায়িক মনোভাব দূর করতে হবে। বর্তমান সরকার যে কোন মূল্যে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে সচেষ্ট। সব ধর্মের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতিকে দৃঢ় করার জন্য সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি আইনগত রক্ষা কবচের ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করা হচ্ছে। সাম্প্রদায়িক রাজনীতি ও প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং একটি বিজ্ঞানমনস্ক উদার মানবিক সমাজ গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব কাজে সচেতনতা সৃষ্টিতে তরুণ সমাজ অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশের ভূ-খ-ে জঙ্গিবাদ, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী কোন শক্তিকে প্রশ্রয় দিবে না ছাত্র সমাজ।

সমৃদ্ধ ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণে ছাত্রদের ভূমিকা বিশদ। শেখ হাসিনার ভিশনগুলো অর্জনে ছাত্ররা এখন যেমন অবদান রাখতে সক্ষম হচ্ছে তেমনি সামনের দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে বলে আমরা মনে করি। উন্নত বিশ্ব গড়ার জন্য তাদের মুখ্য ভূমিকায় দায়িত্ব দিতে হবে। অন্যদিকে ছাত্র রাজনীতি দরকার এ কারণে যে মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মোকাবিলা করতে বারবারই আমাদের সতর্ক থাকতে হচ্ছে। কোটি কোটি অর্থ সম্পদের মালিক জামায়াতে ইসলামী আর তার বিত্তবান নেতারা সমাজের কোন মৌলিক বদল আনতে সক্ষম হবে না কখনও। তাছাড়া তাদের যুদ্ধাপরাধী নেতারা এদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চায়নি; বরং একাত্তর প্রসঙ্গে ধারাবাহিক মিথ্যাচার করে গেছে নানা সময়ে। দেশ পরিচালিত হবে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের ছাত্র সমাজ দ্বারা। কাজেই ছাত্রদের রাজনীতির সুস্থ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। তবেই দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত রাখা সম্ভব হবে।

[লেখক : ড. মিল্টন বিশ্বাস, অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ এবং পরিচালক, জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দফতর, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়] writermiltonbiswas@gmail.com)