menu

পিডিবি আরইবি’তে ডে-কেয়ার সেন্টার তৈরি করুন

  • ঢাকা , রবিবার, ১১ আগস্ট ২০১৯

দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন ও ব্যবহার বেড়েছে। শতভাগ জনগোষ্ঠীর কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে বিপুলসংখ্যক জনবল। এই জনবলের মধ্যে রয়েছেন অনেক নারী কর্মীও। কিন্তু দেশ আলোকিত করার কাজে নিয়োজিত এই নারী কর্মীদের প্রায় সবাই কর্মজীবনে একটি কারণে বড় সংকটে পড়েন। কারণটি হচ্ছে কর্মস্থলে একটি দিবাযতœ কেন্দ্র বা ডে-কেয়ার সেন্টার না থাকা।

পিডিবি এবং আরইবি প্রতিষ্ঠান দুটিতে ডে-কেয়ার সেন্টার না থাকার ফলে ভোগান্তিতে পড়ছেন নারী কর্মীরা। অন্যদিকে গ্রাহকসেবার বিঘœ ঘটে। নারী কর্মীদের ব্যক্তিগত জীবনে তৈরি হয় টানাপড়েন, আর নির্ধারিত সময়ে প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন বা লক্ষ্য অর্জনেও বাধা তৈরি হয়। বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী যে প্রতিষ্ঠানে ৪০ জনের বেশি নারী কর্মী আছেন, সেখানে ছয় বছর বয়স পর্যন্ত শিশু সন্তানের জন্য শিশুকক্ষ বা শিশু দিবাযতœ কেন্দ্রের জায়গা থাকতে হবে। কিন্তু এ আইন বাস্তবে মানা হচ্ছে না। প্রশ্ন হচ্ছে- সনদ পাওয়ার পরও সংস্থা দুটি ডে-কেয়ার সেন্টার চালু করল না কেন?

বিপুলসংখ্যক নারী কর্মী থাকা পিডিবি ও আরইবিতে ডে-কেয়ার সেন্টার না থাকায় সংস্থা, কর্মী ও গ্রাহক তিন পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আর ডে-কেয়ার না থাকায় দেশীয় আইন ও আন্তর্জাতিক মানদন্ড রক্ষার প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি। এটি প্রতিষ্ঠানিক বিবেচনায়ও অনৈতিক। কেননা যে মানদন্ড রক্ষা করছে বলে সংস্থাগুলো অংশীজনদের জানাচ্ছে, তা প্রকৃতপক্ষে সঠিক নয়।

পিডিবি ও আরইবিতে নারী কর্মীদের জন্য অবিলম্বে ডে-কেয়ার সেন্টার খুলতে হবে। এক্ষেত্রে কোন কালক্ষেপণ বাঞ্ছনীয় নয়।

  • পবিত্র ঈদুল আজহা

    আগামীকাল পবিত্র ঈদুল আজহা। ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল হয়ে আছে এই দিনটি ইসলামের