menu

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের অনিয়ম দুর্নীতি দূর করুন

  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০১৯

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) অধীন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নতুন সংযোগ থেকে শুরু করে বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপন ও সরানোর মতো কাজে বাড়তি অর্থ দিতে হয় গ্রাহকদের। অভিযোগ রয়েছে, বিআরইবির কর্মকর্তা-কর্মচারী, লাইনম্যান ও ঠিকাদারকে ঘুষ না দিলে কাজই হয় না। এ ঘুষ-বাণিজ্যে অসন্তোষ বাড়ছে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের মধ্যে।

পল্লী বিদ্যুতের সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে হয়রানি ও ঘুষ-বাণিজ্যের বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। প্রতিবারই বৈঠকে এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি তথা সংসদ সদস্যরা। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত কমিটির বিভিন্ন বৈঠকে জনপ্রতিনিধিরা পল্লী বিদ্যুতের সেবা পেতে হয়রানির কথা তুলে ধরেন।

পল্লী বিদ্যুতে যে দীর্ঘদিন ধরেই অনিয়ম-দুর্নীতি হচ্ছে সেটা কারও অজানা নয়। সমস্যা নিরসনে বিভিন্ন সময় নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কিন্তু সমন্বয় না থাকায় কোন উদ্যোগই ফলপ্রসূ হয়নি। আরইবির কর্মকর্তা-কর্মচারী, লাইনম্যান ও ঠিকাদার সবাই ঘুষ বাণিজ্যে জড়িত। আর তাদের কাজটি সহজ করে দিয়েছে স্থানীয় রাজনীতিক ও প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় থাকা দালালরা। এ কারণে নতুন সংযোগ থেকে শুরু করে মিটার স্থাপন, বিদ্যুতের খুঁটি সরানো, ট্রান্সফরমার পরিবর্তনসহ প্রতিটি সেবার জন্য গ্রাহকদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ। ঘুষছাড়া কোন কাজই হয় না।

বাস্তবতা হলো, গ্রামাঞ্চলে পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য নিয়োগকৃত মূল ঠিকাদাররা কাজ করেন না। মূল ঠিকাদার সাব-ঠিকাদার নিয়োগ করে। সাব-ঠিকাদার গ্রামে গ্রামে দালাল নিয়োগ করে। ফলে সাধারণ গ্রাহকের ভোগান্তি বাড়ে। সরকার বিনা মূল্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দিলেও ঠিকাদারদের সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ মানুষ সুযোগটি পাচ্ছে না।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সমিতিগুলোতে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, ঠিকাদারদের দালালি এবং চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম বিঘ্নিত হবে। গ্রামে বিদ্যুৎ দিতে আরইবিকে আধুনিক হতে হবে। গ্রাহকপর্যায়ে সচেতনতা তৈরিতে মাইকিং, পোস্টারিং ও লিফলেট বিতরণ করতে হবে। টেলিভিশন, বেতার ও পত্রিকার মাধ্যমে চালাতে হবে বিশেষ প্রচারণা। বেশি বেশি উপকেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। বিদ্যুৎ ব্যবহারে আরও সচেতন করতে হবে। অপচয় কমাতে হবে। সিস্টেম লস কমিয়ে আনতে হবে।

  • আবরার হত্যা

    পুলিশের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা

    বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পেটানোর খবর জানতে পেরেছিল চকবাজার থানার পুলিশ। আবরারের হামলাকারীদেরই একজন পুলিশকে খবর দিয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশের