menu

চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য পরিবহনে মালবাহী ট্রেনের কর্মী সংকট দূর করুন

  • ঢাকা , শুক্রবার, ০৯ নভেম্বর ২০১৮

কর্মী সংকটের কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে মালবাহী ট্রেন চলাচল বিঘিœত হচ্ছে। ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। সরাসরি নিয়োগের সুযোগ না থাকায় নিম্নতম ধাপের কয়েকটি পদে প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাবে মালবাহী ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পারছে না রেলওয়ে। গত বৃহস্পতিবার সহযোগী দৈনিক এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

জানা যায়, চট্টগ্রাম বন্দরভিত্তিক তিনটি ইয়ার্ড ও একটি স্টেশনে মঞ্জুরিকৃত পদের সংখ্যা ৮৭টি। কিন্তু আছেন মাত্র ৩৩ জন। এতে গুরুত্বপূর্ণ এ তিন ইয়ার্ড ও একটি স্টেশনের সান্টিং কার্যক্রম অপারেশনাল ও ট্রেন ফরমেশন বিঘিœত হচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দরে রেলের কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার নিয়ম থাকলেও লোকবল সংকটে অধিকাংশ সময়ই এক শিফট বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

ট্রেন পরিচালনার ক্ষেত্রে সান্টিং পোর্টার, জমাদার ওপি-ম্যান ও তিনটি পদের কোন একটিতে কর্মী অনুপস্থিত থাকলে একটি ট্রেন কোনভাবেই পরিচালনা করা সম্ভব হয় না। ন্যূনতম ৩ বছর ফিডার পোস্ট বা সংশ্লিষ্ট নিম্ন শ্রেণীর পদে কাজ করার পর ও সব পদে পদায়ন করা হয়। কিন্তু নিম্ন শ্রেণীর একাধিক পদেও লোকবল সংকট থাকায় সান্টিং পোর্টার, সান্টিং জমাদার ও পি-ম্যান পদে লোকবল বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না।

প্রশ্ন হচ্ছে, এ তিনটি পদে লোকবল নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না কেন? কর্মী সংকটের কারণেই তো অন্যান্য সমস্যা দেখা দিয়েছে।

এ অবস্থা চলতে থাকলে চট্টগ্রাম বন্দরের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের পণ্য পরিবহনে রেলের অংশগ্রহণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতির ওপর।

চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য পরিবহনে রেলের ভূমিকা অপরিসীম। পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে রেলের সেবা কমে গেলে বা বন্ধ হয়ে গেলে যে ক্ষতি হবে, তা অপূরণীয়।

আমাদের বক্তব্য হচ্ছে, যত দ্রুত সম্ভব কর্মী সংকট দূর করতে হবে রেল কর্তৃপক্ষকে। সান্টিং পোর্টার, সান্টিং জমাদার এবং পি-ম্যানের পদগুলো অবিলম্বে পূরণ করতে হবে রেল কর্তৃপক্ষকে। এক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতি দূর করতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য পরিবহন সচল রাখতে হবে।