menu

কক্সবাজারে

হোটেলগুলোতে ইচ্ছেমতো ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

সংবাদ :
  • বাকী বিল্লাহ
  • ঢাকা , শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০১৯

পর্যটন জেলা কক্সবাজারে ৪শর বেশি আবাসিক হোটেলে রুম ভাড়া নিয়ন্ত্রণহীন। নামিদামি হোটেলগুলো নিজেদের ইচ্ছামতো ভাড়া নির্ধারণ করছেন। অনেক সময় পর্যটক বেশি হলে অনেককে দুপুরের পরিবর্তে সকালে (নির্ধারিত সময়ের আগে) রুম ছেড়ে দিতে বলেন। এতে অনেক পর্যটক ভোগান্তির শিকার হন। আবার অনেকেই কোন উপায় না পেয়ে ব্যাগ নিয়ে সৈকতে অবস্থান করেন। অনেকেই হোটেলের রিসিপশনে ব্যাগ রেখে ঘুরে সময় কাটান। অন্যদিকে অভিযোগ রয়েছে, কক্সবাজারে হোটেলে ভাড়া বেশি ও বাসে যাতায়াতে কষ্টের কারণে বহু পর্যটক খরচ তুলনামূলক কম হওয়ায় বিদেশে (ভারত ও থাইল্যান্ড) যাচ্ছেন। আবাসিক হোটেল ভাড়া নিয়ে সুষ্ঠু নীতিমালা প্রণয়ন করলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ আরও বাড়বে বলে পর্যটকরা মনে করেন।

কক্সবাজার জেলা ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি মো. জিল্লুর রহমান বলেন, কক্সবাজারে এখন পর্যটকের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। পর্যটকদের জন্য জেলার বিভিন্ন স্থানে ৪২৬টি আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট রয়েছে। ওই সব হোটেল মোটেল জোনে প্রায় ২ লাখ পর্যটক থাকার ব্যবস্থা আছে। এক সঙ্গে ২ থেকে ৩ দিন টানা ছুটি হলে বহু পর্যটক কক্সবাজারে যান। আর বহু বিদেশি পর্যটক এখন কক্সবাজারে অবস্থান করছেন। তারা যখন সুযোগ পায় তখনই সমুদ্র সৈকতে যান। আর হোটেলগুলোতে ভাড়া নির্ধারণ হোটেল কর্তৃপক্ষ নিজেরাই করছেন। যে হোটেল যত বড়। তার ভাড়া তত বেশি। অনেক হোটেলে দর কষাকষি করেও অনেকে উঠেন। টানা ২ থেকে ৩দিন বন্ধ থাকলে পর্যটক বেড়ে যায়।

জেলা ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার ফখরুল ইসলাম বলেন, কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকের নিরাপত্তায় বিভিন্ন যানবাহন ছাড়াও সৈকতে সার্বক্ষণিক টহলে নিয়োজিত ৯টি বীচ বাইক রয়েছে। আরও দুটি বীচ বাইক শীঘ্রই যুক্ত হবে। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে প্রতিদিন বহু পর্যটক ঘুরতে আসেন। পর্যটকদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাসহ যে কোন ধরনের অপ্রত্যাশিত ঘটনা এড়াতে ট্যুরিস্ট পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে। নিরাপত্তায় সমুদ্র সৈকতে সার্বক্ষণিকভাবে ৬টি বীচ বাইক রয়েছে। এছাড়াও ইউএনডিপি থেকে পাওয়া ৫টি বীচ বাইক দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর অকেজো হয়ে পড়েছিল। সেগুলো ট্যুরিস্ট পুলিশের ঢাকার সদর দফতরের অনুমোদন সাপেক্ষে মেরামত করার পদক্ষেপ নিয়েছে। ইতোমধ্যে ৩টি বীচ বাইক মেরামত শেষে বুঝিয়ে নেয়া হয়েছে। আর দুটি মেরামতের কাজ চলছে। শীঘ্রই তাও পর্যটকদের নিরাপত্তা টহলে সংযোজিত হবে।

ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার মো. জিল্লুর রহমান জানান, ট্যুরিস্ট পুলিশের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা টহলে সৈকতে আগত সব পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ পর্যটকদের আনন্দ ভ্রমণে স্বস্তি এনে দেয়। ট্যুরিস্ট পুলিশ সর্বদা পর্যটকের সেবায় নিয়োজিত। ছোট খাট অপরাধ চেষ্টার অভিযোগ পেলেই ট্যুরিস্ট পুলিশ অপরাধীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসে।