menu

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও বেগমগঞ্জে

শ্বাসকষ্টে প্রবাসী ও বৃদ্ধের মৃত্যু

দুই এলাকা লকডাউন

সংবাদ :
  • জেলা বার্তা পরিবেশক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২০

শ্বাসকষ্টে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় এক প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার জেঠাগ্রামে শ্বশুরবাড়িতে তার মৃত্যু হয়। তার বাড়ি একই উপজেলার পূর্বভাগ গ্রামে। ওই প্রবাসীর মৃত্যুর ঘটনায় তার শ্বশুরবাড়িটি তাৎক্ষণিকভাবে লকডাউন করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ৩৫ বছর বয়সী ওই প্রবাসী ১৮ই মার্চ মালয়েশিয়া থেকে দেশে আসেন। এরপর ২০শে মার্চ থেকে ১লা এপ্রিল পর্যন্ত তিনি কোয়ারেন্টিনে ছিলেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন। উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জানিয়েছে, কোয়ারেন্টিনে থাকাকালে তার শারীরিক কোন সমস্যা হয়নি। পরবর্তীতে ৪ মার্চ তিনি কিছুটা অসুস্থতা বোধ করলে তার শারীরিক কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হয়। পরীক্ষায় তার টাইফয়েড ধরা পড়ে। তবে করোনাভাইরাসের কোন উপসর্গ ছিল না। এরপর মঙ্গলবার রাতে শ্বশুরবাড়িতে তিনি শ্বাস কষ্টে মারা যান।

নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমা আশরাফী জানান- করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়েই তিনি মারা গেছেন। সেজন্য তাৎক্ষণিকভাবে ওই প্রবাসীর শ্বশুরবাড়িটি আমরা লকডাউন করে দিয়েছি। তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে জানা যাবে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কিনা।

সর্দি-জ্বরে এক বৃদ্ধের মৃত্যু, বাড়ি লকডাউন

প্রতিনিধি, বেগমগঞ্জ (নোয়াখালী) নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের একলাসপুর গ্রামে সর্দি, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে আবদুল মালেক (৭২) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। করোনাভাইরাসের উপসর্গ থাকা সন্দেহে নিহতের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নিহতের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রফিক্যাল অ্যান্ড এনফেকসাস ডিজিস (বিআইটিআইডি) চট্টগ্রামে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত নিহতের পরিবারের লোকজনকে হোমকোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে এবং ওই বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। এতে আশপাশের বাড়ির লোকজনের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. অসিম কুমার দাস গতকাল জানান, গত তিন দিন আগে বেগমগঞ্জের একলাসপুর ইউপির পূর্ব একলাসপুর গ্রামের আবদুল মালেক নামের ওই বৃদ্ধ জ্বরে আক্রান্ত হন। মঙ্গলবার ভোরে তিনি নিজ বাড়িতে মারা যান। জ্বর সর্দি-কাশি ছাড়াও হার্টে সমস্যা ছিল তার, ধারণা করা হচ্ছে তিনি হার্ড অ্যাটাকে মারা গেছেন। তারপরও স্থানীয় ও পরিবারের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে করোনাভাইরাসের উপসর্গ থাকার সন্দেহে তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, নিহত ব্যক্তির পরিবারের লোকজনকে হোমকোয়ারেনটিনে রাখা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত ওই বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে এবং ওই বাড়ি থেকে কোন লোকজন বাহিরে এবং কোন ব্যক্তি যেন ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে তা নজর রাখার দ্বায়িত্ব স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে দেয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, আশা করি রাতের মধ্যে নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পাওয়া যাবে।