menu

বরগুনায় রিফাত হত্যা

শিশু আদালতে সাক্ষী দেয় ৪ জন

তদন্ত কর্মকর্তার জেরা শেষ

সংবাদ :
  • চিত্তরঞ্জন শীল, বরগুনা
  • ঢাকা , বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০
image

বরগুনায় আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার জবানবন্দি শেষে আসামি পক্ষের ৭ জন আইনজীবী জেরা শেষ করেছেন। বৃহস্পতিবার জেরা শুরু হয়ে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত রিফাত ফরাজি, কামরুল হাচান সায়মুন, রাব্বি আকন, সাগর, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. হাসান, মো. মুছা, টিকটক হৃদয়, সিফাত ও আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির পক্ষে জেরা করেছেন তাদের আইনজীবীরা। তবে গতকাল আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির পক্ষে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেরা করেছেন তার আইনজীবী। এদিকে মিন্নির জামিন বাতিলের আবেদন শুনানি ফের পেছানো হযেছে।

বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামানের আদালতে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে যখন আইনজীবীরা জেরা করেন, তখন হাজতে থাকা ৮ আসামি ও জামিনে থাকা আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি আদালতে উপস্থিত ছিল। আসামি মুসা পলাতক রয়েছে। শিশু আসামিদের বিচারক ও জেলা জজ মো. হাফিজুর রহমানের আদালতে মঙ্গলবার ৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। মিন্নির জামিন বাতিলের আবেদন শুনানি ষষ্ঠবারের মতো আসামি পক্ষে শুনানির জন্য সময় আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হুমায়ূন কবির সাক্ষ্য দেন। আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির পক্ষে তাকে জেরা করেন তার আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম ও তার সঙ্গীরা।

আদালতে সাক্ষ্য শেষে বরগুনা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক ও তদন্তকারী কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, মামলায় তিনি তদন্ত করে যা পেয়েছেন তা আদালতে বর্ণনা করেছেন। এখন পর্যন্ত ৭ জন আইনজীবী তাকে জেরা করেছেন। সাতজন আসামির জেরার মধ্য দিয়ে প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের পক্ষে জেরা সমাপ্ত করেছেন তাদের আইনজীবীরা। একটি বিচারাধীন মামলায় এর বেশি কিছু বলার নেই। আসামি আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জেরা শেষ করেছেন, মিন্নিকে যে এই মামলায় সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি তা তদন্ত কর্মকর্তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। এছাড়া যুক্তিসঙ্গত কারণে মিন্নির জামিন বাতিল আবেদন শুনানির জন্য আদালতে সময় চেয়েছেন তিনি। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের পিপি ভুবন চন্দ্র হাওলাদার বলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তার জবানবন্দি শেষ হয়েছে। আসামির পক্ষে ৭ জন আইনজীবী জেরা শেষ করেছেন। মিন্নির পক্ষে তার আইনজীবীর জেরা শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পক্ষের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

এদিকে শিশু আদালতে মঙ্গলবার দুপুরে মোস্তফা আলম, সাইফুল ইসলাম সুমন, সাকিব হাসান ও খোকন সাক্ষ্য শেষে মোস্তফা আলম বলেন, ২৬ জুন বিকেলে তার মেয়ে ফোন করে জানায় রিফাত শরীফকে কয়েকজন সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে জখম করেছে। তিনি বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। বিকেল সাড়ে তিনটায় রিফাত মারা যায়। পরের দিন পুলিশ রিফাত শরীফের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন। তিনি রিপোর্টে স্বাক্ষর করেন। তিনি আরও বলেন, রিফাত শরীফ তার বোনের ছেলে। তিনি শুনেছেন রিফাত ফরাজি রিশান ফরাজিরা সেদিন নির্মমভাবে কুপিয়ে রিফাত শরীফকে হত্যা করে। তিনি কোপগুলো দেখেছেন।