menu

বৈশাখী ভাতা তুলতে পারেননি অনেক শিক্ষক-কর্মচারী

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • ঢাকা , রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৯

ব্যাংকে দেরিতে চেক জমা হওয়ায় নববর্ষের আগে বৈশাখী ভাতা উত্তোলন করতে পারেননি বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরা। ভাতা তুলতে না পেরে অনেক শিক্ষক-কর্মচারী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

কয়েকজন শিক্ষক নেতা জানান, তারা ব্যাংক থেকে বৈশাখী ভাতা তুলতে পারেননি। দেশের বেশিরভাগ স্থানে এ ঘটনা ঘটেছে। ফলে অগ্রণী, রূপালী, জনতা এবং সোনালী ব্যাংকের বিভিন্ন জেলা শাখায় সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষকরা সারাদিন ধরণা দিয়েও বৃহস্পতিবার বিকেলে টাকা তুলতে না পেরে ফিরে গেছেন।

ব্যাংক ম্যানেজারদের বরাত দিয়ে একাধিক শিক্ষক নেতা জানিয়েছেন, বিলম্বে চেক ছাড়ের কারণে, ভাতা বণ্টনকারী ব্যাংকের শাখায় টাকা পৌঁছেনি। এজন্য টাকা দেয়া সম্ভব হয়নি।

জানা গেছে, গত সংসদ নির্বাচনের আগেই পহেলা বৈশাখ থেকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছিল সরকার। এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের টাকা ছাড় করা হয়েছে গত ৯ এপ্রিল। আর এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতার টাকা ছাড় করা হয় ১০ এপ্রিল। বিলম্বের কারণেই মূলত ভাতা বা বোনাস বণ্টনকারী ব্যাংকগুলো তাদের জেলা পর্যায়ের শাখায় টাকা পাঠাতে পারেনি। গত বৃহস্পতিবার ছিল পহেলা বৈশাখের আগে সর্বশেষ কার্যদিবস। আজ পহেলা বৈশাখ। এর আগে ব্যাংক থেকে বোনাস বা ভাতা উত্তোলনের আর কোন সুযোগ পাননি শিক্ষক-কর্মচারীরা। তবে অধিকাংশ জেলার এমপিওভুক্ত সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ভাতা তুলতে পেরেছেন বলে জানা গেছে।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম রনি বলেন, ‘আমাদের কোন শিক্ষক-কর্মচারী বৈশাখী ভাতা তুলতে পারেননি। সবাই ব্যাংকে গিয়ে ফিরে এসেছেন।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, ‘বৈশাখী ভাতার টাকা অনুমোদন হতে দেরি হয়। প্রথমবারের মতো এ ভাতা প্রদান করায় তা অনুমোদন করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তার জন্য অনুদানকারী ব্যাংকগুলোতে অর্থ পৌঁছেনি। তবে কিছু ব্যাংকে অর্থ পৌঁছে গেছে। অনেকে বৈশাখী ভাতা পেয়েছেন।’