menu

বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানিতে প্রণোদনা প্রত্যাহার ভারতের

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০১৯

ভারত থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানিতে বিদ্যমান প্রণোদনা (ইনসেনটিভ) প্রত্যাহার করে নিয়েছে দেশটির সরকার। পেঁয়াজ রপ্তানি নিরুৎসাহিত করতে এই উদ্যোগ নিয়েছেন তারা। হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ হারুন গইমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ফলে পেঁয়াজের দাম কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আমদানিকারকরা। গত মঙ্গলবার বিকালে পেঁয়াজ রপ্তানিতে প্রণোদনা প্রত্যাহারের এই আদেশ জারি করা হয়।

ভারতীয় পেঁয়াজ রপ্তানিকারক সংকর সাহা জানান, তারা মূলত বাংলাদেশেই পেঁয়াজ রপ্তানি করে থাকেন। অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রেও প্রণোদনা প্রত্যাহার করা হয়েছে কিনা, তা তিনি বলতে পারেননি।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ হারুন ও পেঁয়াজ আমদানিকারক মোবারক হোসেন জানান, ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজের উৎপাদন হয়ে থাকে। ওই পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ও দেশের বাইরে তা রপ্তানি করতে পেঁয়াজ রপ্তানিকারকদের সরকারের পক্ষ থেকে ৫ শতাংশ অর্থ প্রণোদনা দেয়া হতো। যেমনÑ ভারত থেকে বাংলাদেশে ১০০ টন পেঁয়াজ রপ্তানি করলে সরকারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারককে ১ লাখ রুপি ইনসেনটিভ দেয়া হতো। তবে এখন পেঁয়াজ রপ্তানি নিরুৎসাহিত করতে এই প্রণোদনা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে এবং মঙ্গলবার থেকেই সেটি কার্যকর করা হয়েছে। প্রণোদনা প্রত্যাহার করে নেয়ার ফলে ভারত থেকে আগে যে দামে পেঁয়াজ কিনতে হতো, এর চেয়ে কেজিপ্রতি ১ রুপির মতো বাড়তি দামে পেঁয়াজ কিনতে হবে। এর প্রভাব দেশের বাজারে পেঁয়াজের দামের ওপরও পড়বে বলে তারা জানিয়েছেন। ভারতীয় ব্যবসায়ীদের বরাত দিয়ে তারা জানান, ভারতের যেসব অঞ্চলে পেঁয়াজের ফলন বেশি, এবার মৌসুমের শুরু থেকেই সেসব অঞ্চলে তীব্র তাপদাহ, খরা, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সেখানে উৎপাদন খানিকটা ব্যাহত হয়েছে। একই সঙ্গে অনেক অঞ্চলে গরমের কারণে ক্ষেতেই অনেক পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় দেশে পেঁয়াজের বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই ভারত সরকার এমন পদক্ষেপ নিয়েছে।