menu

সাভার-হবিগঞ্জে

দুই গৃহবধূ খুন

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০১৯

সাভারের আশুলিয়ায় ও হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে গতকাল দুই গৃহবধূ স্বামীর হাতে খুন হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছ।

প্রতিনিধিদের পাঠানো সংবাদ-

প্রতিনিধি, সাভার (ঢাকা) : সাভারের আশুলিয়ায় জেসমিন বেগম নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়েছে ঘাতক স্বামী। গত বুধবার দুপুরে সাভারের আশুলিয়ার মির্জানগর এলাকার খালেক মিয়ার মালিকানাধীন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত গৃহবধূ আশুলিয়ায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। স্থানীয়রা জানায়, কয়েক দিন পূর্বে ওই দম্পতি মির্জানগর এলাকায় খালেক মিয়ার মালিকানাধীন বাড়িতে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তবে তাদের মধ্যে পারিবারিক কহলের জেরে মাঝেমধ্যেই ঝগড়া হতো। বুধবার হঠাৎ ওই দম্পতির ঘরের দরজা সকাল থেকেই খোলা দেখতে পায় প্রতিবেশীরা। ঘরের ভেতরে কোন শব্দ না পেয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হলে ভিতরে প্রবেশ করলে ওই গৃহবধূর ওড়না পেঁচানো মরদেহ দেখতে পায়। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিরাজ হোসেন দৈনিক সংবাদকে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই গৃহবধূকে ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তবে ঘাতক ওই স্বামীর নাম-পরিচয় নিশ্চিতের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি। হবিগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে। ঘটনার পর থেকে ঘাতক স্বামী পলাতক রয়েছে।

গতকাল দুপুরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করে।

নিহত রীনা আক্তার (৩৫) উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের মো. ফরিদ মিয়ার স্ত্রী।

জানা যায়, সংসারে টানাপড়েনের কারণে রীনা আক্তার পৌর শহরের বাল্লা রোডের একটি খাবার হোটেলে রান্নার কাজ করতেন। তিনি প্রতিদিনই সকাল ৮টার মধ্যে হোটেলে উপস্থিত হতেন। কিন্তু বুধবার ৯টা বেজে গেলও রীনা হোটেলে উপস্থিত না হওয়ায় হোটেল কর্তৃপক্ষ তার বাড়িতে ডাকতে আসেন। এ সময় শুবার রুমে তার মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করে।

এ ব্যাপারে চুনারুঘাট থানার ওসি কেএম আজমিরুজ্জামান জানান, ঘটনার পর থেকে তার স্বামীকে খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাই ধারণা করা হচ্ছে তার স্বামীই তাকে হত্যা করে পালিয়েছে।