menu

টাঙ্গাইলে রিকশা চালককে পেটানোর অভিযোগে পুলিশ সদস্য ক্লোজড

সংবাদ :
  • জেলা বার্তা পরিবেশক, টাঙ্গাইল
  • ঢাকা , বুধবার, ১৫ মে ২০১৯

টাঙ্গাইলে সেলিম মিয়া (৩৫) নামের এক রোজাদার রিক্সা চালককে জনতার সামনে পেটানোর ঘটনায় পুলিশের ভ্যান ড্রাইভারকে (কনস্টেবল) ক্লোজ করা হয়েছে। সোমবার রাতেই ওই গাড়ি চালক আবুল খায়েরকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় এক সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অন্যদিকে আহত ওই রিক্সা চালকের সব চিকিৎসার ব্যয়ভারের দায়িত্ব নিয়েছেন পুলিশ সুপার। এ লক্ষ্যে মঙ্গলবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের সভাকক্ষে ওই রিকশাচালককে পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় নগদ ১০ হাজার টাকা তুলে দেন।

এর আগে সোমবার সকালে এক রোজাদার রিক্সা চালককে শহরের আকুর টাকুর পাড়া টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে অন্যায়ভাবে পুলিশ ভ্যানের ড্রাইভার আবুল খায়ের পিটায়। পরে মুহূর্তের মধ্যেই ফেসবুকে ঘটনাটি ভাইরাল হয়ে যায়। পরে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। আহত ওই রিকশাচালক টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রসুলপুর গ্রামের মোখছেদ আলীর ছেলে।

আহত রিকশাচালক সেলিম মিয়া বলেন, আমি টাঙ্গাইল শহরের স্টেডিয়াম মার্কেট থেকে এক যাত্রীকে নিয়ে নিরালা মোড়ের দিকে যাচ্ছিলাম। কিছুক্ষণ পর পথিমধ্যে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তায় মোড় ঘুরাচ্ছিলাম। তখন নিরালা মোড়গামী পুলিশের বড় একটি ভ্যানগাড়ি আমাকে ওভারটেক করে আমার সামনে এসে থামে। তখন ওই গাড়ি থেকে পুলিশের পোশাক পড়া এক লোক এসে আমাকে বলে তর গাড়ি চালানো ‘রং’ হয়েছে। তুই মোড় ঘুরাইচ্ছোস, সিগলান মানস নাই, তুই মোড় ঘুরানোর সময় বাম হাত দেস নাই কেন। তখন আমি বলি স্যার আমার ভুল হয়েছে। পরে পুলিশের গাড়ি থেকে নেমে গাড়ি চালক আমাকে লাঠি দিয়ে পিটায়। এতে আমার হাতে প্রচন্ড আঘাত পেয়েছি। বর্তমানে আমার হাত ফুলে গেছে। কোন কারণ ছাড়াই আমাকে এভাবে মারলো পুলিশ ড্রাইভার। রিকশাচালক আরও বলেন, আমাকে এসপি স্যার নগদ টাকা দিয়েছেন। আমি এতে খুশি হয়েছি। আমি এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার চাই।

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় বলেন, এ ঘটনায় রাতেই ওই পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করা হয়েছে। এছাড়া ওই রিকশাচালককে দেখভালের জন্য একজন ডাক্তার সার্বক্ষণিক তার খোঁজ খবর নেবেন।