menu

চট্টগ্রামে বইমেলা শুরু

সংবাদ :
  • চট্টগ্রাম ব্যুরো
  • ঢাকা , সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

একুশের মাসে বইমেলা হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। বাঙালি ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত বইমেলা। সম্প্রীতির বাধনে বেঁধে বইমেলা প্রাঙ্গণ হয়ে উঠে প্রাণবন্ত। গতকাল শুরু হলো চট্টগ্রামের বহুল প্রতীক্ষিত সম্মিলিত অমর একুশে বইমেলা। প্রথম দিনেই প্রায় সব বয়সী মানুষের ঢল নেমেছে। সবারই চোখে-মুখে বইমেলাকে ঘিরে আনন্দের কমতি নেই। ধীরে ধীরে জমে উঠছে মেলা প্রাঙ্গণ।

নগরের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়াম মাঠে শুরু হওয়া গতকাল বিকেল পাঁচটায় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ফেস্টুন উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন। তথ্যমন্ত্রী জাতীয় পতাকা, মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন চসিকের পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে কাপাসগোলা সিটি করপোরেশন কলেজের ছাত্রীরা। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে মেলা শুরু হবে।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) চট্টগ্রাম সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের সহায়তায় ১৯ দিনব্যাপী এ বইমেলার আয়োজন করেছে। এতে ঢাকা ও চট্টগ্রামের ১১০টি প্রকাশকের স্টল রয়েছে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামশুদ্দোহা। বক্তব্য দেন বইমেলার আহ্বায়ক কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, বইমেলার যুগ্ম আহ্বায়ক মহিউদ্দিন শাহ আলম নিপু, জামাল উদ্দিন, সচিব সুমন বড়ুয়া, সমন্বয়কারী আশেক রসুল টিপু প্রমুখ।

মেলায় ঘুরতে আসা শিশু আবেদিন রায়হান বলে, সন্ধ্যায় আমার প্রাইভেট টিউটর আসবে বাসায়। তাই সন্ধ্যায় না এসে এখন আসলাম। বই কিনব ছড়া আর কমিকের। এই বিষয়ে মেলায় ঘুরতে আসা জয়নাল একরাম বলেন, বইমেলা আমার কাছে আলাদা অনুভূতি। শুধু প্রহর গুনছিলাম। এখন থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলায় সময় কাটাব। এই বিষয়ে অক্ষরবৃত্ত প্রকাশনীর প্রকাশক সুজন বলেন, মানুষের আনাগোনা বাড়ছে। প্রথম দিন হিসেবে আগ্রহ থাকবে। ব্যবসাও জমবে। এই বিষয়ে মেলা আহ্বায়ক ডিউক বলেন, মেলায় আশা করি পাঠক, লেখকের মিলনমেলা হবে। আর এভাবে সমাগম হওয়া মূলত আমাদের আয়োজক হিসেবে আনন্দিত করে।