menu

গ্রামীণ সুইটসের সেমাইয়ে পচা বাদাম মেয়াদোত্তীর্ণ ময়দা

কড়াই গোস্ত বাবুর্চিতে বাসি ইফতারি

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০১৯
image

গতকাল রাজধানীর রেস্তোরাঁগুলোয় ভেজালবিরোধী অভিযান চালানো হয় -সংবাদ

রাজধানীতে গ্রামীণ সুইটস মেয়াদোত্তীর্ণ ময়দা ও পচা বাদাম ব্যবহার করে সেমাই তৈরি করছিল। বিষয়টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের সময় সরাসরি ধরা পড়ে। এ অপরাধে গ্রামীণ সুইটসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি ও পণ্যের মোড়কে মূল্য লেখা না থাকায় গ্রামীণ সুইটসসহ সাত প্রতিষ্ঠানকে ৯৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গতকাল রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এ জরিমানা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। অভিযান পরিচালনা করেন ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আফরোজা রহমান ও আতিয়া সুলতানা।

সহকারী পরিচালক আফরোজা রহমান জানান, অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ ময়দা ও পচা বাদাম দিয়ে সেমাই তৈরির অপরাধে গ্রামীণ সুইটমিটকে ৫০ হাজার টাকা, পণ্যের মোড়কে এমআরপি লেখা না থাকা, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরির অপরাধে রিফাত ব্রেডকে ৫০ হাজার টাকা, ক্যাফে জান্নাত রেস্টুরেন্টকে ১৫ হাজার টাকা, ডায়মন্ড সুইটসকে ১০ হাজার টাকা, মক্কা-মদিনা স্টোরকে ৫ হাজার টাকা, ভাতিজার গোশতের দোকানকে ৩ হাজার টাকা, সিয়াম স্টোরকে ৫ হাজার টাকা ও মেহের জেনারেল স্টোরকে ৫ হাজার টাকাসহ ৮ প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে সহায়তা করে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন-১ এর (এপিবিএন) সদস্যরা।

এছাড়াও রাজধানীর ধানমন্ডি সাত মসজিদ রোডে অবস্থিত নামিদামি রেস্টুরেন্ট বাবুর্চি ও কড়াই গোস্তকে বাসি ইফতার বিক্রির অপরাধে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো. আবদুল জব্বার মন্ডল বলেন, বাবুর্চি রেস্টুরেন্টের রান্না ঘরে ঢুকেই দেখা যায় নোংরা স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশ। চারদিকে ময়লা-আবর্জনার মধ্যেই তৈরি হচ্ছে রকমারি সব খাবার। অন্যদিকে কড়াই গোস্তে আগের দিনের ভাজা জিলাপি রেখে দিয়েছে বিক্রির জন্য। বোরহানিতে ময়লা ছিল। রান্না করা মাংস ও কাচা মাংস ফ্রিজে একসঙ্গে রাখা ছিল। এছাড়া পচা ও বাসি মাংস দিয়ে তৈরি করছে ইফতার সামগ্রী। একই দিন রাজধানীর কাওরান বাজারের মাছের দোকানগুলোতে তদারকি করা হয়। এ সময় দোকানে মাছের মূল্য তালিকা না টানানোর অপরাধে শহীদের মাছের দোকান, মহিউদ্দিনের মাছের দোকান ও ইউসুফের মাছের দোকানকে দুই হাজার টাকা করে মোট ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান (এপিবিএন)-১১ এর সদস্যরা।