menu

সুধারামে ফাহিমা হত্যার রহস্য উদঘাটন

গোপনে বিয়ে করায় প্রতিশোধ নিতে খুন করে সাবেক স্বামী সেলিম

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, নোয়াখালী
  • ঢাকা , রবিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০১৯

গোপনে বিয়ে করায় সাবেক স্বামী সেলিম ফাহিমাকে নির্মমভাবে হত্যা করে প্রতিশোধ নিয়েছে বলে পিবিআই’র কাছে স্বীকার করেছে।

গতকাল নোয়াখালীর মাইজদী হাউজিং এলাকায় পুলিশের ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) অফিসে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ইকবাল প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।

উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি রাতে সুধারাম থানার ধর্মপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের পূর্ব শুল্লকিয়ার জহুর আলী হাজী বাড়ির জহিরুল হকের মেয়ে ফাহিমা আক্তারকে (১৯) বাড়ির পেছনে ডেকে নিয়ে গলা, পেট, হাত পায়ের রগ ও ব্রেস্টসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ কেটে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। পরে বিবস্ত্র অবস্থায় তার লাশ ফেলে যায় খুনি।

পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত সেলিম জানায়, গত রমজানের ৩ দিন আগে সে ফাহিমাকে বিয়ে করে। বিয়ের পর তারা ২ মাস ঢাকায় বসবাস করে। কিছুদিন পূর্বে ফাহিমা নোয়াখালী চলে আসে এবং ফোনে তার কাছে আর যাবে না বলে জানায় এবং ইতিমধ্যে আরেকটি ছেলের সঙ্গে সে প্রেম শুরু করে। তাই সেলিম প্রতিশোধ নিতে গত ৯ জানুয়ারি নোয়াখালী এসে সোনাপুর থেকে একটি ধারালো ছুরি কিনে। পরে সন্ধ্যায় ফাহিমাদের বাড়ির পেছনে তাকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করে। সে জানায়, সে একাই হত্যা করেছে তার সঙ্গে কেউ ছিল না। পিবিআই জানায়, মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে নড়াইল জেলার লৌহাগড়া থানার ডিগ্রির চরের শুকুর আলীর ছেলে মো. সেলিমকে চট্টগ্রামের চাঁদগাঁও এর মৌলভীর দিঘির এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ইকবাল জানান, খুনির রক্তমাখা জামা কাপড় উদ্ধার করা যায়নি। পিবিআই অভিযুক্তের স্বীকারোক্তির কথা জানালেও অভিযুক্ত মো. সেলিমকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে দেয়নি।

এদিকে মামলার বাদী জহিরুল হক জানায়, তার মেয়ে ফাহিমার বিয়ের কথা তারা জানতেন না এবং বিয়ের কোন কাগজপত্রও দেখেননি। ফাহিমাও কখনও জানায়নি।