menu

রূপপুর প্রকল্পে

কর্মরত ২৬০ বিদেশি কর্মী কোয়ারেন্টিনে

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, পাবনা
  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৮ এপ্রিল ২০২১

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত ২শ’৬০ বিদেশি কর্মীকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্প এলাকা রূপপুরে তিনটি আলাদা স্থানে তাদের কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রকল্প সূত্র। করোনা মহামারীর মধ্যে ইউরোপ থেকে ফেরায় তাদের কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে বলে সূত্র জানায়।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের আবাসিক এলাকা গ্রিন সিটির দায়িত্বরত চিকিৎসক ডাক্তার ফখরুল ইসলাম জানান, রূপপুর প্রকল্পে কর্মরত ২৬০ বিদেশি নাগরিক তাদের বেশিরভাগই রাশিয়ান। মঙ্গলবার ইউরোপ থেকে কাজে যোগদানের জন্য প্রকল্প এলাকায় এলে তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়।

ইউরোপ থেকে ফেরায় প্রত্যেককে বাধ্যতামূলকভাবে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে বলে জানান তিনি। ১৩ দিন পর তাদের নমুনা সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ এলে তারা কাজে যোগ দেবেন বলে জানান তিনি। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকার তিনটি আলাদা স্থানে ২শ’৬০ বিদেশিকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। কোয়ারেন্টিনে রাখার পাশাপাশি তাদের নিয়মিত মেডিকেল মনিটরিং করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প সূত্র জানায়, বর্তমানে প্রায় ২ হাজার ৮শ’ বিদেশি নাগরিক প্রকল্পে কর্মরত রয়েছে। প্রকল্প এলাকার এ বিশাল বিদেশি জনগোষ্ঠীকে টিকা কর্মসূচির আওতায় আনার জন্য কাজ করছে প্রকল্পের মেডিকেল টিম।

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এফ এম আসমা বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় কর্মরত রাশিয়ানদের তাদের দেশ রাশিয়ান ভ্যাক্সিন স্পুটনিক-৭ দেয়া হচ্ছে। প্রকল্পে কর্মরত মেডিকেল টিমের সদস্যরা টিকার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলে জানান তিনি। ইতিমধ্যে ১ হাজার বিদেশি শ্রমিক-কর্মচারীকে প্রথম ডোজের টিকা দেয়া হয়েছে এবং টিকাদান কর্মসূচি চলমান রয়েছে।

এদিকে দেশের সর্ববৃহৎ এ উন্নয়ন প্রকল্পে হাজার হাজার দেশি-বিদেশি শ্রমিক কর্মচারী কাজ করলেও নিয়মিত তাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করতে হচ্ছে। ফলে ঝুঁকি থাকলেও কাজে কোন ব্যাঘাত ঘটছে না বলে জানিয়েছেন প্রকল্প কর্মকর্তারা। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সাইট অফিস ইনচার্জ রুহুল কুদ্দুস বলেন, করোনার ঝুঁকি থাকলেও নিয়মিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রকল্পে কাজ চলছে, ফলে কাজের বড় ধরনের কোন সমস্যা এখনও হয়নি। প্রকল্পের দেশি-বিদেশি কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে তাকে প্রকল্পের অন্য সবার কাছ থেকে আলাদা করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। প্রকল্পে নিয়মিত প্রতিটি কর্মীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে।