menu

বিএসএমএমইউতে

করোনা গবেষণা ইউনিট চালু

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • ঢাকা , শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২০

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অ্যানেসথেশিয়া, অ্যানালজেশিয়া অ্যান্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগ ও যুক্তরাজ্যের ওয়েলসের হাইওয়েল দ্য ইউনিভার্সিটি হেলথ বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে কেবিন ব্লকের আইসিইউতে ৪টি বেড নিয়ে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত বিষয়ে একটি গবেষণা ইউনিট চালু করা হয়েছে।

এই গবেষণার বিষয় হলো নতুন ভাবে তৈরি নন ইনভেনসিভ ভেন্টিলেশন সিটেক্স ডব্লিউজি সেভেন সিপাপ ডিভাইস বা যন্ত্রটি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য কতটা কার্যকর ও করোনায় আক্রান্ত রোগীদের থেকে কি পরিমাণ ভাইরাস বাইরে বের হয় তা নিরূপণ করা।

গতকাল সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সি ব্লকের অধ্যাপক সামাদ সেমিনার হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের নিয়ে চালুকৃত গবেষণা ইউনিটের শুভ উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া।

প্রধান গবেষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অ্যানেসথেশিয়া বিভাগের অধ্যাপক ডা. একেএম আখতারুজ্জামান। গবেষকদের মধ্যে আরও রয়েছেন- অধ্যাপক ডা. মুজিবুর রহমান, অধ্যাপক কেয়ার লিউস, ডা. রিজ থমাস, ডা. সোহেল মুসা মিঠু।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোজাফফর আহমেদ, অ্যানেসথেশিয়া বিভাগের অধ্যাপক ডা. দেবব্রত বনিক, অধ্যাপক ডা. দেবাশিস বনিক, অধ্যাপক ডা. একে কামরুল হুদা প্রমুখ।

গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি অনুদান হিসেবে প্রদান করেছে যুক্তরাজ্যের ওয়েল গভর্নমেন্ট। বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডন, ইউকে; বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশি বংশদ্ভূত ব্রিটিশ চিকিৎসক ইত্যাদি।

উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেছেন, গত ৪ জুলাই ৩৭০ শয্যার করোনা সেন্টার চালু করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৭৫৮ জন রোগী চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়েছে।

ফিভার ক্লিনিকে গত ২৯ জুলাই পর্যন্ত ৩০ হাজার ৬৩১ জন রোগীকে সেবা প্রদান করা হয়েছে এবং বেতার ভবনে চালুকৃত করোনাভাইরাস ল্যাবরেটরিতে এ পর্যন্ত ৩৭২৪০ জন রোগীর স্যাম্পল সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়েছে। রোগীদের সুবিধার্থে বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ চালু রাখার পাশাপাশি হেলথ লাইন, বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন চালু করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও প্রধান গবেষক অ্যানেসথেশিয়া বিভাগের অধ্যাপক ডা. একেএম আখতারুজ্জামান বলেছেন, সিটেক্স ডব্লিউজি সেভেন সিপাপ ডিভাইস নতুন ধরনের মেশিন বা যন্ত্র যা কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত রোগীদের থেকে করোনাভাইরাস বাইরে বের হওয়া কমিয়ে দিবে। এই যন্ত্রে কয়েকটি ফিল্টার ব্যবহার করা হয়েছে। গবেষণার মাধ্যমে এর কার্যকারিতার বিষয়ে যথাযথ ফলাফল জানা যাবে।