menu

আইনজীবীর করোনা নমুনা পরীক্ষায় ভুল রিপোর্ট

প্রতারণা ও ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ

সংবাদ :
  • চট্টগ্রাম ব্যুরো
  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৮ এপ্রিল ২০২১

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তারের কোভিড-১৯ রিপোর্ট ভুল দেয়ায় মানসিক হয়রানি ও ক্ষতিপূরণের জন্য নমুনা সংগ্রহকারী হাসপাতালকে উকিল নোটিশ দেয়া হয়েছে। অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তারের পক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আহসানুল হক হেনা ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণে গতকাল ঢাকার বনানীর প্রভা হেলথ অ্যান্ড ডায়াগনস্টিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ওই ডায়াগনস্টিকের রিপোর্ট প্রস্তুতকারী ডা. জাহেদ হোসাইন ও ওই ডায়াগনস্টিকের জুনিয়র সাইনটিফিক অফিসার রেজোয়ান আল রিমনকে এই নোটিশ প্রেরণ করেন।

নোটিশে উল্লেখ রয়েছে, অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার হার্টের সমস্যার কারণে চট্টগ্রামের চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ঢাকায় এনজিওগ্রাম করতে গেলে জানতে পারেন কোভিড-১৯ টেস্ট ব্যতিত এনজিওগ্রাম করা সম্ভব নয়। তাই তিনি বনানীর প্রভা হেলথ অ্যান্ড ডায়াগনস্টিকের অধীনে মিরপুরের কালেকশন সেন্টারে বিগত ২০ মার্চ বিকেল চারটায় নমুনা প্রদান করেন এবং ২১ মার্চ কোভিড-পজিটিভ রিপোর্ট দেয়া হয়। ওই দিন নমুনা পরীক্ষা করা হলেও রিপোর্ট উল্লেখ রয়েছে রিপোর্ট কালেকশন ২১ মার্চ বেলা দেড়টায়। এতে অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তারের সন্দেহ হয়। ওই রিপোর্ট আসার পর তার পরিবার-পরিজন নিয়ে বিপদগ্রস্ত ও আতঙ্ক হয়ে পড়েন।

কোভিডের কোন লক্ষণ দেখা না গেলেও ওই ডায়াগনস্টিকের রিপোর্ট সন্দেহ হওয়ায় পুনরায় ঢাকার এএমজেড হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষা করান। যাতে নেগেটিভ আসে। এতে প্রমাণ হয় নমুনা সংগ্রহ অনুযায়ী ওই ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট প্রদান করেনি। এছাড়া নমুনা পরীক্ষায় বনানীর প্রভা হেলথ অ্যান্ড ডায়াগনস্টিকের বিকাশ অ্যাকাউন্টে ৩৪শ’৭৫ টাকা প্রদান করা হয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ রয়েছে। পরে অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার আরও জানতে পারেন, এভাবে ওই ডায়াগনস্টিক মানুষের সঙ্গে এমন প্রতারণা করেছেন। ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভুল রিপোর্ট প্রদান করে অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তারের সঙ্গে

প্রতারণা করেছেন।