menu

মন্ত্রিসভায়

নৌপরিবহন করপোরেশন আইন অনুমোদন

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • ঢাকা , মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ বাড়িয়ে ‘বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন আইন-২০১৯’ (বিআইডব্লিউটিসি)-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এতদিন ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ বলে এটি চলছিল। তবে ১৯৭৬ ও ১৯৭৯ সালে দু’বার সংশোধন করা হয়েছিল। আইনটি পাকিস্তান আমল থেকে শুরু হয়ে এখন পর্যন্ত আছে। আইনটি সামরিক আমলের হওয়ায় আপডেট করে বাংলায় করার সিদ্ধান্তে নতুন আইনটি করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গতকাল তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। এই আইনে আগে অনুমোদিত মূলধন মাত্র ৫ কোটি টাকা ছিল উল্লেখ করে সচিব বলেন, ‘এখন হবে ৫০০ কোটি টাকা। সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে যে অর্থ যোগান দেয়া হবে সেটিই পরিশোধিত মূলধন। এখন সেটা বাড়তে বাড়তে ৪৫ কোটি টাকায় এসে থেকেছে। পরিশোধিত মূলধনের বিষয়ে একটি পর্যবেক্ষণ আছে যে, আল্টিমেটলি সরকার এটা যোগান দিয়ে ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করবে।’

তিনি আরও জানান, করপোরেশনের পরিচালনা পর্ষদ আগের মতোই একজন চেয়ারম্যান ও চারজন পরিচালক নিয়ে গঠিত হবে। এখন সঙ্গে আরেকজন খন্ডকালীন পরিচালক যুক্ত হবেন, যিনি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব হবেন। সভায় চেয়ারম্যানসহ তিনজন থাকলে কোরাম হবে। এছাড়া আইনে বার্ষিক প্রতিবেদন দেয়ার বিধান যুক্ত করা হয়েছে, যা পরবর্তী অর্থবছর শেষ হওয়ার ৬ মাস আগেই প্রণয়ন করতে হবে।

করপোরেশনের পাওনা আদায়ের জন্য নতুন ব্যবস্থাপনার কথা বলা হয়েছে জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, ‘আগে কোন সুনির্দিষ্ট বিধান ছিল না। এখন বলা হয়েছে, করপোরেশনের যদি কোন পাওনা থাকে তবে সেটা ১৯১৩ সালের সরকারি পাওনা আদায় আইন অনুযায়ী আদায়যোগ্য হবে। করপোরেশনের চেয়ারম্যান, পরিচালক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোন লিগ্যাল স্ট্যাটাস দেয়া ছিল না যে তারা কীভাবে গণ্য হবেন। এখন বলা হয়েছে, তারা পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে বা জনসেবক হিসেবে গণ্য হবেন।’