menu

‘যুদ্ধ ছাড়াই কাশ্মীর সমস্যার সমাধান রয়েছে ভারত-পাকিস্তানের’

  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮
image

ইমরান খান

দিল্লি ও ইসলামাবাদের কাছে যুদ্ধ ছাড়াই কাশ্মীর সমস্যার তিন থেকে চারটি সমাধান রয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ির সঙ্গে একটি পুরনো আলোচনার সূত্র ধরে এমন মন্তব্য করেন তিনি। গত মঙ্গলবার ইসলামাবাদে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে সাংবাদিকদের উদ্দেশে এ মন্তব্য করেন ইমরান।

সাক্ষাৎকারে ইমরান দাবি করেন, পুরোনো ওই আলোচনার সময় ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ি তাকে বলেন, ২০০৪ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি (ভারতীয় জনতা পার্টি) না হারলে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান হয়ে যেত। ইমরানের মন্তব্য, ‘অটল বিহারি বাজপেয়ি প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিল দুই দেশ।’ যুদ্ধ নয়, আলোচনার ভিত্তিতেই কাশ্মীর সমস্যার সমাধান আছে বলে সে সময় তাকে জানান অটল বিহারী বাজপেয়ি। তার সেই আলোচনার সময় বাজপেয়ির সঙ্গে ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী নটবর সিংও উপস্থিত বলে জানিয়েছেন ইমরান। তবে সেই সমাধানের পথ কী ছিল, এদিন তা স্পষ্ট করে জানাননি প্রধানমন্ত্রী ইমরান। সাংবাদিকরা এ নিয়ে তাকে প্রশ্ন করলে জবাবে তিনি বলেন, ‘সে কথা বলার সময় এখনও আসেনি।’ তবে এ সময় ভারতের সঙ্গে যুদ্ধের সম্ভাবনার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে ইমরান বলেন, দুটি পরমাণু অস্ত্রধর দেশ যুদ্ধে নামলে যে ক্ষয়ক্ষতি হবে, সে ভয়াবহতার কথা মাথায় রেখেই ভারত এবং পাকিস্তান যুদ্ধ করবে না। পাকিস্তান বার বার আলোচনার আহ্বান জানালেও ভারত কেন সেই ডাকে সাড়া দিচ্ছে না- এদিন এমন প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তার দাবি, ‘আগামী ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই আলোচনায় বসতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না নয়াদিল্লি।’ পাকিস্তান সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে বিভিন্ন সময় উৎসাহ দেখালেও ইসলামাবাদের সেনাবাহিনীর আপত্তির কারণে সে শান্তি প্রক্রিয়া অনেক সময়ই ভেস্তে গেছে। সে প্রসঙ্গ টেনে মঙ্গলবার ইমরান বলেন, ‘পাকিস্তানি সেনা ও তিনি একই জায়গায় অবস্থান করছেন। আমার সব ধরনের সিদ্ধান্তে সেনাবাহিনীর সমর্থন রয়েছে।’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসে মদত দেয়ার অভিযোগ এনে সমস্ত রকম আলোচনার রাস্তা বন্ধ করেছে ভারত। সন্ত্রাস ও আলোচনা এক সঙ্গে চলতে পারে না, ইসলামাবাদকে এ কথা বার বারই জানিয়েছে নয়াদিল্লি।