menu

মহামারীতে

বিশ্ব পর্যটন খাতের ক্ষতি ৩২ হাজার কোটি ডলার

  • ঢাকা , শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২০
image

কোভিড-১৯ কারণে দর্শনার্থী শূন্য পর্যটন কেন্দ্র -সিএএন

কোভিড-১৯ মহামারীর প্রথম ৫ মাসেই বিশ্বের পর্যটন খাত ৩২ হাজার কোটি ডলার আয় হারিয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থা (ইউএনডব্লিউটিও)। এক প্রতিবেদনে তারা বলেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে পর্যটন খাতের যে ক্ষতি হয়েছে, তা ২০০৯ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের ক্ষতির তিনগুণ। সিএনএন।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের এক প্রতিবেদনে গতকাল ২৯ জুলাই প্রকাশিত সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশে দেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ও বিধিনিষেধের কারণে ৫ মাসে বিশ্বজুড়ে পর্যটকের সংখ্যা কমে মাত্র ৩০ কোটিতে এসে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয়েছে। পর্যটকের এ সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৬ শতাংশ কম। সাম্প্রতিক এ তথ্য পর্যটন খাতকে যত দ্রুত সম্ভব পুনরায় সচল এবং যতখানি নিরাপদ করা যায় তার গুরুত্ব স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে, বলেছেন ইউএনডব্লিউটিওর মহাপরিচালক জুরাব ‘পললিকাশভিলি’। পর্যটন খাতের অচলাবস্থা লাখ লাখ মানুষকে বিপাকে ফেলেছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক পর্যটনে যে নাটকীয় ধস নেমেছে তা উন্নয়নশীল দেশগুলোসহ বিশ্বের লাখ লাখ মানুষের জীবনধারাকে ঝুঁকিতে ফেলেছে, বলে তিনি আরও জানান। এছাড়া অন্যান্য দেশের মতো তিউনিসিয়ার পর্যটন খাত সেক্টরটি উল্লেখযোগ্য। দেশটির এ খাত পুনরায় চালু করার দ্রুত পুনরুদ্ধারের আশা করছে তিউনিস সরকার। অপরদিকে তিউনিসিয়ার অর্থনীতি ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে লকডাউনের পরে রেস্তোরাঁ, ব্যবসা এবং হোটেলগুলোত দর্শকদের প্রত্যাবর্তনের জন্য পর্যটন খাতের গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরগুলোতে ধস নেমেছে। তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রী এনাহধা এক বিবৃতিতে বলেছেন, রাজধানী তিউনিসের ঐতিহাসিক প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত তাম্রশিল্পে কোভিডের প্রাদুর্ভাব সম্প্রতি খুব কঠিন সময় পার করছে। আমরা আবার তাম্রশিল্প-কারখানা খোলার পরেও শিল্পকলার কাজগুলো এগোচ্ছে না। পর্যটকদের জন্য কাজ করছি যারা এখনও এদেশে আসতেই পারছে না। চাউচির দোকানটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী তিউনিসের পুরাতন মদিনায় রয়েছে যা দর্শনীয় স্থান এবং স্থানীয় কারুশিল্প হিসেবে উল্লেখযোগ্য। এছাড়া রান্নায় সমৃদ্ধ নমুনা দেখার জন্যও দর্শনার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। অথচ এ অঞ্চলটিতে সাধারণত লোকদের ভিড়ে উপচে পড়ে। পাঁচ বছর আগে, বন্দুকধারীরা সউস শহরের কাছে একটি বিচ রিসোর্টে ৩৮ ইউরোপীয় পর্যটককে হত্যা করেছিল- এমন একটি আক্রমণ যা পর্যটন খাতকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করেছিল। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকলিত তথ্য অনুসারে, তিউনিসিয়ায় করোনাভাইরাসে ১১১৬৪ আক্রান্ত ও ৫০ জন মারা গেছেন। সরকারি কর্মকর্তারা স্থলবন্দর, সমুদ্রসীমা পুনরায় খোলার জন্য ২০ জুন তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন।