menu

কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের পাশে থাকবে চীন

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
  • ঢাকা , রবিবার, ১১ আগস্ট ২০১৯
image

জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা রদে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন। গত শুক্রবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি সঙ্গে চীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর জরুরি বৈঠক শেষে এক বিবৃতিতে বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। গত শুক্রবার কাশ্মীর ইস্যুতে আলোচনা করতে চীন সফরে যান কোরেশি। এরপরই বেইজিংয়ে দুই নেতার মধ্যে এ বৈঠক হয়। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকের পর এক ভিডিও বিবৃতিতে পাকিস্তানের কোরেশি বলেন, চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী আড়াই ঘণ্টার ওই বৈঠককে দরকারি ও সময়োপযোগী বলে অভিহিত করেছেন । দেশটি কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের অবস্থানকে পুরোপুরি সমর্থন জানিয়েছে। কারফিউ পরিস্থিতির পর কাশ্মীরে নতুন পর্যায়ে নিপীড়ন ও বর্বরতা চাপিয়ে দেয়া হবে। এটি শুধু মানবাধিকার লঙ্ঘনই নয় বরং আরও রক্তপাতের দিকে ধাবিত হবে বলে পাকিস্তানের আশঙ্কা। চীনকে এ উদ্বেগের কথা অবহিত করা হয় বলে জানান কোরেশি। তিনি আরো বলেন, ঘটনার মোড় অন্য দিকে ঘোরাতে (ভারত) পুলওয়ামার মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে, চীনকে সে আশঙ্কার কথাও জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে দুই দেশের মন্ত্রণালয় পারস্পরিক যোগাযোগ রক্ষা করবে যাতে করে যৌথ পদক্ষেপ নেয়া যায়। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যম জানায়, কাশ্মীর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পাকিস্তানের পাশে থাকবে চীন। এটি নিয়ে পাকিস্তান জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাতেও চীন নিজের সমর্থন রয়েছে। কাশ্মীর প্রশ্নে পাকিস্তানের ‘বৈধ অধিকার ও স্বার্থ’র প্রতি চীন তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে। সম্প্রতি কাশ্মীরে উত্তেজনা বৃদ্ধিতে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়। চীন জানায়, তারা মনে করে, কাশ্মীর বিষয়ে একপাক্ষিক পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়া উচিত নয়। ভারত ও পাকিস্তানকে ঐতিহাসিক বিদ্বেষ কাটিয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান জানায় তারা। কাশ্মীরের বিষয়টি জাতিসংঘ সনদ, নিরাপত্তা পরিষদের বিধি ও দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুসারে সুরাহা হওয়া উচিত বলে অভিমত তাদের।