menu

কারবালায় পদদলিত নিহত ৩১

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯
image

কারবালায় তাজিয়া মিছিলে পদদলিত এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে নিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধর কর্মীরা -রয়টার্স

আশুরার দিনে ইরাকের কারবালায় তাজিয়া মিছিলের সময় ইমাম হোসেন (রা.)-এর মাজারের কাছে পদদলিত হয়ে কমপক্ষে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইরাকের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইফ আল-বদর জানিয়েছে, মঙ্গলবার এ ঘটনায় আরও শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বরাতে এ তথ্য জানা যায়।

আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, হাজার হাজার মানুষ তাজিয়া মিছিল নিয়ে ইমাম হোসেন (রা.)-এর মাজারের দিকে যাওয়ার সময় একটি ওয়াকওয়ে ধসে পড়লে আতঙ্ক তৈরি হয়। এ সময় ছোটাছুটি শুরু হলে পদদলনের দুর্ঘটনা ঘটে। হিজরি ৬১তম বর্ষের (৬৮০ খ্রিস্টাব্দ) ১০ মহররম মুসলমানদের শেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসেন (রা.) ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে খলিফা ইয়াজিদের বাহিনীর হাতে শহীদ হন। মুসলমানদের শিয়া ও সুন্নি মতবাদে বিভক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে ওই ঘটনা বড় ভূমিকা রাখে। ইমাম হোসেনের মৃত্যুর দিনটি মুসলিম বিশ্বে ত্যাগ ও শোকের প্রতীক। বিশেষ করে শিয়া মুসলমানরা ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করেন। আশুরার দিনে লাখো মানুষ তাজিয়া মিছিল নিয়ে সমবেত হন কারবালায় ইমাম হোসেনের সমাধি প্রাঙ্গণে। মাজার কর্তৃপক্ষের বরাতে আল-জাজিরা জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার কমপক্ষে ৩০ লাখ মানুষ এ শোকের মিছিলে সমবেত হয়েছিলেন।

বার্তা সংস্থা দ্য ন্যাশনালের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়াজিদের বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধের সময় ইমাম হোসেনকে বাঁচাতে কাছের একটি গ্রাম থেকে দৌড়ে গিয়েছিলেন তার সৎ ভাই আল আব্বাস। কিন্তু ততক্ষণে নিহত হন হোসেন। সেই ঘটনার স্মরণে আশুরার দিন দুপুরে প্রায় দুই কিলোমিটার পথ দৌড়ে ইমাম হোসেনের কবরে পৌঁছান তাজিয়া মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা। মঙ্গলবার সেই দৌড়ের মধ্যেই অতিরিক্ত ভিড়ে ধাক্কাধাক্কিতে পদদলনের ঘটনা ঘটে বলে কারবালার নিরাপত্তা রক্ষীরা জানান।