menu

সাজা ভোগ করা ভুল আসামিকে মুক্তির নির্দেশ

ওসিসহ ৬ পুলিশকে শোকজ

সংবাদ :
  • আদালত বার্তা পরিবেশক
  • ঢাকা , মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

যৌতুক আইনের এক মামলায় ৩৩ দিন সাজা ভোগ করার পর নির্দোষ জামসু মিয়াকে কারামুক্তির আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মাদ মিল্লাত হোসেন এ আদেশ দেন। কারাগারে থাকা ভুল আসামি মো. জামসু মিয়া কিশোরগঞ্জের ইটনা থানার উদিয়ারপাড়ার (স্কুলপাড়া) সিরাজুল হকের ছেলে।

এদিকে ভুল আসামি জামসু মিয়াকে গ্রেফতারে জন্য কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে নাÑ সে বিষয়ে কিশোরগঞ্জের ইটনা থানার ওসি মোহাম্মাদ মোর্শেদ জামান, পরোয়ানা তামিলকারী এসআই শামছুল হাবীব, এসআই ফারুক আহমেদ, তিন এএসআই আবদুল হালিম, উজ্জ্বল ও আজিজুলকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর আগে শুনানিকালে গতকাল আদালতে মামলার বাদী মাহুরা খাতুন উপস্থিত হন। এ সময় তিনি শনাক্ত করে গ্রেফতার করা কারাবন্দী আসামি মো. জামসু মিয়া তার স্বামী নন বলে আদালতকে জানান। তিনি আরও জানান, মামলার পর জামিন পেয়ে তার স্বামী (প্রকৃত আসামি) ২০১৬ সালে মরিশাস পালিয়ে যান। এখনো তিনি সেখানেই আছেন। এর আগে শুধু নামের মিল থাকায় জামসু মিয়াকে গত ৭ আগস্ট গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে জমসু মিয়ার আইনজীবীরা আদালতকে জানান, সাজা পরোয়ানা যাচাই-বাছাই না করেই শুধু নামের মিল থাকায় জামসুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাই গ্রেফতারকৃত আসামিকে জামিনে মুক্তি দিয়ে প্রকৃত আসমিকে গ্রেফতার কারা হোক।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে করা যৌতুক আইনের এক মামলায় গত ৫ ফেব্রুয়ারি আসামির অনুপস্থিতিতে এক বছর তিন মাসের কারাদন্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানার রায় ঘোষণা করেন বিচারক। পরে কিশোরগঞ্জের ইটনা থানার ইটনা গ্রামের মো. সিরাজ মিয়ার ছেলে মো. জামসু মিয়ার (সাগর) বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে মো. জামসু মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ কিশোরগঞ্জের বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে নিয়মানুযায়ী ঢাকার আদালতে আবেদন করা হয়।