menu

খালেদার মুক্তি আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ফখরুলের

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

বেগম খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ উল্লেখ করে সরকারের বিরুদ্ধে সামনে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনে এ ডাক দেন তিনি।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, জ্যেষ্ঠ নেতা অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আজম খান, জয়নুল আবদিন ফারুক, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, হাবিবুর রহমান হাবিব, মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আজকে ঐক্যবদ্ধ হই দলমত নির্বিশেষে, সব দল মিলে আমাদের স্বার্থরক্ষার জন্য, আমাদের অধিকার ফিরে পাবার জন্য। স্বাধীনতার চেতনাকে সমুন্নত রাখতে আজকে ঐক্যবদ্ধ হই। সামনের দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন তৈরি করে এই দানব সরকারকে পরাজিত করতে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ।

ফখরুল বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ, তার ডায়াবেটিস অত্যন্ত বেড়ে গেছে, আর্থারাইটিস বেড়ে গেছে, ঘাড়ের ব্যথা বেড়ে গেছে। তিনি কারও সাহায্য ছাড়া হাঁটতে পারেন না, চলতে পারেন না। হুইল চেয়ার চলতে হচ্ছে তাকে। এই সরকার এবং তার কর্মকর্তারা আছেন, পিজির (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষ আছেন, তারা বলছেন যে, তিনি (খালেদা) নাকি সুস্থ রয়েছেন। তিনি একেবারেই সুস্থ নন। আজকে অসুস্থ অবস্থায় তিনি কারারুদ্ধ হয়ে দিনাতিপাত করছেন। আমরা অবিলম্বে অসুস্থ নেত্রীর সুচিকিৎসার জন্য মুক্তি দাবি করছি।

তিনি বলেন, সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান হচ্ছে না। আজকে তারা বাংলাদেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিচ্ছে। তারা রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান করতে পারছে না। কারণ তাদের সেই বৈধতা নাই, সেই সাহস নাই। তাদের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করতে পারছে না। দুই বছরে একজন রোহিঙ্গাকেও তারা ফেরত পাঠাতে পারে নাই।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আরেকদিকে পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশি বন্ধুদেশের আসামের মন্ত্রী-নেতারা হুমকি দিচ্ছেন, বাংলাদেশি যারা অনুপ্রবেশকারী, তাদেরকে তারা ঠেলে ফেরত পাঠাবে। আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, কোন বাংলাদেশি কখনও ভারতে যায় নাই স্বাধীনতার পরে। আজকে গভীর চক্রান্ত শুরু হয়েছে বাংলাদেশকে আবার বিপদগ্রস্ত করার জন্য, আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার জন্য।