menu

কেরানীগঞ্জের কারাগারে আদালত : গ্যাটকো মামলার শুনানি শুরু

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলে খালেদাকে স্থানান্তর করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, কেরানীগঞ্জ (ঢাকা)
  • ঢাকা , বুধবার, ১৫ মে ২০১৯

ঢাকার কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের পাশে একটি ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গ্যাটকো মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১১টায় এই মামলার শুনানি শুরু করা হয়। ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কারাগার থেকে কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের পাশে একটি ভবনে এই অস্থায়ী আদালত স্থানান্তর করা হয়। অস্থায়ী আদালত সূত্রে জানা গেছে, গ্যাটকো মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ মোট আসামি ২৪ জন। তাদের মধ্যে ৭ আসামি ইতোমধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন। বাকি ১৭ জনের মধ্যে মামলার প্রধান আসামি খালেদা জিয়া ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, লুৎফুল কবীর, কমডোর জুলফিকার আলী, এসএম শাহাদাৎ হোসেন, এএম সানোয়ার হোসেন, ইসমাইল হোসেন সায়মন, সৈয়দ গালিব আহমেদ, সৈয়দ তানভির আহমেদ, একেএম মুসা কাজল, জাহানারা আকবর, এহসান ইউসুফ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ, একেএম মোশারফ হোসেন, একেএম রশিদ উদ্দিন আহমেদ, শাহজাহান এম হাসিব ও জুলফিকার হায়দার চৌধুরীসহ ১৬ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আসামিপক্ষে আইনজীবীদের নেতৃত্ব দেন ব্যারিস্টার মাসুদ রানা ও রাষ্ট্রপক্ষে দুদুকের আইনজীবী ছিলেন মোশারফ হোসেন কাজল। মঙ্গলবার মামলার চার্জ গঠনের তারিখ ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। এ জন্য তার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাসুদ রানার নেতৃত্বে আদালতের কাছে সময়ের আবেদন করলে উভয়পক্ষের আইনজীবীদের শুনানি শেষে আদালত মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ১৮ মে ধার্য করেন। মামলার বিচারক ছিলেন বিচারপতি আবু সৈয়দ দিলজার হোসেন। গত সোমবার একটি গেজেট প্রকাশের পর ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কারাগার থেকে কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের পাশে একটি ভবনে এই অস্থায়ী আদালত স্থানান্তর করা হয়।

খালেদাকে কেরানীগঞ্জে স্থানান্তর করা হবে

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জমান খাঁন কামাল বলেছেন, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হবে। এছাড়া তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার সব চেষ্টাই সরকার করছে। সময়মতো একটি সুসংবাদ পেলেও পেতে পারেন বলে জানান তিনি। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুরনো জেলখানায় যেখানে খালেদা জিয়াকে রাখা হয়েছে, ওই ভবনটি সংস্কার করা হবে। কেরানীগঞ্জ কারাগারে মহিলা বন্দিদের রাখার জন্য যে ওয়ার্ড, সেটি প্রস্তুত ছিল না। এ কারণেই তাকে এতদিন পুরনো জেলখানায় রাখা হয়েছে। কেরানীগঞ্জের মহিলা কারাগার এখন প্রস্তুত। কাজেই তাকে এখন সেখানে রাখা যাবে। তিনি বলেন, দক্ষিণখানে মা-ছেলে-মেয়ে হত্যাকান্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে এখনও এ হত্যাকান্ডের ক্লু খুঁজে পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত শেষে এই হত্যাকান্ডের রহস্য জানা যাবে।