menu

তারেকের দণ্ড

আপিলের সিদ্ধান্ত রায় পর্যালোচনার পর

অ্যাটর্নি জেনারেল

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • ঢাকা , শুক্রবার, ১২ অক্টোবর ২০১৮

রায় পর্যালোচনা করে গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদ-প্রাপ্ত তারেক রহমানের দণ্ড বৃদ্ধির আপিল করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। গতকাল সুপ্রিম কোর্টের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘এ মামলায় তারেক রহমানকে যদি নাটের গুরু বলা হয়ে থাকে, তবে সেটা রায় পর্যালোচনা করে দেখব। রায় পড়ে যদি দেখি তারও মৃত্যুদ- হওয়া উচিত ছিল, তবে তার দ- বৃদ্ধিতে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আপিল করব। কিন্তু সবটাই নির্ভর করবে রায়টি পড়ার পর।’ তবে এই মামলায় যাবজ্জীবন কারাদ- হওয়ায় তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কষ্ট হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মাহবুবে আলম বলেন, ‘মৃত্যুদ- হলে বিদেশে পলিটিক্যাল অ্যাসাইলাম (রাজনৈতিক আশ্রয়) দেয়া হয়। তবে তারেক রহমানের তো যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন অপরাধীকে আশ্রয় দেয়া সমর্থন করে না। তাই তাকে ফিরিয়ে আনতে কষ্ট হবে না।’

গ্রেনেড হামলা মামলার রায় প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ‘এই মামলায় একজন পাকিস্তানি নাগরিকেরও সাজা হয়েছে। এখানে আমরা অনুমান করছি বাংলাদেশের ক্ষতি করতে, নেতৃত্বশূন্য করতে পাকিস্তান এখনও নিবৃত্ত হয়নি। পাকিস্তান এরই মধ্যে সন্ত্রাসবাদে জড়িয়ে পড়েছে। আমরা সেক্ষেত্রে জেএমবিসহ জঙ্গিদের দমন করতে সফল হয়েছি। সাজাপ্রাপ্ত ওই পাকিস্তানি নাগরিকের বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। দেশটিকে অস্থিতিশীল করতে পাকিস্তানের ইন্ধন থাকতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘জুলফিকার আলী ভুট্টো নিজে খুন করেননি কিন্তু খুন করিয়েছেন, সেজন্যও তার ফাঁসি হয়েছে। তাই আমারও মনে হয় তারেকের অন্যদের মতো ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল। আজকের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এসেছে রাষ্ট্রীয় সমর্থন, প্ররোচনা ও অর্থায়নে এসব কাজ করেছে সাজাপ্রাপ্তরা।’

গ্রেনেড হামলা মামলার মৃত্যুদ-প্রাপ্তদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, রায়ে যাদের মৃত্যুদ- হয়েছে তাদের আদালত থেকে বিনা খরচে রায়ের কপি দেয়া হয়। আর তারা যদি আপিল করেন তবে সেটা ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে আসবে। সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষ যত দ্রুত সম্ভব শুনানির জন্য পদক্ষেপ নেবে। তবে এটাতে পেপারবুক তৈরির বিষয় রয়েছে, সেগুলো আদালতের বিষয়। মামলার আপিল শুনানিতে আমাদের পদক্ষেপগুলো আমরা নেবো।