menu

রং মিস্ত্রিরির জীবন নিয়ে ‘রং’

সংবাদ :
  • বিনোদন প্রতিবেদক
  • ঢাকা , বুধবার, ১৫ মে ২০১৯
image

সম্প্রতি রং নামের একটি নাটক নির্মাণ করলেন ‘ফেরারি অমিত’। নাটকটির পান্ডুলিপি তৈরি করেছেন কুমার অরবিন্দ। ঢকার মোহম্মদপুরে শেখের টেক ও নবোদয় হাউজিংয়ে এর চিত্রধারণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। রং মিস্ত্রির জীবনকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে নাটকটি। নাটকে অভিনয় করেছেন ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, শতাব্দী ওয়াদুদ, শেলী আহসান, এ কে আজাদ সেতু।

পরিচারখ ফেরারী অমিত বলেন, ‘গতানুগতিকের বাইর একটি কাজ করার চেষ্টা করেছি, রংমিস্ত্রিদের জীবনকে কেন্দ্র করে কখনো নাটক চোখে পরেনি। নাট্যকার কুমার অরবিন্দ চমৎকার একটা গল্প আমাকে দিয়েছেন, আমি সাধ্যমতো চেষ্টাকরেছি তার ভাবনাকে ক্যামেরার ভাষায় ফুটিয়ে তুলতে। আশা করছি দর্শকদের ভাল লাগবে নাটকটি।’

নাটকের গল্পে দেখা যাবে, রতন রং মিস্ত্রির কাজ করত। কাজ করতে গিয়ে মাস দেড়েক আগে দুইতলা থেকে পরে যায়। এতে সে কোমরে প্রচন্ড আঘাত পায় এবং কোনো কাজ করতে পারে না। ডাক্তার দেখাতে আর ওষুধ কিনতে জমানো যা ছিল তা শেষ হয়ে যায় কিছুদিনের মধ্যেই। বাসা ভাড়া দেয়া, সংসার খরচ চালানোর চিন্তা ছাড়াও স্বামীর চিকিৎসার কথা ভেবে অস্থির হয়ে পড়ে তার স্ত্রী।

অবশেষে অন্যদের বাসায় বুয়ার কাজ নেয়। বীণা কাজে বের হলে রতনের ভালো লাগে না। কারণ শহরের মানুষগুলো বুয়ার সঙ্গে কেমন ব্যবহার করে তা সে জানে। বউকে তার সন্দেহ হয়। তার এই অক্ষ্মতার সুযোগ নিয়ে বউ কারো সঙ্গে অন্যরকম স¤পর্কে জড়িয়ে পড়তে পারে। সে বউকে কাজ ছেড়ে দিতে বলে। সে কাজের খোঁজে বের হয়। কিন্তু তাকে কাজ দেবে কে? কিছুক্ষণ রাস্তায় ঘুরে বাসায় ফিরে সে। তার অসুখ বাড়ে, জ্বর আসে। সুখের দিনগুলোর সঙ্গে, বর্তমান সময়ের দিনগুলো মিলিয়ে নিজের ওপর প্রচন্ড ঘৃণা জমে রতনের। সে রান্নাঘরে গিয়ে একটা চাকু ঢুকিয়ে দেয় পেটের মধ্যে। বীণা ওষুধ কিনে ফেরে কিচ্ছুক্ষন পর। ঘরে ঢুকে রতনের রক্তাক্ত দেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার করে ওঠে। রতনের মাথা কোলে নিয়ে কান্না করতে করতে জানায় তার পেটে বাচ্চা আসছে।