menu

৭ জেলায় নতুন শনাক্ত ১১৬

  • ঢাকা , বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০

গোপালগঞ্জে ৩২

প্রতিনিধি, গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ নার্সসহ নতুন করে আরও ৩২ জনের শরীরে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে গোপালগঞ্জে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৬২ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮ জন সুস্থ হয়েছেন।

এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৭০ জন। জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩৭৮ জন। গোপালগঞ্জ সদর, কোটালিপাড়া মুকসুদপুর, কাশিয়ানী ও টুঙ্গিপাড়ায় মারা গেছেন ১৪ জন। গত মঙ্গলবার সকালে গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ এ তথ্য জানান।

তিনি আরও জানান, নতুন করে গত ২৪ ঘণ্টায় গোপালগঞ্জ সদরে ১৫ জন, মুকসুদপুরে ২ জন, কাশিয়ানীতে ৫ জন, কোটালীপাড়ায় ১ জন ও টুঙ্গিপাড়ায় ৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

সিভিল সার্জন জানান, আক্রান্তদের বসতবাড়িসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি বাড়িঘর লকডাউন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আক্রান্তদের পরিবারের সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার পারমর্শ দেয়া হয়েছে।

তারাগঞ্জে ২৯

প্রতিনিধি, তারাগঞ্জ (রংপুর)

রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করোনা রোগ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে এ উপজেলায় মোট ২৯ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।

তবে এখন পর্যন্ত এ রোগে এ উপজেলায় মারা যায়নি কেউ। তারাগঞ্জ মেডিকেল কর্মকর্তা গোলাম মস্তোফা জামান চৌধুরী বলেন, করোনা রোগে যারা শনাক্ত হয়েছে তাদের নাম প্রকাশ করা যাবে না।

নাম প্রকাশ করলে এতে সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হতে পারে। তবে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান লিটনসহ ২৯জন করোনা রোগ শনাক্ত হয়েছে। বর্তমান ৮ জন আক্রান্ত রয়েছে, আর ২১ জনকে ছাড়পত্র দিয়েছি।

তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমিনুল ইসলাম বলেন, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মরত কর্মকর্তাসহ সাধারণ কৃষক পরিবারের সদস্যও এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত কেউ মারা যায়নি, তবে সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরছে ২১ জন।

ঝালকাঠিতে ১৪

জেলা বার্তা পরিবেশক, ঝালকাঠি

ঝালকাঠি জেলায় সোমবার রাত পর্যন্ত করোনাভাইরাসে ব্যাংক কর্মকর্তা ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীসহ ১৪ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। জেলায় এ পর্যন্ত ২৬৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মৃতের সংখ্যা ১ জন বেড়ে ১১ হয়েছে এবং হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় ১২৫ জন সুস্থ হয়েছে।

এ নিয়ে ঝালকাঠি জেলার ৪টি উপজেলার মধ্যে সদর উপজেলায় ৮৩ জন, নলছিটি উপজেলায় ৮০ জন, রাজাপুর উপজেলায় ৬৬ জন, ও কাঠালিয়া উপজেলায় ৩৪ জন। ঝালকাঠি জেলায় এ যাবত ১৭৮৭ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং এর মধ্যে ১৬১০ জনের রিপোর্ট এসেছে, এদের মধ্যে ২৬৩ জনের রিপোর্ট পজিটিভ ও ১৩৬১ জনের নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে।

জেলায় এ পর্যন্ত ১৩৬৬ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিল। তাদের মধ্যে ১৩২৮জন ছাড়পত্র নিয়ে চলে গেছে। হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ৩৮ জন। ঝালকাঠির সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. আবুয়াল হাসান এ তথ্য জানিয়েছেন।

গাইবান্ধায় ২০

প্রতিনিধি, গাইবান্ধা

গাইবান্ধায় করোনাভাইরাসে সংক্রমণের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে, তবে এরই মাঝে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিয়ে জেলায় সুস্থ হয়ে উঠছেন অনেকেই। গত ২৪ ঘণ্টায় সোমবার নতুন করে আরও ২০ জন সুস্থ হয়ে আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। করোনাকে জয় করে জেলায় এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৭১ জন। গাইবান্ধা সিভিল সার্জন ডা.এবিএম আবু হানিফ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গাইবান্ধা জেলায় আজ পর্যন্ত করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪১৮ জন। এরমধ্যে শুধুমাত্র গোবিন্দগঞ্জ উপজেলাতেই আক্রান্ত ১৮২ জন। জানা গেছে, এখন পর্যন্ত জেলায মোট ৯ জন করোনা আক্রান্তরোগী মারা গেছেন। এরমধ্যে গোবিন্দগঞ্জে ৪ জন, সদরে ১ জন, সাদুল্লাপুরে ১ জন, পলাশবাড়ীতে ৩ জন এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় আরও ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কিশোরগঞ্জে ১৫

জেলা বার্তা পরিবেশক, কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জে নতুন করে ১৫ জনের করোনা ধরা পড়েছে। সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন, সোমবার রাতে কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল হাসপাতাল ল্যাব থেকে পাওয়া ১৮৮টি নমুনার পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, সদর উপজেলায় ৯ জন, করিমগঞ্জে ৩ জন, ভৈরবে ২ জন ও নিকলীতে ১ জনের করোনা ধরা পড়েছে। এছাড়া পুরনো তিন রোগীর নমুনাও পুনরায় পজিটিভ হয়েছে। ফলে নেগেটিভ হয়েছে ১৭০টি নমুনা। এদিন সুস্থ হয়েছেন ৪৪ জন। এরা হলেন, বাজিতপুরে ১২ জন, কটিয়াদীতে ১০ জন, সদর উপজেলায় ৭ জন, তাড়াইলে ৬ জন, পাকুন্দিয়ায় ৫ জন, ভৈরবে ৩ জন ও হোসেনপুরে একজন। এদিন নিকলী ও বাজিতপুরে একজন করে মৃত্যুর খবরও রয়েছে।

দশমিনায় ৪

প্রতিনিধি, দশমিনা (পটুয়াখালী)

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় নতুন করে আবারও ৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোস্তাফিজুর রহমান গত মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের বড়গোপালদী গ্রামে অব.প্রাপ্ত একজন স্কুল শিক্ষকসহ তার পরিবারের আরও ৩ জন সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়। তিনি জানান, উপজেলায় ৪ জনসহ করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধ এড়াতে আক্রান্ত পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা হয়।

চুয়াডাঙ্গায় ২

প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গার ইসলামী ব্যাংকের মেসেঞ্জারসহ আরও ২ জন করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৫৮ জনে। চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত ৯টায় কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পিসিআর ল্যাব থেকে ৮ জনের ফলাফল আসে। এর মধ্যে ২ জনের দেহে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন ইসলামী ব্যাংকের মেসেঞ্জার পদে কর্মরত ও অপরজন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুঁকিয়া চাঁদপুরের বাসিন্দা । এরা ২ জনই পুরুষ ।