menu

৫শ’ ফুট রাস্তা জোয়ারে ডোবে ভাটায় ভাসে

দুর্ভোগে শত শত শিক্ষার্থী

সংবাদ :
  • মিলন কর্মকার রাজু, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
  • ঢাকা , বুধবার, ১৬ মে ২০১৮
image

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : জোয়ার এলে এভাবেই জলে ডুবে যায় ইটবাড়িয়ার কাঁচা রাস্তা -সংবাদ

মাত্র পাঁচশ ফুট কাঁচা রাস্তা। কিন্তু কয়েক যুগেও এই রাস্তায় এক টুকরো মাটি ফেলা হয়নি। নদীতে জোয়ার হলেই হাটু সমান পানিতে ডুবে থাকা রাস্তাটি। এ কারণে প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা। পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ইটবাড়িয়া-মাঝের খেয়াঘাট সংলগ্ন এ রাস্তাটি এখন শতশত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের কাছে আতংকের খেয়া ঘাট রাস্তায় পরিণত হয়েছে।

কলাপাড়ার অন্ধারমানিক নদের মাঝের খেয়াঘাট। এ খেয়া ঘাটের নদীর দক্ষিণ প্রান্তে মিঠাগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব মধুখালী সালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসা, পূর্ব মধুখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আরামগঞ্জ দাখিল মাদ্রাসা। নদীর উত্তর পাশের খেয়া ঘাটের কলাপাড়া অংশে রয়েছে মোজাহারউদ্দিন বিশ্বাস অনার্স কলেজ, খেপুপাড়া মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এ মাঝের খেযা পার হয়ে প্রতিদিন এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হচ্ছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের। কিন্তু ইটবাড়িয়া খেযা ঘাটের রাস্তাটি উঁচু না করায় নদীতে জোয়ার হলেই ২-৩ ফুট পানিতে তলিয়ে যায়। এতে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পূর্ব মধুখালী গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা জরুরি প্রয়োজনে অসুস্থ হয়ে পড়লে এ খেয়া পার হয়ে কলাপাড়া সদর হাসপাতালে আসতে হয়। তখন সীমাহীন দুর্ভোগে পড়ে রোগী ও তার স্বজনরা।

স্কুল শিক্ষার্থী নিতু জানায়, প্রতিদিনই ভিজে রাস্তা পার হতে হয়। কখনও কখনও কর্দমাক্ত রাস্তায় উঠতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে গিয়ে অনেকেই আহত হচ্ছে। সব রাস্তা পাকা, শুধু এখানেই কাঁদা, ডোবা। সব রাস্তা পাকা হয়, এই খেয়া ঘাটের রাস্তা কি আর পাকা হবে না।

খেয়া নৌকার মাঝি মো. মনির জানায়, প্রতিদিন কয়েকশ শিক্ষার্থী এই খেয়া পার হয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসা যাওয়া করে। কিন্তু ইটবাড়িয়া খেয়া ঘাটের রাস্তা নদীর পানিতে ডুবে কর্দমাক্ত হয়ে থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে শিক্ষার্থীরা। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছে রোগী ও নারী শিক্ষার্থীরা। কেকনা নদীতে জোয়ার হলেই হাঁটু সমান, কখনও বা কোমড় সমান পানিতে রাস্তা ডুবে থাকে।

একাধিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষক জানান, ঝড় হোক কিংবা বৃষ্টি তাদের এই খেয়া পার হয়েই স্কুল-কলেজে যেতে হচ্ছে। কিন্তু এই রাস্তাটুকু মেরামত না হওয়ায় নদীর পানিতে ডুবে থাকায় ভিজে, কর্দমাক্ত পায়ে যেতে হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। তারা জরুরি ভিত্তিতে এ সড়কটি মেরামতের দাবি জানান।