menu

১০৯ নম্বরে ফোন করে রক্ষা পেল বালিকাবধূ

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, দোহার (ঢাকা)
  • ঢাকা , শুক্রবার, ০৯ নভেম্বর ২০১৮

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় নারী ও শিশু সহায়তার জাতীয় হেল্পলাইন ১০৯ নম্বরে ফোন করে স্বামীর নির্যাতন থেকে রক্ষা পেল মাফিয়া আক্তার মিষ্টি নামে (১৪) এক স্কুলছাত্রী। নির্যাতনের অভিযোগে গত মঙ্গলবার বিকেলে মেয়েটির স্বামী মাসুদকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১ মাসের কারাদ- প্রদান করেন নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তোফাজ্জল হোসেন।

মাফিয়া আক্তার মিষ্টি নবাবগঞ্জ উপজেলার শিকারীপাড়া গ্রামের শেখ লতিফের মেয়ে এবং দাউদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী। আটককৃত মাসুদ মানিকগঞ্জের নুকুল মৃধার ছেলে। সে শিকারীপাড়া একটি ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করে।

মাফিয়া আক্তার মিষ্টি জানান, গত অক্টোবর মাসের ১০ তারিখে তার বাবা জোর করে মাসুদের সঙ্গে তার বিয়ে দিয়ে দেয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে শারীরিক নির্যাতন করতে থাকে। স্বামীর হাত থেকে রক্ষা পেতে গত রোববার সে বাবার বাড়িতে চলে আসে। পরের দিন সোমবার স্কুলে গিয়ে সহপাঠীদের বিষয়টি জানায়। মিষ্টি সহপাঠীদের পরামর্শে সোমবার বিকেলে নারী ও শিশু সহায়তার জাতীয় হেল্পলাইন ১০৯ নম্বরে ফোন করে নির্যাতনের বিষয়টি জানায়। মঙ্গলবার মিষ্টি ও তার বাবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেনের সঙ্গে দেখা করে সব তথ্য দিলে মাসুদকে আটক করে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাসুদকে এক মাসের কারাদ- প্রদান করেন।

দাউদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষা অনিল কুমার চক্রবর্তী বলেন, আমি মেয়েটির বাবাকে বাল্য বিবাহ দিতে নিষেধ করেছিলাম।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, সোমবার বিকেলে মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয় থেকে ফোন করে বিষয়টি আমাকে জানানো হয়। আমি দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করি এবং মঙ্গলবার মাসুদকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক মাসের কারাদ- প্রদান করা হয়।