menu

লোহাগাড়ায় বিচারাধীন পুকুরের মাছ ধরে নিলেন ইউএনও

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম)
  • ঢাকা , সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

লোহাগাড়া উপজেলার আধুগর মসজিদের সামনের খানদিঘীর প্রায় লাখ টাকার মাছ ধরে নিয়ে গেলেন লোহাগাড়া উপজেলার ইউএনও আবু আসলাম। দিন দুপুরে কাউকে না বলে মামলা চলাকালীন একটি পুকুর থেকে মাছ ধরে নিয়ে যাওয়ায় হতবাক এলাকাবাসী।

জানা গেছে, আধুনগর খানদীঘিটি আব্দুস সালাম, ডা. লোকমান মিয়া ও নুরুল আমিনের নামে সরকারি খতিয়ানে রেকর্ডভুক্ত। ২০০৫ সালে দীঘিটি খাস করার জন্য উক্ত খতিয়ানের মালিক ও ওয়ারিশগনকে বিবাদী করে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা করেন। মামলা চলাকালীন অবস্থায় বিবাদীগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলাটি ২০১৭ সালে উচ্চ আদালতে স্থানান্তর হয়। উচ্চ আদালতে মামলা নং ১৪৬৬/১৭। উচ্চ আদালত এই দীঘি নিয়ে বিগত ১৪/৫/২০১৮ থেকে ১ বছরের জন্য নিম্ন আদালতে চলমান মামলার সকল ধরনের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেয়। এদিকে পুকুর নিয়ে মামলা জটের কারনে প্রায় ১৫ বছর ধরে কেউ মাছ ধরতে নামেনি। আগের ওয়ারিশরা যে মাছগুলো পুকুরে ছেড়েছিল সেগুলো অনেক বড় হয়। গত শনিবার সকালে ইউএনও আবু আসলাম হঠাৎ জেলেদের নিয়ে নিজে উপস্থিত থেকে প্রায় ১ লাখ টাকার মাছ তুলে গাড়ি করে নিয়ে গেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে ইউএনওর সঙ্গে মোবাইলে জানতে চাওয়া হলে তিনি প্রথমে জিজ্ঞেস করেন কে জানিয়েছে। মামলার এক পক্ষ বিষয়টি জানিয়েছে বলে তাকে জানানো হলে তিনি বলেন, এটা খাসজমি। সরকারি সম্পত্তি তো মসজিদকে সরকার দিতে চায় আল্লাহর ঘরের জন্য। আর ওরা দখল করে খেতে চায় আপনি বুঝতে পারছেন না। উপজেলার আধুনগর তহসিলদার সরফুদ্দীন খান সাদীর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, মামলা চলছে। দীঘিটি খাস করার জন্য কিন্তু এখনও খাস হয়নি। বিবাদীদের নামে রেকর্ডভুক্ত রয়ে গেছে। খানহাট জামে মসজিদের সভাপতি খোরশেদ আলম বলেন, মাছগুলো জাল দিয়ে ধরে গাড়িতে ভরে নিয়ে গেছেন। আমাদের মসজিদ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কেউ কথাও বলেনি বা কেউ জানায়ও নি।