menu

রোহিঙ্গা আয়েশার বাংলাদেশী স্বামী-জাতীয় পরিচয়পত্র!

সংবাদ :
  • জসিম সিদ্দিকী, কক্সবাজার
  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০১৯
image

বাংলাদেশী যুবক বিয়ে করে রোহিঙ্গা আয়েশার হাতে এখন বাংলাদেশী এনআইডি কার্ড শোভা পাচ্ছে। অত্যন্ত কড়াকড়ি সত্বেও রোহিঙ্গারা অতি কৌশলে বিভিন্ন উপজেলা থেকে ভোটার হচ্ছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় এক ব্যক্তি ৭ অক্টোবর টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে জানা যায়, মো. ইলিয়াছ ও রহিমা খাতুনের মেয়ে আয়েশা আক্তার একজন রোহিঙ্গা নারী। টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থাকেন। সেখানে রোহিঙ্গা হিসেবে সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন। তার কাছে ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গা হিসাবে নিয়মানুসারে ‘ফ্যামিলি কার্ডও রয়েছে। আবার টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের আলী আকবর পাড়ার ডেইলপাড়া প্রয়াত আবুল কাসেম ও রমিজা খাতুনের ছেলে বাংলাদেশী যুবক নুর আলমকে বিয়ে করেছেন। রোহিঙ্গা আয়েশা আক্তার চট্টগ্রামের সাতবাড়িয়া ২নং ওয়ার্ড থেকে বাংলাদেশী হিসেবে জাতীয় পরিচয়পত্র করেছেন। এনআইডি নং-১৯৯৭১৫১১৮৯৫০০০৪১২, ফরম নং-৬১০১১৪৫৫, ভোটার নং-১৫২২৭৩০০০৬৪১, ভোটার ক্রমিক নং- ৮২৫। আইডি কার্ড অনুসারে জন্ম তারিখ ২০ অক্টোবর ১৯৯৭। শুধু রোহিঙ্গা আয়েশা আক্তার একা নন, পরিবারের আরও ৭ জন রোহিঙ্গা আত্মীয়-স্বজন একই ঠিকানা ব্যবহার করে জনপ্রতি ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশী নাগরিক হিসেবে আইডি কার্ড বানিয়েছেন। এসব আইডি কার্ড নকল বা ভুয়া নয়, অনলাইন ভেরিফিকেশনে অরজিনাল হিসেবে দেখানো হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, বাংলাদেশী যুবক বিয়ে করার পরও উক্ত রোহিঙ্গা নারী আয়েশা আক্তার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাস করত। বাংলাদেশী নাগরিক হিসেবে জাতীয় পরিচয়পত্র হাতে আসার পর টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের আলী আকবর পাড়ার ডেইলপাড়া স্বামীর বাড়িতে চলে আসে। এ নিয়ে এলাকায় বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।