menu

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ ট্রাম্পের

    সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২০
image

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডব্লিউএইচও’র বিরুদ্ধে চীনের হয়ে অতিমাত্রায় পক্ষপাতমূলক আচরণ করার অভিযোগ তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এক টুইটার বার্তায় আন্তর্জাতিক এ স্বাস্থ্য সংস্থাটির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের বরাদ্দ বন্ধের হুমকিও দিয়েছেন তিনি। এদিকে সংস্থাটির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন জাতিসংঘ। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোন মন্তব্য করেনি ডব্লিউএইচও। রয়টার্স।

গতকাল বুধবার প্রকাশিত বার্তা সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, এক টুইটার বার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সত্যিই ভুল করেছে। তাদের বিশাল বরাদ্দ যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলেও কোন এক কারণে তারা খুব চীনকেন্দ্রিক। বিষয়টি আমরা খুব ভালো করে খতিয়ে দেখবো। চীনের জন্য সীমান্ত খোলা রাখার যে পরামর্শ তারা আগে দিয়েছিল, সৌভাগ্যবশত আমরা সেটি প্রত্যাখ্যান করেছি। তারা আমাদেরকে কেন এমন ভুল পরামর্শ দিলো?’ এর আগের দিন মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনেও এ সংস্থাটির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘তারা ভুল করেছে। তারা সত্যিই ভুল করেছে। ডব্লিউএইচওর আর্থিক বরাদ্দ আমরা স্থগিত করতে যাচ্ছি। খুব শক্তিশালীভাবেই আমরা সেটি স্থগিত করতে যাচ্ছি এবং দেখছি কী হয়।’

এদিকে সংস্থাটির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের কাছে এটি স্পষ্ট যে, মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়াসিসের নেতৃত্বে কোভিড নিয়ে অসাধারণ কাজ করেছে ডব্লিউএইচও। বিভিন্ন দেশকে সহযোগিতা করার জন্য কোটি কোটি সরঞ্জাম পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। তাদের প্রশিক্ষণে সহায়তা ও বিশ্বজুড়ে নির্দেশনাও দেয়া হচ্ছে।’ তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্য নিয়ে কোন মন্তব্য করেনি ডব্লিউএইচও। এর আগেও ডব্লিওএইচওর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে যুক্তরাষ্ট্র বলে, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ে চীনের ভুল তথ্যের ওপর নির্ভর করছে তারা। গত ৩১ জানুয়ারি প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সত্ত্বেও সব দেশের সীমান্ত খোলা রাখার উপদেশ দেয় ডব্লিওএইচও। তবে নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য দেশগুলোর যে কোনো পদক্ষেপ নেয়ার অধিকার রয়েছে বলেও সেসসময় জানায় তারা। সেদিনই চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে বিধিনিষেধ আরোপ করে ট্রাম্প প্রশাসন।