menu

ধুনটে যমুনা রক্ষা বাঁধের ৫৬ মিটারে ধস : আতঙ্ক

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, বগুড়া
  • ঢাকা , বুধবার, ১৫ মে ২০১৯
image

বগুড়া :ধুনটে ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নে বরইতলী এলাকায় যমুনায় ধসে যাওয়া তীর সংরক্ষণ বাঁধ -সংবাদ

নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যমুনার কুল ভাঙন শুরু হয়েছে। গত দুই দিনে প্রবল স্রোতের টানে বগুড়া ধুনটের ভান্ডারবাড়ি কৈাগাড়ি ও বরইতলী এলাকায় ৫৬ মিটার পাড় ধসে গেছে। এতে নদীর তীরবর্তী কৈয়াগাড়ী, বানিয়াযান, বরইতলী, ভান্ডারবাড়িসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ মধ্যে আবারও নদীভাঙন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাবাসী জানায়, নদীর পানি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাওয়ায় স্রোতে টানে রবিবার কৈয়াগাড়ি ও বরইতলী গ্রামের সামনে দুই পাড়ে ধস নেমে সোমবার দুপুর পর্যন্ত ৫৬ মিটার পাড় ধসে পড়েছে। বগুড়া পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী আসাদুল বারী যমুনার পাড় ধসে যাওয়ার কথা স্বীকার করে জানান, ধস ঠেকানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্র জানায়, ২০১৫ /১৬ অর্থ বছরে প্রায় ৩১৫ কোটি টাকা ব্যায়ে যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুরের সীমানা থেকে ধুনটের ৬ কিলোমিটার এলাকায় যমুনার ডানতীর সংরক্ষণ প্রকল্প (রিভেটমেন্টের) কাজ করার কারণে নদী ভাঙন আতঙ্ক দূর হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েক বছর থেকে উপজেলার ভান্ডাবাড়ি ইউনিয়নের যমুনা নদীর তীরবর্তী ভান্ডারবাড়ি, শহরাবাড়ি, শিমুলবাড়ি, বানিয়াযান, বরইতলী, কৈয়াগাড়ি, পুকুরিয়া, ঋণতবাড়িসহ ৭/৮ গ্রামের মানুষ নদীভাঙন থেকে অনেকটাই নিরাপদে ছিল। গত কয়েকদিন ধরে যমুনার পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পানির স্রোত ও ঘূর্ণাবর্তে কৈয়াগাড়ি ও বরইতলী এলাকায় ২০১১ সালে ১২ কোটি টাকা ব্যায়ে এলাকায় তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের ৫৬ মিটার ধসে যাওয়ায় নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে আরারও নতুন করে নদীভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিকুল করিম আপেল বলেন, নদী তীরে ভাঙন শুরু হওয়ার পর বিষয়টি বগুড়া পানি উন্নয়ন বোডের কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তিনি জানান, যমুনার ডানতীর সংরক্ষণ প্রকল্প রক্ষা করা না গেলে ৪/৫টি গ্রামসহ আবাদি জমিজমা ও মূল্যবান স্থাপনা যমুনার পেটে যাবে। বগুড়া পাউবোর দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, যমুনা নদীর ডানতীর সংরক্ষন প্রকল্পের ধুনটের অংশের কাজ সমাপ্তির ২/৩ বছরের মধ্যে কৈয়াগাড়ী এলাকায় সামনে যমুনার নদীর মুল অংশে হঠাৎ চর জেগে ওঠায় পানির গতি পথ পরিবর্তন হয়ে খরস্রোত সরাসরি তীর সংরক্ষন প্রকল্পে আঘাত করার কারনে ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ধসে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।