menu

দুই জেলায় জ্বর-সর্দি কাশিতে মৃত ২

  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২০

কাপাসিয়া

প্রতিনিধি, কাপাসিয়া (গাজীপুর)

কাপাসিয়ায় গত মঙ্গলবার রাতে করোনা ভাইরাস উপসর্গে এক চিকিৎসা কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। সাতাশ বছর বয়সী ওই চিকিৎসা কর্মী উপজেলার টোক ইউনিয়নের উলুসরা গ্রামের অধিবাসী। তার ও পরিবারের ৫ সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

ওই চিকিৎসা কর্মীর পিতা জানান, তার ছেলে চিকিৎসায় ডিপ্লোমা (প্যারামেডিকেল) পাস করে নারায়নগঞ্জ জেলার একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চাকরি করছিলেন। সেখান গত ১৯ মার্চ বাড়িতে আসেন। গতকাল বিকেলেও সে বাড়ির আঙ্গিনায় খেলাধুলা করেছে এবং রাতে খাবার খেয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ঘুমিয়েছিল। রাত একটার দিকে হঠাৎ করে সে অসুস্থ অনুভব করে এবং এক পর্যায়ে প্রচন্ড ঘেমে গিয়ে খিচুনি দিয়ে তার মৃত্যু হয়।

কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা মোঃ আবদুস সালাম সরকার জানান, আমরা জানতে পেরেছি বাড়িতে অবস্থানকালে তিনি জ¦র ও ঠান্ডা কাশিসহ করোনার উপসর্গে ভোগছিলেন। তাই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্যে তার ও পরিবারের ৫ সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। লাশ দাফনের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুসারে পিপিই পরিহিত প্রশিক্ষিত একটি দল তার বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাঃ ইসমত আরা জানান, আমারা ওই পরিবারের সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার কঠোর নির্দেশ দিয়েছি। রেজাল্ট পজেটিভ আসলে বাড়িটি লকডাউন করা হবে।

টাঙ্গাইল

জেলা বার্তা পরিবেশক, টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে করোনার উপস্বর্গ জ্বর, সর্দি কাশি, শ্বাসকষ্ট নিয়ে কলেজ মিয়া (৭৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। গত মঙ্গলবার দুপুরে তিনি মারা যান। মারা যাওয়া ব্যক্তির বাড়ি উপজেলার আনেহলা ইউনিয়নের পাটিতাকান্দি গ্রামে। এ ঘটনার পর ওই বাড়িটি লকডাউন করেছে স্থানীয় প্রশাসন। আনেহলা ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান তালুকদার বলেন, মৃত ব্যাক্তি ১০-১২ দিন আগে তাবলিক জামাত থেকে বাড়িতে ফিরে আসেন। বাড়িতে এসেই তিনি জ্বর, সর্দি কাশি, শ্বাসকষ্টে অসুস্থ হয়ে পড়েন। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি মারা যান।

ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সাইফুর রহমান খান বলেন, আনেহলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তার ইউনিয়নের পাটিতাকান্দি গ্রামের এক বৃদ্ধ জ্বর, সর্দি কাশি, শ্বাসকষ্টের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়ার খবর আমাদের অবহিত করেন। পরে মৃত ব্যাক্তির নমুনা সংগ্রহ করে সিভিল সার্জন অফিসে প্রেরণ করেছি। তার নমুনাটি ঢাকায় প্রেরণ করবেন। রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত বলা যাবে না তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন কিনা।