menu

তারাগঞ্জে নাশকতা মামলায় ধৃত ৫ : পলাতক শতাধিক

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, তারাগঞ্জ (রংপুর)
  • ঢাকা , রবিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০১৯

রংপুরের তারাগঞ্জ থানায় নাশকতার মামলা হয়েছে। যার মামলা নম্বর-৮, মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ১৭ জন হলেও শতাধিক ব্যক্তিকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এদের মধ্যে পুলিশ পাঁচজন আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে রংপুর জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন। থানার মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ ডিসেম্বর উপজেলার হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের উজিয়াল দিঘীরপাড় বাংলালিং টাওয়ার সংলগ্ন হাতিবান্ধা থেকে ডাঙ্গিরহাটগামী সড়কের ওপর রাত অনুমানিক সারে ৮টায় জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ ও ইসলামী ছাত্রশিবির নেতাকর্মী ও তাদের শরিক দলের সদস্য জয়নাল আবেদীন (৪৮) পিতা মৃত আবদুল কাদের, আলমগীর হোসেন (৪৫) ইলিয়াছ আলী (৩৮) উভায়ের পিতা ইনুস আলী, নুরুজ্জামান ওরফে কাদের (৪৮) পিতা মৃত সামাদ, আরিফ শেখ (২৬) পিতা নাজিম শেখ, রফিকুল ইসলাম (৫০) পিতা মৃত ইউনুস আলী, কাজী সামসুল হুদা (৩৬) পিতা কাজী মকবুল হোসেন, কাজী রফিকুল ইসলাম (৫০) পিতা নেক্কার হোসেন, কাজী ইলিয়াছ হোসেন (৪৪) পিতা আজগার আলী, সাজু মিয়া (৪০) পিতা জর্দ্দার শাহ, ইয়াকুব আলী (২৯) পিতা আব্দুল কাদের। আইয়ুব আলী (৫০) পিতা মৃত বাশার মাস্টার, এনামুল হক (৫২) পিতা মৃত আবদুর রশিদ, সেলিম (২৬) পিতা এনামুল হক, জামাতের সদস্য আশরাফুজ্জামান (মুকুল) (৪৭) পিতা মৃত- ছত্তার (মাস্টার), যুবদলের সদস্য হজরত বেলাল (৩১) পিতা মৃত- আব্দুল জব্বার, হায়দার আলী (৪৫) পিতা ওয়াজেদ আলী, আব্দুল হালিম (৩২) পিতা এসএম ইলিয়াছ শাহ, নিয়ামত আলী (৩০) পিতা মৃত আফতাবসহ অজ্ঞাতনামা ১০০-১৫০ জন আসামি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালসহ গত ২৩ ডিসেম্বর জাতির জনকের কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী তারাগঞ্জ আগমনকে কেন্দ্র করে আকস্মিকভাবে লাঠি-সোঠা নিয়ে সরকারবিরোধী সেøাগান দিয়ে একটি জঙ্গি মিছিল বের করে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে পথচারীদের মারপিট করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে পথচারীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে নিরীহ জনগণকে আতংকিত করে তোলে মর্মে মামলায় উল্লেখ করেছেন। মামলার বাদী উপজেলার হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের কিসামত মেনানগর পাটোয়ারীপাড়া গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, আমি মামলা দায়ের করার পর তারাগঞ্জ থানার পুলিশ ইলিয়াছ আলী (৩৮) পিতা ইনুছস আলী, নিয়ামত আলী (৩০) পিতা মৃত আফতাব আলী, জয়নাল আবেদীন (৪৫) পিতা-মৃত ওসমান আলী, এনামুল হোসেন (৫২) পিতা-মৃত আব্দুর রশিদ, হায়দার আলীসহ (৪৫) পাঁচজন আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে রংপুর জেলহাজতে প্রেরণ করেন। এ মামলার অভিযোকারী সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, জামাতের অন্যতম সদস্য আশরাফুজ্জামান মুকুলের বিরুদ্ধে ১৯৮০/১৯৮২ সালে হিন্দুদের বাড়িতে অগ্নি নিক্ষেপ সড়কের গাড়ি ভাংচুর কোর্ট কাচারী ভাংচুরের মামলা সহ একাধিক মামলা হয়েছিল, এছাড়াও উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের দোলাপাড়া গ্রামের নিরীহ হিন্দু পরিবারের মেয়ে জোরপূর্ব তুলেনিয়ে গিয়েছে, বর্তমান ওই অপহরণের মামলাটি রংপুর আদালতে চলমান রয়েছে। যা সরেজমিন তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে। নাশকতার মামলার তদন্তকারী ওসি (তদন্ত) হুমায়ুন রেজা বলেন, মামলায় এজাহার নামীয় পাঁচজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকী আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তবে এলাকাবাসী মনে করছে এ মামলার অন্যতম আসামি উপজেলার ইকরচালী ইউনিয়নের বরাতী চরকডাঙ্গাপাড়া গ্রামের ছত্তারের (মাস্টার) ছেলে আশরাফুজ্জামান (মুকুল) পুলিশ তাকে কি কারণে এড়িয়েছে, এলাকাবাসী ওই অভিযুক্ত মুকুলের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট সরেজমিন তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।