menu

খবর প্রকাশের পর

কুমিল্লা পবিস-৩ অনিয়মের সত্যতা পেল তদন্ত কমিটি

সংবাদ :
  • এমএ কাশেম ভূঁইয়া, হোমনা (কুমিল্লা)
  • ঢাকা , বুধবার, ১৬ মে ২০১৮
image

কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর ‘ব্যাপক অনিয়ম হরিলুট নৈরাজ্য ও দালাল ইলেক্ট্রিশিয়ান ঠিকাদার সিন্ডিকেটে ঘুষ বাণিজ্য চরমে’ প্রকাশিত খবরের সত্যতা পেলো তদন্ত কমিটি। গত ১২ মে শনিবার থেকে ১৪ মে সোমবার পর্যন্ত বাংলাদেশ পল্লি বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ২ সদস্যের একটি তদন্তদল কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর অধিনে সংশ্লিষ্ট উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামে ঘুরে ঘুরে সাধারণ গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে প্রকাশিত খবরের সতত্য পায় বলে দৈনিক সংবাদকে জানায়। জানা যায়, গত ৩ মার্চ ‘কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩, দালাল ইলেক্ট্রিশিয়ান ঠিকাদার সিন্ডিকেটে ঘুষবাণিজ্য চরমে, মিটার প্রতি ঘুষ ৫-২৫ হাজার টাকা, জড়িত অফিসের কর্তাব্যক্তিরা, সরকারের উন্নয়ন সুনাম পন্ড করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা’ শিরোনামে দৈনিক সংবাদে খবর প্রকাশ হয়। এরপর তথ্য অধিদফতর বাংলাদেশ সচিবালয়ের নির্দেশে গত ১২মে শনিবার বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ডেপুটি ডিরেক্টর ও পিবিএস’র (অনুসন্ধ্যান ও তদন্ত) মো. আবদুল হাফিজ এবং বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের এ্যসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর (এডমিন) ও পিবিএস’র (অনুসন্ধ্যান ও তদন্ত) মো. শহিদুল ইসলাম দুই সদস্যের এই তদন্তদল সমিতির অধিনে জেলার হোমনা, মেঘনা, তিতাস ও দাউদকান্দি উপজেলাসহ সংশ্লিষ্ট উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামে ঘুরে ঘুরে সাধারণ গ্রাহকদের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের সত্যতা যাচাই করেন এবং গ্রাহকদের অভিযোগ লিখিত আকারে গ্রহন করেন। ৩দিনের তদন্তকালে সমিতির ব্যাপক অনিয়মের চিত্র এবং গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেয়ার শত শত লিখিত অভিযোগ জমা পরে তদন্ত টিমের কাছে। এছাড়াও শতভাগের আওতায় হোমনা উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের জগড়ারচর গ্রামের ৭ শতাধিক গ্রাহক এবং মহিষমারী গ্রামের ১২ জন গ্রাহক, জয়পুর ইউনিয়নের রাজাকাশিপুর গ্রামের ১৬ জন গ্রাহকসহ প্রায় প্রতিটি গ্রামেই ১৫-২০ জন গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ না দিয়েই শতভাগ ঘোষণা করেন কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩। এনিয়েও অসন্তুষ প্রকাশ করেন তদন্ত কমিটি।

তদন্ত টিমের প্রধান বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ডেপুটি ডিরেক্টর ও পিবিএসের (অনুসন্ধ্যান ও তদন্ত) মো. আবদুল হাফিজ দৈনিক সংবাদকে বলেন, বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে গ্রাহকদের সাক্ষাৎকার এবং লিখিত বক্তব্য সংগ্রহ করেছি। এতে দৈনিক সংবাদে প্রকাশিত খবরের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে অফিসের কর্তাব্যক্তিরা সরাসরি জড়িত এমন অভিযোগ তেমন না করলে তাদের দায়িত্বে ব্যাপক অবহেলা প্রমানিত হয়েছে। আমরা আমাদের ডিপার্টমেন্টে এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেবো। ডিপার্টমেন্ট যা ভালো মনে করেন তাই করবেন।