menu

অষ্টগ্রামে নির্মাণের ৭ মাসেই রাস্তা বিধ্বস্ত

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, অষ্টগ্রাম (কিশোরগঞ্জ)
  • ঢাকা , শনিবার, ০৯ নভেম্বর ২০১৯
image

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে উপজেলা কাজ শেষ করার ৭ মাসেই সাভিয়া নগর জিসি হয়ে আলী নগর রাস্তার ইট সরে এখন মরণফাঁদ তৈরি হয়েছে। ৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রায় আড়াই কিলোমিটার এই রাস্তাটি চলতি বছরের এপ্রিল মাসে কাজ শেষ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি)। এলাকাবাসী বলেন, এইভাবে ভাঙ্গতে থাকলে রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়বে। আড়াই কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তার ব্লক সরে কোথাও কোথাও রাস্তার নিচের মাটিও সরে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে আলীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বেশ ঝুঁকিতে রয়েছে বলে মনে করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। মধ্যে আলীনগরের বাসিন্দা ফরিদ মিয়া বলেন, যদি এইভাবে রাস্তাটি ভাঙ্গতে থাকে তাহলে রাস্তার সঙ্গে বাড়িঘরও যে কোন সময় ভেঙ্গে যেতে পারে। একই এলাকার সেলুন ব্যবসায়ী মাসুক মিয়া বলেন, গ্রামের লোকজন মিলে অনেক চেষ্টা করেছি রাস্তাটি টিকানোর জন্য। আমরা আর কত করবো । যদি সাইডে ব্লক না দিয়ে প্রতিরক্ষা দেওয়াল দেয়া হতো তাহলে ভালো হতো। পশ্চিম আলীনগরের আহম্ম্দ আলী বলেন, এত টাকা দিয়ে সরকার রাস্তাটি করলেই ৬ মাসের মধ্যেই এই অবস্থা বাকি দিন কেমনে চলবে। বিল্লাল মিয়া বলেন, উপজেলা এলজিইডির ও ঠিকাদার কোন রকম দায় সাড়াভাবে নিম্নমানের কাজের কারণে রাস্তাটি এমন হয়েছে। আলীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হালিমা আক্তার জানান, আলীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি শিশু শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত ছিল সম্প্রতি এই স্কুলটি ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত উন্নতি করা হয়েছে এই স্কুলে শিক্ষার্থী রয়েছে ৬৪৭ জন। স্কুলটির ঘেসে রাস্তার হয়েছে। ইতোমধ্যে ব্লক সরে গিয়ে এবং রাস্তার মাটি সরে যাওয়ার কারণে বর্তমানে অনেকটাই ঝুঁকিতে রয়েছে। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ভাঙ্গা রাস্তায় পড়ে গিয়ে আঘাতও পেয়েছে এবং দ্রুত তার সমাধান না করা হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এ ব্যপারে উপজেলা প্রকৌশলী মাহাবুব মোশেদ বলেন, রাস্তাটি তৈরি সময় এলাকাবাসী রাস্তার ভেতর দিয়ে পাইন দেয়ার কারণে রাস্তাটির সমস্য হয়েছে তবে এই বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জের জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী আমিরুজ্জামানকে ফোনে চেষ্টা করলে সাংবাদিক পরিচয় দিলে ব্যস্ততা দেখিয়ে পরে ফোন দিচ্ছি বলে ফোনটি কেটে দেন।