menu

রাজাপুরে বুলবুলের আঘাতে গুচ্ছগ্রামের ২৭ ঘর তছনছ

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, ঝালকাঠি
  • ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯
image

ঝালকাঠি : বুলবুলের আঘাতে রাজাপুরের চর পালট গুচ্ছগ্রামের বিধ্বস্ত ঘর -সংবাদ

প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে ঝালকাঠির রাজাপুরের চর পালট গুচ্ছ গ্রামের নির্মাণাধীন ১৭টি ঘর পুরো বিধ্বস্ত ও ১০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদীর পানি বৃদ্ধি ও অবিরাম বৃষ্টিরতে বালু ও মাটি ধ্বসে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে চর পালট গুচ্ছগ্রাম বাস্তবায়ন কমিটির দাবি করেছেন। এতে যথাসময়ে এ ঘরগুলো ভুক্তভোগীদের মাঝে হস্তন্তর নিয়ে চরম শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি সরকার এ বিষয়ে ঘরগুলো পুনরায় নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

জানা গেছে, বড়ইয়া ইউনিয়নের বিষখালী নদীর তীরের চর ভরাট করে চর পালট গুচ্ছগ্রামে ৭০টি ঘর, টিউভওয়েল ও লেট্রিন নির্মাণের জন্য গুচ্ছগ্রাম সিবিআরপি-২ প্রকল্পের আওতায় ১ কোটি ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। সে অনুয়ায়ী গত সেপ্টেম্বর মাসে চরে বালু ফেলে উঁচু করে ঘর নির্মাণ ও লেট্রিনসহ যাবতীয় কাজ শুরু করা হয় এবং নভেম্বরের শেষের দিকে কাজ সম্পন্ন করে হস্থান্তর করার কথা ছিল। চর পালট গুচ্ছগ্রামের নির্মাণকাজে নিয়োজিত মিস্ত্রি এবং শ্রমিক ফরহাদ হোসেন, জামাল হোসেন ও মো. রফিক জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে ঘরগুলো একের পর এক মাটিতে ভেঙে পড়ে গেছে।

এতে ঘরগুলোর টিন, পিলার ও লোহার পাত ভেঙে ও নষ্ট হয়ে গেছে। লেট্রিনের মালামাল, টিউবওয়েলের মালপত্রও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে। পানিতে তলিয়ে ঝড়ো বাতাসে নিরুপায় হয়ে জীবন বাঁচাতে নৌকায় ওইখান থেকে চলে যায়। মাটি ও বালু পানিতে ধুয়ে নেমে গেছে। রাজাপুরের ইউএনও মো. সোহাগ হাওলাদার জানান, চর পালট গুচ্ছ গ্রামটি বড়ইয়া ইউনিয়নের বিষখালী নদীর তীরে অবস্থিত হওয়ায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে নির্মাণকাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দফতরে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে প্রতিবেদন পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

সরকারের তরফ থেকে এ ক্ষতির বিষয়ে কোন সহায়তা বা বরাদ্দ পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। আগামী ২৬ নভেম্বর বড়ইয়া ইউনিয়ন পরিষদে যাচাই বাছাই শেষে ঘরের সমস্যা সমাধান করে প্রকৃত উপকারভোগীদের দেয়া করা হব।